বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০০:৪৮, ১৪ জুন ২০২৬

ইসলামী ব্যাংক ইস্যু

চেয়ারম্যান অপসারণসহ ৭ দাবিতে নতুন কর্মসূচি দিল সচেতন গ্রাহক ফোরাম

চেয়ারম্যান অপসারণসহ ৭ দাবিতে নতুন কর্মসূচি দিল সচেতন গ্রাহক ফোরাম

 

চলমান ইসলামী ব্যাংক ইস্যুকে কেন্দ্র করে সচেতন গ্রাহক ফোরাম নতুন করে সাত দফা দাবি উত্থাপন করেছে। গতকাল শনিবার বিকাল ৪টার মধ্যে এসব দাবি বাস্তবায়নের উদ্যোগ না নেওয়া হলে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছিল সংগঠনটি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা দেন ফোরামের আহ্বায়ক মুখপাত্র অধ্যাপক নুর উন-নবী মানিক। অবৈধ চেয়ারম্যান অপসারণ, আমানতের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা, এস আলম তার সহযোগীদের বয়কট এবং গ্রাহকদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক নুর উন-নবী মানিক বলেন, ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ থেকে খোরশেদ আলমকে অপসারণ করে ব্যাংক খাতে দক্ষ, সৎ পেশাদার ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে হবে। তিনি দাবি করেন, ব্যাংকটির মালিকানা পরিচালনায় বিতর্কিত ব্যক্তিদের ¤‹ৃক্ততা বন্ধ করতে হবে এবং ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার যেকোনো উদ্যোগ প্রতিহত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সাত দফা দাবি বাস্তবায়িত না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ক্ষেত্রে উদ্ভূত পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে।

জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সংসদ দেশের সর্বোচ্চ আইনসভা হওয়ায় সেখানে উপস্থাপিত তথ্য জনগণ নির্ভরযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করে। কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান ¤‹র্কে তথ্যগত অসামঞ্জস্য কেবল ওই প্রতিষ্ঠানের সুনামই নয়, সামগ্রিকভাবে ব্যাংক খাতের প্রতি জনগণের আস্থাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা তথ্যগত সংশোধনের দাবি জানান তিনি। ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দাবিগুলোর বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ না নেওয়া হলে আজ রোববার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এছাড়া মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছেÑইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পরিবর্তন, আগের মালিকানা কাঠামো পুনর্বহালের উদ্যোগ, ব্যাংক খাতে অনিয়ম অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, ইসলামি ব্যাংকগুলোয় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা এবং ব্যাংক লুটেরাদের পুনর্বাসনের সুযোগ রয়েছে বলে দাবি করা আইনগত বিধান বাতিল এবং জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক-¤‹র্কিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার।