সোমবার ছিল আষাঢ় মাসের প্রথম দিন। ঋতুচক্রের পথ পরিক্রমায় বর্ষা ঋতুর বন্ধনা শুরু। এবার আষাঢ় ভিন্ন রূপে হাজির হয়েছে রংপুর অঞ্চলে। আষাঢ় মাস সাধারণত মেঘের ঘনঘটা-বৃষ্টির রিমঝিম শব্দে মুখর থাকলেও এবারের চিত্র একেবারে ভিন্ন। কোথাও কোথাও মেঘের ভেলা দেখা গেলেও বৃষ্টির রিমঝিম শব্দ ছিল অনুপস্থিত।
রংপুরের কোথাও বৃষ্টির দেখা মেলেনি আষাঢ়ের প্রথম দিনে। তাপদাহে এক পশলা বৃষ্টির জন্য চাতক পাখির মতো চেয়ে আছে মানুষ। একে বৃষ্টি নেই। তার ওপর কাঠফাটা গরম ও বিদ্যুতের লোড শেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, জুন মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হয় ৪৫০/৫০০ মিলিমিটারের ওপর। সেখানে জুনের ১৫ তারিখ পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে প্রায় ১৫০ মিলিমিটার। সব মিলিয়ে দেখা গেছে বাংলা মাসের আষাঢ়ের প্রথম দিন কেটেছে বৃষ্টিহীন।
আবহাওয়াবিদদের মতে আষাঢ়ে এমন আবাহাওয়া গত ৩ দশকেও দেখা যায়নি। অথচ আষাঢ়-শ্রাবণ এই দুই মাস বর্ষাকাল। আষাঢ় মাসে আগে একটানা কয়েকদিন বৃষ্টি হতো। কিন্তু জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তনের ফলে আষাঢ়ের বৃষ্টি হারিয়ে এখন হয়েছে অতীতের স্মৃতি।
এদিকে সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক সেলসিয়াস। রংপুরে অসহ্য তাপমাত্রায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। সেই সাথে দিন-রাতে বিদ্যুতের লোড শেডিংয়ে জনজীবন আরও কাহিল হয়ে পড়েছে।
রংপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান বলেন, এবার জুন মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
বিডি প্রতিদিন/এমআই