• NEWS PORTAL

  • বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি নিয়ে যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১৯:৪২, ১৭ জুন ২০২৬

আপডেট: ১৯:৪৩, ১৭ জুন ২০২৬

ফন্ট সাইজ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি নিয়ে যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: খলিলুর রহমান (সংগৃহীত)

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তাসহ বেশকিছু বিষয়ে বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। 

বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে গাজীপুর–৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম ফজলুল হক মিলনের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এ কথা বলেন। স্পিকার (মেজর অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্প্রতি অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন তুলা ব্যবহার করে উৎপাদিত তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্ক সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে। চুক্তিটি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

‘রফতানি বাজার সম্প্রসারণ, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থানমুখী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে আরও ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করা এবং বৈদেশিক বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনীতির গতিশীলতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে সরকার অর্থনৈতিক কূটনীতিকে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করছে। এ লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহ সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইউরোপ ও আমেরিকার মতো প্রচলিত বাজারের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্য এশিয়া এবং পূর্ব ইউরোপের উদীয়মান বাজারসমূহে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক উপস্থিতি জোরদার করা হয়েছে।

খলিলুর রহমান আরও বলেন, বাজার সম্প্রসারণ এবং শুল্ক সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রেফারেনসিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ), ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (এফটিএ) এবং কম্প্রেহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) সম্পাদনের উদ্যোগ চলমান রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সিইপিএ বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে; মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের কার্যক্রমও এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে জিসিসি, মারকুসুর (MERCOSUR) এবং অন্যান্য আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব‍্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে কৃষিপণ্য ও অপ্রচলিত রফতানি খাতেও  নতুন সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। সম্প্রতি ভিয়েতনামের বাজারে বাংলাদেশের আলু রপ্তানির সুযোগ উন্মুক্ত হয়েছে এবং মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের আম রফ বিষয়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বিভি/এআই

মন্তব্য করুন: