শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৫৮, সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০৮:০৩, সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

বাসই চলে না, বোয়িং বিলাস

জ্বালানি, গ্যাস-বিদ্যুতের হাহাকারের সময় ৩৫ হাজার কোটি টাকার ঋণের বোঝা। কৃচ্ছ্রসাধনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন।
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
বাসই চলে না, বোয়িং বিলাস

দেশের অর্থনীতিতে চলছে টানাটানি। তহবিলসংকটে বাড়ছে ধারকর্জ। জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাসের জন্য চারদিকে হাহাকার। এই সংকটকালে খোদ সরকারই যখন সর্বস্তরে কৃচ্ছ্রসাধনে জোর দিয়েছে, আরেক দিকে চলছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৪টি বোয়িং কেনার আয়োজন।

ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের করা চুক্তির দোহাই দিয়ে নীরবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার ঋণের বোঝা চাপাতে চাইছে সরকারের ঘাড়ে। অথচ আগের কেনা ১০টি বোয়িংয়ের পুরো টাকাও এখনো পরিশোধ করা হয়নি। দেশের অর্থনীতির দুঃসময়ে এমন বিলাসী কেনাকাটা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, একদিকে জ্বালানিসংকটে যানবাহন স্থবির, ডিজেলের অভাবে কৃষকের সেচ পাম্প চলে না, অন্যদিকে সরকারি মিতব্যয়িতার ঘোষণা জারি রেখে এমন ব্যয়বহুল কেনাকাটা সরকারের নীতির সঙ্গে সাঘর্ষিক।

ব্যয় সংকোচনের মাঝে বৈপরীত্য : দেশের অর্থনীতি বর্তমানে একাধিক চাপের মুখে। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা আমদানিনির্ভর দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য অতিরিক্ত চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, বৈদেশিক ঋণের ওপর আরো চাপ পড়লে সুদ পরিশোধের বোঝা বাড়বে।

বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিন বছর ধরে প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিক পতন, বিনিয়োগে স্থবিরতা, কর্মসংস্থানে ধীরগতি এবং দারিদ্র্য বৃদ্ধি দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত করছে। চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৩.৯ শতাংশে নেমে আসতে পারে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, আর্থিক খাতের দুর্বলতা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ অব্যাহত রয়েছে। অনিশ্চয়তা, অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং বৈদেশিক বাণিজ্য ব্যয় বৃদ্ধিতে স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক ঋণের ঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

সরকার আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের কাছে ৩০০ কোটি ডলারের জরুরি ঋণ চেয়েছে। এ অবস্থায় ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের বোয়িং ক্রয় রিজার্ভের ওপর চাপ আরো বাড়াবে। ডাউন পেমেন্ট (৩-৩.৫ হাজার কোটি টাকা) জোগাড় করাও চ্যালেঞ্জ।

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা বিবেচনায় নিয়ে সরকারি ব্যয়ে বড় ধরনের কাটছাঁট করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী, যানবাহন ও কম্পিউটার কেনা, কর্মকর্তাদের বিদেশভ্রমণসহ ১১টি খাতে বরাদ্দ বন্ধ বা সীমিত করে কঠোর কৃচ্ছ্রসাধনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে কৃষি ও শিল্প উৎপাদন যখন ধুঁকছে, তখন বিপুল ঋণের দায় কাঁধে নিয়ে উড়োজাহাজ কেনার এই চুক্তিকে ‘শ্বেতহস্তী’ পোষার শামিল বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। তাঁদের মতে, এটি সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতির সঙ্গে চরমভাবে সাংঘর্ষিক।

ভূ-রাজনীতি ও বাণিজ্য কৌশল : সূত্র জানায়, মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে এই ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে, যার চুক্তি আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সই হওয়ার কথা। শুরুতে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার গুঞ্জন থাকলেও বর্তমান সরকার তা ১৪টিতে নামিয়ে এনেছে। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং সম্ভাব্য ৩৫ শতাংশ রেসিপ্রোকাল শুল্কের (পরস্পর শুল্ক) হুমকি মোকাবেলা করতেই এই কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এই চুক্তির সমান্তরালে মার্কিন এনার্জি প্রোডাক্ট (এলএনজি) থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলারের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি ক্রয় এবং কৃষিজাত পণ্য আমদানির বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকার বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে একটি ‘কৌশলগত সমঝোতা’ হিসেবে উপস্থাপন করলেও সমালোচকদের দাবি, নাজুক অর্থনীতির এই সময়ে এমন বিশাল আর্থিক দায় নতুন সরকারের জন্য এক দুঃসহ বোঝা হয়ে দাঁড়াবে।

দেনা পরিশোধ না হতেই নতুন ঋণ : বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সম্প্রতি সচিবালয়ে সংবাদিকদের বলেন, ‘৩০ এপ্রিলের মধ্যেই বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি হবে। আমরা ১৪টি উড়োজাহাজ কিনব। পাঁচ বছরে ডেলিভারি নেব।’

সরকারি সূত্র ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এর মধ্যে থাকছে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ এবং চারটি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স। সরকারের দাবি, পুরো অর্থ ২০ বছরে পরিশোধ করা হবে; বছরে গড়ে এক হাজার ৫০০ কোটি থেকে দুই হাজার কোটি টাকা। কিন্তু অর্থনীতিবিদ ও এভিয়েশন বিশ্লেষকরা বলছেন, এই হিসাব অসম্পূর্ণ।

বিশ্লেষকদের মতে, সুদের হার ও ডলার-টাকা বিনিময় হারের ওঠানামায় বার্ষিক পরিশোধের চাপ দুই হাজার ৫০০ কোটি টাকাও ছাড়িয়ে যেতে পারে। আর তা শুধু মূল ঋণ ও সুদের অংশ। এর বাইরে বিমান রক্ষণাবেক্ষণ, পাইলট ও ইঞ্জিনিয়ার প্রশিক্ষণ, থার্ড পার্টি ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশের জন্য জোগাতে হবে বাড়তি অর্থ। অথচ বর্তমানে বিমানের মুনাফা এখনো ৮০০ কোটি টাকার নিচে।

এই কেনাকাটার পেছনে রয়েছে নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ‘রেসিপ্রোকাল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট’। গত ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিতে বাংলাদেশ রপ্তানি শুল্ক ছাড়ের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিপুল পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি দেয়, যার মধ্যে ছিল ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয় (পরে নামিয়ে ১৪টি করা হয়েছে), ১৫ বিলিয়ন ডলারের এলএনজি, কৃষিপণ্যাসহ অন্যান্য পণ্য।

অন্তর্বর্তী সরকার দাবি করেছিল, ‘নির্বাচনের আগে চাপমুক্ত হতে’ এই উদ্যোগ। কিন্তু সমালোচকরা বলছেন, এটি পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের হাত বেঁধে দেওয়া। যুক্তরাষ্ট্রের ৩৫ শতাংশ সম্ভাব্য রেসিপ্রোকাল শুল্কের হুমকি এড়াতেই মূলত এই সিদ্ধান্ত—বিমানের প্রয়োজনীয়তা ও অর্থনৈতিক সামর্থ্য বিবেচনায় না নিয়েই।

ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতদের হুঁশিয়ারি : ইউরোপ বাংলাদেশের একক বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য। বোয়িং কেনার সিদ্ধান্তের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের তিনটি দেশের রাষ্ট্রদূত জানিয়ে দিয়েছেন, এককভাবে বোয়িংয়ের ওপর নির্ভর করলে ইউরোপীয় বাজারে পোশাক খাতের অগ্রাধিকার সুবিধা পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে। তাঁরা ‘ফেয়ার কম্পিটিশন’ এবং ‘ব্যালান্সড প্রকিউরমেন্ট’ দাবি করেন।

এয়ারবাসের উড়োজাহাজ কেনার আলোচনা শুরু হয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে, একটি এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকা সফরকালে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ প্রকাশ্যে এয়ারবাসের বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন।

এয়ারবাসের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনানুষ্ঠানিকভাবে জানতে পেরেছি। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব বাতিলের কোনো চিঠি পাইনি। আমরা এখনো অপেক্ষায়।’

বিমানের বহর আর চাহিদার হিসাব : বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বর্তমান বহরে রয়েছে ২১টি উড়োজাহাজ। ভাড়ার মেয়াদ শেষে ডিসেম্বরে দুটি বোয়িং ফেরত যাবে, তখন সংখ্যা দাঁড়াবে ১৯টিতে। ক্রমবর্ধমান যাত্রী চাহিদার কথা বলে সরকার বলছে, প্রয়োজন ৩০-৩৫টি বিমান। ২০৩৪-৩৫ সালের মধ্যে বহর ৪৭টিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা। নতুন ১৪টির ডেলিভারি শুরু ২০৩১ সালের অক্টোবরে, শেষ হবে ২০৩৫ সালের নভেম্বরে।

কিন্তু এভিয়েশন বিশ্লেষক ও বিমানের সাবেক বোর্ড সদস্য বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম মনে করেন, ‘দূরপাল্লার বড় জেটের চেয়ে আঞ্চলিক ও স্বল্প দূরত্বের রুটের জন্য ছোট উড়োজাহাজ বেশি প্রয়োজন। আমাদের লং রুট মাত্র চার-পাঁচটি দেশের সঙ্গে। বাকি সব শর্ট রুট। অথচ ক্রয়ে অভিজাত ড্রিমলাইনার বেশি, যার অপারেটিং খরচ আকাশছোঁয়া।’

কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, ‘বিমানের বহরে নতুন উড়োজাহাজ প্রয়োজন ঠিকই, কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত আসতে হবে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্রয়োজন ও সক্ষমতা থেকে, ওপর মহলের নির্দেশে নয়। বিমানকে বাঁচাতে হলে আগে এর ব্যবস্থাপনায় পেশাদারি নিশ্চিত করতে হবে। অ্যাডহক ভিত্তি বা আমলাতান্ত্রিক অদক্ষতা দিয়ে বিমান চালানো সম্ভব নয়; সংস্থাটিকে দক্ষ এবং বাণিজ্যিকভাবে দূরদর্শী জনবল দিয়ে পরিচালনা করতে হবে।’

উড়োজাহাজ কেনাকাটার প্রক্রিয়া নিয়ে তিনি জানান, সাধারণত মোট দামের প্রায় ১০ শতাংশ অর্থ ডাউন পেমেন্ট হিসেবে দিতে হয়, যার সংস্থান হয় ব্যাংকের মাধ্যমে। এই অর্থ পরিশোধ ও চুক্তি সই হওয়ার পরই অর্ডারটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়।

ঝুঁকি ও সুপারিশ : অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, বৈদেশিক ঋণের ওপর আরো চাপ পড়লে সুদ পরিশোধের বোঝা বাড়বে। বিশ্বব্যাংক উল্লেখ করেছে, পাতলা বৈদেশিক মুদ্রা বাফার এবং দুর্বল ব্যাংকিং খাতের কারণে দীর্ঘমেয়াদি শক শোষণের সক্ষমতা সীমিত। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা আমদানিনির্ভর দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য অতিরিক্ত চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

সরকারের উচিত চুক্তিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, আর্থিক মডেলিং করা এবং ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা। একই সঙ্গে বিমানের ব্যবস্থাপনা সংস্কার, রুট অপ্টিমাইজেশন এবং প্রাইভেট সেক্টরের সঙ্গে অংশীদারি জরুরি। ফ্লিট সম্প্রসারণ যদি শুধু সংখ্যায় সীমাবদ্ধ থাকে এবং দক্ষতা ও লাভজনকতা নিশ্চিত না হয়, তাহলে তা জাতীয় অর্থনীতির জন্য অতিরিক্ত বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

যা বলছে বিমান : বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম বলেন, ‘পরিচালনা পর্ষদের নীতিগত সিদ্ধান্তের পর এখন চুক্তি সই ও আনুষঙ্গিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে আলোচনা চলছে। দ্রুত চুক্তি হলেও উড়োজাহাজ সরবরাহ পেতে ২০৩২ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। বর্তমানে উড়োজাহাজের দাম নির্ধারণের বিষয়টিই আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আগেও আমরা ১০টি বোয়িং কিনেছি, চারটির ঋণ পুরোপুরি পরিশোধ করেছি, বাকিগুলো শেষ পর্যায়ে আছে। নতুন উড়োজাহাজ কেনার দায়ভার বিমানই বহন করবে। সরকার শুধু গ্যারান্টি দেবে। ব্যাংকঋণের জন্য আরএফপি (রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল) ইস্যু করবে বিমান। যে ব্যাংক সবচেয়ে কম সুদ দেবে, তাদের থেকেই ঋণ নেব। সবকিছু যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই করেই বিমান কর্তৃপক্ষ বোয়িং থেকে উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

সূত্র: কালের কণ্ঠ

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
ঈদের দিন যাত্রীদের বিশেষ আপ্যায়ন বিমানের
ঈদের দিন যাত্রীদের বিশেষ আপ্যায়ন বিমানের
বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ফ্লাইট বিপর্যয়
বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ফ্লাইট বিপর্যয়
ঝড়ের কবলে চায়না সাউদার্ন গেল কলকাতায়, চট্টগ্রামের বিমান ফিরে গেল চট্টগ্রামেই
ঝড়ের কবলে চায়না সাউদার্ন গেল কলকাতায়, চট্টগ্রামের বিমান ফিরে গেল চট্টগ্রামেই
নভোএয়ার ও ইলেক্ট্রা ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
নভোএয়ার ও ইলেক্ট্রা ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
টানা দ্বিতীয়বার ‘বেস্ট ডোমেস্টিক এয়ারলাইন্স’ পুরস্কার জিতল ইউএস-বাংলা
টানা দ্বিতীয়বার ‘বেস্ট ডোমেস্টিক এয়ারলাইন্স’ পুরস্কার জিতল ইউএস-বাংলা
এয়ার অ্যাস্ট্রার বহরে যুক্ত হচ্ছে তিনটি ব্র্যান্ড নিউ এটিআর
এয়ার অ্যাস্ট্রার বহরে যুক্ত হচ্ছে তিনটি ব্র্যান্ড নিউ এটিআর
ইউটিউব থেকে নেটফ্লিক্স, বিমানে এখন সব স্ট্রিমিং চলবে স্টারলিংকে
ইউটিউব থেকে নেটফ্লিক্স, বিমানে এখন সব স্ট্রিমিং চলবে স্টারলিংকে
কার স্বার্থে এই বোয়িং
কার স্বার্থে এই বোয়িং
ইরান যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব, সংকটে আফ্রিকার বিমান খাত
ইরান যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব, সংকটে আফ্রিকার বিমান খাত
ইউএস-বাংলার মধ্যপ্রাচ্যের সকল রুটে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক
ইউএস-বাংলার মধ্যপ্রাচ্যের সকল রুটে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক
ভ্রমণে নতুন মাত্রা: সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরে আসছে প্রাইভেট টার্মিনাল
ভ্রমণে নতুন মাত্রা: সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরে আসছে প্রাইভেট টার্মিনাল
বাংলাদেশে ফ্লাইট পরিচালনা করতে চায় রিয়াদ এয়ার
বাংলাদেশে ফ্লাইট পরিচালনা করতে চায় রিয়াদ এয়ার
সর্বশেষ খবর
পটুয়াখালীতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে দুই শ্রমিকের মৃত্যু
পটুয়াখালীতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

বেনাপোলে অস্ত্রসহ আটক দুই
বেনাপোলে অস্ত্রসহ আটক দুই

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে অটোরিকশাচালক হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে আগুন
বরিশালে অটোরিকশাচালক হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে আগুন

১২ মিনিট আগে | নগর জীবন

সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর
সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

আমিই বস, ম্যাক্রোঁ-মেলোনিদের সামনে ঘোষণা ট্রাম্পের
আমিই বস, ম্যাক্রোঁ-মেলোনিদের সামনে ঘোষণা ট্রাম্পের

৩৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরও এক লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল নিয়ে জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
আরও এক লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল নিয়ে জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে

৪০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চট্টগ্রামে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল গরু ব্যবসায়ীর
চট্টগ্রামে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল গরু ব্যবসায়ীর

৪০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সুন্দরবনে মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন ৫ অপহৃত জেলে
সুন্দরবনে মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন ৫ অপহৃত জেলে

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৪১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ইরাকের গোল নায়ক আয়মেনের অবিশ্বাস্য ইতিহাস
ইরাকের গোল নায়ক আয়মেনের অবিশ্বাস্য ইতিহাস

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের মাঝে বিনামূল্য কৃষি উপকরণ বিতরণ
নোয়াখালীতে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের মাঝে বিনামূল্য কৃষি উপকরণ বিতরণ

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কারাভোগ শেষে ৩ বছর পর ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৬ নারী
কারাভোগ শেষে ৩ বছর পর ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৬ নারী

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাবেক এমপি খালেদা রব্বানীর বাসায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী
সাবেক এমপি খালেদা রব্বানীর বাসায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী

৫৭ মিনিট আগে | জাতীয়

রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিলেন বের্নার্দো সিলভা
রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিলেন বের্নার্দো সিলভা

৫৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রে ৫৮০৭ প্রবাসীর কাছে এনআইডি পাঠাচ্ছে ইসি
যুক্তরাষ্ট্রে ৫৮০৭ প্রবাসীর কাছে এনআইডি পাঠাচ্ছে ইসি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিছু কাজ বাজেটের দোহাই দিয়ে পার পাওয়া যাবে না: আব্দুস সালাম
কিছু কাজ বাজেটের দোহাই দিয়ে পার পাওয়া যাবে না: আব্দুস সালাম

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফসলি জমির মাটি কাটার দায়ে লাখ টাকা জরিমানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফসলি জমির মাটি কাটার দায়ে লাখ টাকা জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে মেসির স্পষ্ট বার্তা
২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে মেসির স্পষ্ট বার্তা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আরও ৩ দেশে ফ্রিজ ও এসি রপ্তানি শুরু করলো ‘ভিশন’
আরও ৩ দেশে ফ্রিজ ও এসি রপ্তানি শুরু করলো ‘ভিশন’

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

হাবিপ্রবিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বিষয়ে সিম্পোজিয়াম
হাবিপ্রবিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বিষয়ে সিম্পোজিয়াম

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের
ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘মেক্সিকান ওয়াল’ ওচোয়ার অবসরের ঘোষণা
‘মেক্সিকান ওয়াল’ ওচোয়ার অবসরের ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির জন্য ইরানকে বিমানভর্তি অর্থ ঘুষ দিয়েছিলেন ওবামা, বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের
চুক্তির জন্য ইরানকে বিমানভর্তি অর্থ ঘুষ দিয়েছিলেন ওবামা, বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে টুম্পার নির্দেশনায় মামুনুর রশীদের নাটক ‘অমানুষ’
যুক্তরাষ্ট্রে টুম্পার নির্দেশনায় মামুনুর রশীদের নাটক ‘অমানুষ’

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

একইদিনে বিশ্বকাপের চার ম্যাচে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড
একইদিনে বিশ্বকাপের চার ম্যাচে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদে সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন চাইলেন জামায়াত এমপি
সংসদে সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন চাইলেন জামায়াত এমপি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্তুগালের সঙ্গে ভিসা মওকুফ চুক্তি সৌদির
পর্তুগালের সঙ্গে ভিসা মওকুফ চুক্তি সৌদির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তির শর্তাবলী কেন প্রকাশ করা হচ্ছে না, যা বললেন ভ্যান্স
ইরান চুক্তির শর্তাবলী কেন প্রকাশ করা হচ্ছে না, যা বললেন ভ্যান্স

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কঙ্গোর বিপক্ষে মাঠে নামলেই যে রেকর্ড গড়বেন রোনালদো
কঙ্গোর বিপক্ষে মাঠে নামলেই যে রেকর্ড গড়বেন রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মাননা পেল ইউসিবি
কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মাননা পেল ইউসিবি

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

সর্বাধিক পঠিত
‘ইরান চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখ্যান করল যুক্তরাষ্ট্র’
‘ইরান চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখ্যান করল যুক্তরাষ্ট্র’

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে রেকর্ডটা বাকি ছিল, সেটাও ছুঁয়ে ফেললেন মেসি
যে রেকর্ডটা বাকি ছিল, সেটাও ছুঁয়ে ফেললেন মেসি

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপ্পের মনটাই খারাপ করে দিলেন মেসি!
এমবাপ্পের মনটাই খারাপ করে দিলেন মেসি!

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেপালের বোর্ডিং পাসে ইতালি যাত্রা, বিমানের কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
নেপালের বোর্ডিং পাসে ইতালি যাত্রা, বিমানের কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হ্যাটট্রিকে ক্লোসাকে ছুঁলেন মেসি, উড়ছে আর্জেন্টিনা
হ্যাটট্রিকে ক্লোসাকে ছুঁলেন মেসি, উড়ছে আর্জেন্টিনা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘ইসরায়েল ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনও অস্তিত্ব নেই’— ট্রাম্পকে কটাক্ষ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের
‘ইসরায়েল ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনও অস্তিত্ব নেই’— ট্রাম্পকে কটাক্ষ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শৈলকুপায় বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন
শৈলকুপায় বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আনচেলত্তির কৌশল বদল, ব্রাজিল একাদশে বড় পরিবর্তন
আনচেলত্তির কৌশল বদল, ব্রাজিল একাদশে বড় পরিবর্তন

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেখে নিন মেসির হ্যাটট্রিক (ভিডিও)
দেখে নিন মেসির হ্যাটট্রিক (ভিডিও)

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিপক্ষ নয়, বিশ্বকাপে জার্মানির বড় আতঙ্ক এখন ‘বিষাক্ত সাপ’
প্রতিপক্ষ নয়, বিশ্বকাপে জার্মানির বড় আতঙ্ক এখন ‘বিষাক্ত সাপ’

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষকের মায়ের পাশে মার্কিন প্রশাসন
কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষকের মায়ের পাশে মার্কিন প্রশাসন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমরাই মেসিকে সুযোগ করে দিয়েছি: আলজেরিয়া কোচ
আমরাই মেসিকে সুযোগ করে দিয়েছি: আলজেরিয়া কোচ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোল, রেকর্ড, প্রতিশোধ সব একসঙ্গে: ম্যাচ জিতল ফ্রান্স
গোল, রেকর্ড, প্রতিশোধ সব একসঙ্গে: ম্যাচ জিতল ফ্রান্স

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রেকর্ড ভেঙে ফ্রান্সের চূড়ায়, এখনও ফুরোয়নি ‘প্রজেক্ট এমবাপ্পে’র ক্ষুধা
রেকর্ড ভেঙে ফ্রান্সের চূড়ায়, এখনও ফুরোয়নি ‘প্রজেক্ট এমবাপ্পে’র ক্ষুধা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি এই গ্রহের বাসিন্দা নন, মুগ্ধ  কিংবদন্তিরা ভাসাচ্ছেন প্রশংসায়
মেসি এই গ্রহের বাসিন্দা নন, মুগ্ধ  কিংবদন্তিরা ভাসাচ্ছেন প্রশংসায়

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যখন নগরপিতাই নগরখেকো
যখন নগরপিতাই নগরখেকো

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেসির গোলে বাংলাদেশের উৎসব পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমে
মেসির গোলে বাংলাদেশের উৎসব পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমে

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঝিনাইদহে অত্যাধুনিক কসাইখানার উদ্বোধন
ঝিনাইদহে অত্যাধুনিক কসাইখানার উদ্বোধন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত নয়, প্রয়োজনে আবারও ‘বোমা ফেলার’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
ইরানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত নয়, প্রয়োজনে আবারও ‘বোমা ফেলার’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিনি মানলেন মেসিই সর্বকালের সেরা
তিনি মানলেন মেসিই সর্বকালের সেরা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৩০০ বিলিয়ন ডলারের ফান্ড নয়, ইরানে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র
৩০০ বিলিয়ন ডলারের ফান্ড নয়, ইরানে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রেকর্ডের রাতে এমবাপে, মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস ফরাসি তারকার
রেকর্ডের রাতে এমবাপে, মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস ফরাসি তারকার

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাতে বিশ্বকাপ মিশন শুরু পর্তুগালের, নেতৃত্বে রোনালদো
রাতে বিশ্বকাপ মিশন শুরু পর্তুগালের, নেতৃত্বে রোনালদো

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লেবাননে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহুর ওপর চটলেন ট্রাম্প
লেবাননে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহুর ওপর চটলেন ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসি ৩-০ আলজেরিয়া; আর্জেন্টিনার দারুণ সূচনা
মেসি ৩-০ আলজেরিয়া; আর্জেন্টিনার দারুণ সূচনা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোল করে কেন কাঁদলেন, জানালেন মেসি
গোল করে কেন কাঁদলেন, জানালেন মেসি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক গোলেই দুই ইতিহাস, চার গোলে বিশ্বসেরা: রেকর্ড ভাঙার দৌড়ে এমবাপ্পে
এক গোলেই দুই ইতিহাস, চার গোলে বিশ্বসেরা: রেকর্ড ভাঙার দৌড়ে এমবাপ্পে

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২৩৭ কলেজ অধ্যক্ষকে শোকজ
২৩৭ কলেজ অধ্যক্ষকে শোকজ

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

দেশে প্রথমবার ‘মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল’ করতে যাচ্ছে সরকার : মন্ত্রিপরিষদ সচিব
দেশে প্রথমবার ‘মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল’ করতে যাচ্ছে সরকার : মন্ত্রিপরিষদ সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এমবাপ্পে ফ্রান্সের সর্বকালের সেরা গোলদাতা হয়ে ওঠার গল্প
এমবাপ্পে ফ্রান্সের সর্বকালের সেরা গোলদাতা হয়ে ওঠার গল্প

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সচল হচ্ছে অচল আট বিমানবন্দর
সচল হচ্ছে অচল আট বিমানবন্দর

পেছনের পৃষ্ঠা

পিলারের নিচের মাটি বিক্রি ঝুঁকিতে পদ্মা রেলসেতু
পিলারের নিচের মাটি বিক্রি ঝুঁকিতে পদ্মা রেলসেতু

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শিশুর লাশ উদ্ধার ঘিরে রণক্ষেত্র ফলিমারী
শিশুর লাশ উদ্ধার ঘিরে রণক্ষেত্র ফলিমারী

প্রথম পৃষ্ঠা

মুশফিকুলকে দেখতে হাসপাতালে সেনাপ্রধান
মুশফিকুলকে দেখতে হাসপাতালে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

নিয়ন্ত্রণে আসছে না আইনশৃঙ্খলা
নিয়ন্ত্রণে আসছে না আইনশৃঙ্খলা

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন কাঠামোয় কর বাড়ার শঙ্কা চাকরিজীবীদের
নতুন কাঠামোয় কর বাড়ার শঙ্কা চাকরিজীবীদের

পেছনের পৃষ্ঠা

অনলাইন জুয়ার ফাঁদে সিলেট
অনলাইন জুয়ার ফাঁদে সিলেট

নগর জীবন

ছিনতাইকারীর হামলায় আহত ওসি এসআই
ছিনতাইকারীর হামলায় আহত ওসি এসআই

প্রথম পৃষ্ঠা

পচা শামুকে পা কাটার ভয় রোনালদোদের!
পচা শামুকে পা কাটার ভয় রোনালদোদের!

প্রথম পৃষ্ঠা

গাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা প্রধান শিক্ষকের
গাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা প্রধান শিক্ষকের

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্রাজিল আর্জেন্টিনা ও ফুটবল রাজনীতি
ব্রাজিল আর্জেন্টিনা ও ফুটবল রাজনীতি

সম্পাদকীয়

আসছে দেড় লাখ কোটি টাকার ৩৮ প্রকল্প
আসছে দেড় লাখ কোটি টাকার ৩৮ প্রকল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রেমের টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চীনা যুবক
প্রেমের টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চীনা যুবক

পেছনের পৃষ্ঠা

বেনজীরকে ফেরত চেয়ে আমিরাতকে দুদকের চিঠি
বেনজীরকে ফেরত চেয়ে আমিরাতকে দুদকের চিঠি

প্রথম পৃষ্ঠা

রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে আরও ১০ জেলা
রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে আরও ১০ জেলা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রিকেটারদেরই সব কৃতিত্ব : তামিম
ক্রিকেটারদেরই সব কৃতিত্ব : তামিম

মাঠে ময়দানে

রাজশাহীর আমে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত
রাজশাহীর আমে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত

পেছনের পৃষ্ঠা

বড় বাজেটেও বঞ্চনায় রংপুর
বড় বাজেটেও বঞ্চনায় রংপুর

নগর জীবন

আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকত না
আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকত না

প্রথম পৃষ্ঠা

বিনিয়োগ বাড়াতে চার কৌশল
বিনিয়োগ বাড়াতে চার কৌশল

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিজিটাল চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের
ডিজিটাল চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের

প্রথম পৃষ্ঠা

পচন ধরেছে সামাজিক গ্রন্থিতে
পচন ধরেছে সামাজিক গ্রন্থিতে

সম্পাদকীয়

ঝুলে আছে রিজার্ভ চুরি মামলার চার্জশিট
ঝুলে আছে রিজার্ভ চুরি মামলার চার্জশিট

নগর জীবন

ডা. নাফিসার মৃত্যুতে স্বামী-শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা
ডা. নাফিসার মৃত্যুতে স্বামী-শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা

নগর জীবন

দিল্লিতে আমার সঙ্গে ব্যবহার যথাযথ হয়নি
দিল্লিতে আমার সঙ্গে ব্যবহার যথাযথ হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

মেঘনার ভাঙন রোধের দাবিতে পাউবো ঘেরাও সড়ক অবরোধ
মেঘনার ভাঙন রোধের দাবিতে পাউবো ঘেরাও সড়ক অবরোধ

দেশগ্রাম

৩১ বছর পর ফেরদৌস আরা
৩১ বছর পর ফেরদৌস আরা

শোবিজ

পবিত্র আশুরা ২৬ জুন
পবিত্র আশুরা ২৬ জুন

প্রথম পৃষ্ঠা