পেনাল্টি না পাওয়ার মুহূর্তের পরেই ম্যাচের রঙ বদলে দেন কিলিয়ান এমবাপে। সেই আঘাতকে যেন জবাব বানিয়ে মাঠে নামেন তিনি। আর সেখানেই জন্ম নেয় আরেকটি রেকর্ডের গল্প। জোড়া গোল করে এক ম্যাচেই ফ্রান্সের ইতিহাসে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করে নিলেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে সেনেগালের বিপক্ষে ম্যাচে প্রথমে এগিয়ে আসেন এমবাপে। ডি বক্সের ভেতর থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। সেই গোলেই ফ্রান্সের সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতার তালিকায় অলিভার জিরুদের পাশে চলে আসেন তিনি।
এরপর আসে দ্বিতীয় গোল, যা পুরো ম্যাচের মোড়ই বদলে দেয়। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া দুর্দান্ত এক শটে এদুয়ার মেন্দিকে পরাস্ত করেন এমবাপে। সেই গোলেই তিনি হয়ে যান ফ্রান্সের একক সর্বোচ্চ গোলদাতা।
শুধু জাতীয় দলের নয়, বিশ্বকাপের ইতিহাসেও নিজের জায়গা আরও শক্ত করেছেন তিনি। এই জোড়া গোলের পর বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৪। ফলে তিনি পেছনে ফেলেন জাস্ট ফন্টেইন এবং লিওনেল মেসিকে। এখন তিনি আছেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় শীর্ষের খুব কাছাকাছি।
বর্তমানে এই তালিকার শীর্ষে আছেন জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসা, যার গোল ১৬টি। আর ১৪ গোল নিয়ে ক্লোসার ঠিক পেছনেই অবস্থান করছেন এমবাপে। মাত্র কয়েক গোল দূরেই নতুন ইতিহাসের হাতছানি।
ম্যাচে তার প্রথম গোলটি আসে মাইকেল অলিসের নিখুঁত অ্যাসিস্ট থেকে, যেখানে সেনেগালের রক্ষণ ভেঙে যায় মুহূর্তেই। এরপর দ্বিতীয় গোলটি ছিল আরও বেশি ব্যক্তিগত দক্ষতার প্রতিচ্ছবি।
সব মিলিয়ে এই রাত শুধু একটি ম্যাচ জয়ের নয়, বরং এমবাপের ক্যারিয়ারে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা। রেকর্ড, গোল আর আধিপত্যে তিনি এখন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটি।
বিডি প্রতিদিন/আশিক