শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৪১, বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬ আপডেট: ১০:৫৬, বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

ব্যাংক খাতের মূলধন পর্যাপ্ততা এখন ঋণাত্মক

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ব্যাংক খাতের মূলধন পর্যাপ্ততা এখন ঋণাত্মক

দেশে ব্যাংক খাতে মূলধন ঘাটতি বর্তমানে উদ্বেগজনক পর্যায়ে অবস্থান করছে। ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতা মূল্যায়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলো মূলধন পর্যাপ্ততা। এটি নির্ধারণ করে একটি ব্যাংক সম্ভাব্য ঝুঁকি, বিশেষ করে খেলাপি ঋণের মতো আর্থিক চাপ মোকাবিলায় কতটা সক্ষম। মূলধন পর্যাপ্ততা অনুপাত (সিআরএআর) মূলত ব্যাংকের মূলধন ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের মধ্যকার অনুপাতকে নির্দেশ করে। আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং মানদণ্ড ব্যাসেল-৩ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর এই সূচক পর্যবেক্ষণ করে থাকে। নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোর সিআরএআর কমপক্ষে ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ থাকা প্রয়োজন, যাতে আমানতকারীদের অর্থ সুরক্ষিত থাকে এবং ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার ঝুঁকি থেকে রক্ষা পায়। তবে দেশে বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রয়োজনীয় প্রভিশন বা নিরাপত্তা সঞ্চিতি সংরক্ষণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে অনেক ব্যাংক। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের শেষে দেশের ব্যাংক খাতের গড় মূলধন পর্যাপ্ততা অনুপাত (সিআরএআর) নেমে এসেছে ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬৪ শতাংশে। অথচ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ব্যাসেল-৩ কাঠামো অনুসারে এই হার সর্বনিম্ন ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ থাকার কথা। সংশ্লিষ্টদের মতে, কার্যকর অর্থনীতির কোনো দেশের ব্যাংক খাতের গড় মূলধন পর্যাপ্ততা ঋণাত্মক অবস্থায় চলে যাওয়া আধুনিক বিশ্বে অত্যন্ত বিরল ঘটনা। তারা মনে করছেন, এটি দেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য গভীর উদ্বেগের ইঙ্গিত বহন করে।

যেখানে আগের চেয়েও শক্তিশালী হয়েছে প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলংকার ব্যাংকগুলো- সেখানে বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের মূলধন সক্ষমতা ঋণাত্মক ধারায় চলে গেছে। পাকিস্তানের ব্যাংক খাতে সিআরএআর এখন প্রায় ২১ শতাংশ। আর শ্রীলংকায় ১৯ শতাংশেরও বেশি। প্রতিবেশী ভারতের ব্যাংকগুলোর গড় সিআরএআর ১৭ দশমিক ২০ শতাংশ বলে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট ২০২৫-এ তুলে ধরা হয়েছে। যদিও মাত্র তিন বছর আগেও অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়াত্বের মুখে পড়েছিল শ্রীলংকা ও পাকিস্তান। ডলার সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক মন্দার মুখে পড়েছিল দেশ দুটি।

মূলধন পর্যাপ্ততা ঋণাত্মক ধারায় চলে যাওয়াকে কোনো ব্যাংকের দেউলিয়াত্বের নির্দেশক ধরা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় দুই ডজন ব্যাংক এখন মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে। এ ব্যাংকগুলোর সম্মিলিত মূলধন ঘাটতির পরিমাণ ২ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। তবে এ ঘাটতিও সঞ্চিতি সংরক্ষণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি ছাড়ের বদান্যতায় হয়েছে। এক্ষেত্রে নীতি ছাড় দেয়া না হলে দেশের ব্যাংক খাতের সিআরএআর ঘাটতি কয়েক গুণ বেড়ে যেত বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কোনো দেশের ব্যাংক খাতের সম্মিলিত সিআরএআর ঋণাত্মক ধারায় চলে যাওয়াকে বিরল ঘটনা বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংকও। এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘আধুনিক বিশ্বের আর কোনো দেশের ব্যাংক খাতের সিআরএআর ঋণাত্মক ধারায় থাকার কথা নয়। সে অর্থে বাংলাদেশের উদাহরণটি বিরল বলা যেতেই পারে। কোনো ব্যাংকের মূলধন ঘাটতির সূত্রপাত হয় প্রভিশন ঘাটতি থেকে। আর প্রভিশন ঘাটতি তীব্র আকার ধারণ করে খেলাপি ঋণ অস্বাভাবিক আকারে বেড়ে গেলে। দেশের ব্যাংক খাতে এখন যে খেলাপি ঋণ দেখা যাচ্ছে, সেটি কোনো ব্যাংকিংয়ের ফল নয়। বরং এটি ঋণের নামে ব্যাংক লুটের বহিঃপ্রকাশ।’

আরিফ হোসেন খান আরো বলেন, ‘২০০৯ সাল-পরবর্তী সময়ে দেশের কিছু ব্যাংকে ঋণের নামে যে জালিয়াতি হয়েছে, সেগুলোকে কোনো অর্থেই ব্যাংকিং বলা যায় না। এটিকে লুট বলা যেতে পারে। এ ঋণ যারা নিয়েছে, তারা ঋণগ্রহীতা নয়, বরং লুটেরা। লুট হয়ে যাওয়া ব্যাংকগুলোর আমানতকারীদের জন্য আমরা টাকা ছাপিয়ে ধার দিতে বাধ্য হচ্ছি। কিন্তু এভাবে তো দীর্ঘদিন চলা যাবে না। এভাবে চলতে থাকলে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতিও জিম্বাবুয়ে কিংবা আর্জেন্টিনার পর্যায়ে পৌঁছতে পারে।’

দেশের আর্থিক খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতি, ঝুঁকি ও স্থিতিশীলতা মূল্যায়ন করে প্রতি বছর ‘ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট’ প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ প্রতিবেদনের সর্বশেষ সংস্করণে দেখা যায়, ২০২৩ সাল শেষেও বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে মূলধন পর্যাপ্ততা অনুপাত বা সিআরএআর ছিল ১১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। কিন্তু ২০২৪ সাল শেষে এ হার এক ধাক্কায় ৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশে নেমে যায়। আর গত বছর (২০২৫ সাল) শেষে সিআরএআর ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬৪ শতাংশে নেমে আসে।

বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে মূলধন সক্ষমতা যখন ঋণাত্মক ধারায় চলে গেছে, ঠিক তখন প্রতিবেশী দেশগুলোর ব্যাংক খাত শক্তিশালী হয়েছে। ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্টের তথ্য বলছে, ২০২৩ সালে ভারতের ব্যাংক খাতে সিআরএআর ছিল ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। গত বছর দেশটিতে এ হার ১৭ দশমিক ২০ শতাংশে উন্নীত হয়। আর দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এখন পাকিস্তানের ব্যাংক খাতের মূলধন কাঠামো সবচেয়ে শক্তিশালী। গত কয়েক বছরের আর্থিক বিপর্যয় সত্ত্বেও ২০২৩ সালে পাকিস্তানের ব্যাংক খাতে সিআরএআর ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ ছিল। গত দুই বছরে এটি আরো বেড়ে ২০২৫ সালে দেশটির ব্যাংকগুলোর গড় সিআরএআর ২০ দশমিক ৮০ শতাংশে উন্নীত হয়।

মূলধন কাঠামোর দিক থেকে শক্তিশালী অবস্থানে আছে শ্রীলংকার ব্যাংক খাতও। গত বছর দ্বীপরাষ্ট্রটির ব্যাংক খাতে সিআরএআর ছিল ১৯ দশমিক ৪০ শতাংশ। এর আগে ২০২৩ সালেও শ্রীলংকার ব্যাংকগুলোর মূলধন পর্যাপ্ততার অনুপাত ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ ছিল। যদিও ২০২০ সালের কভিড মহামারী-পরবর্তী সময়ে শ্রীলংকার অর্থনীতিই দেউলিয়াত্বের মুখে পড়েছিল। এর জেরে দেশটির রাজাপাকসে সরকারের পতনও ঘটেছিল। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে শ্রীলংকার মূল্যস্ফীতি ঠেকেছিল রেকর্ড ৬৯ শতাংশে।

ব্যাংক নির্বাহীসহ এ খাতের নীতিনির্ধাকরা বলছেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের টানা দেড় দশকের শাসনামলে দেশের খেলাপি ঋণ লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। অলিগার্ক ও মাফিয়া শ্রেণীর চেয়ারম্যান-পরিচালকদের ব্যাংকে যথাযথ নিরীক্ষা হতো না। অনেক ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরদারির অভাব ছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ব্যাংকগুলোর লুকানো খেলাপি ঋণ উন্মোচিত হয়েছে। ফলে খেলাপি ঋণ অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ার প্রভাবেই ব্যাংক খাতের সিআরএআর অল্প সময়ে ঋণাত্মক ধারায় চলে গেছে।

বিপর্যয় সত্ত্বেও দেশের বেশকিছু ব্যাংকের মূলধন সক্ষমতা শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে বলে জানান অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন। সিটি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে থাকা এ শীর্ষ নির্বাহী বলেন, ‘দেশে বেসরকারি খাতে এমন কিছু বড় ব্যাংকও রয়েছে, যাদের সিআরএআর ১৭-২০ শতাংশ। এ তালিকায় আমাদের সিটি ব্যাংকও রয়েছে। করপোরেট সুশাসন মেনে চলা ব্যাংকগুলো মূলধন কাঠামো শক্তিশালী করায় জোর দিয়েছে। সমস্যা হলো অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়ানো ব্যাংকগুলোর সিআরএআর এতটাই খারাপ অবস্থায় যে পুরো খাতকে ঋণাত্মক ধারায় নিয়ে গেছে। এ কারণে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আর দেশের সামগ্রিক রেটিংও খারাপ দেখাচ্ছে।’

ব্যাংক খাতে সিআরএআর ঋণাত্মক ধারায় চলে যাওয়ার মূলে রয়েছে ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ। ২০২৪ সালের জুনেও দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ১১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। এটি ছিল মোট বিতরণকৃত ঋণের ১২ দশমিক ৫৬ শতাংশ। এরপর ধারাবাহিকভাবে বেড়ে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকায় ঠেকে। ওই সময় ব্যাংক খাতে বিতরণকৃত ঋণের ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশই খেলাপির খাতায় ওঠে। গত বছরের শেষ তিন মাসে বিশেষ ছাড় দিয়ে পুনঃতফসিল করে খেলাপি ঋণ কিছুটা কমানো হয়। তবে এর পরও চলতি বছরের মার্চ শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা, যা বিতরণকৃত ঋণের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ।

বাংলাদেশে ব্যাংকগুলোর বিতরণকৃত ঋণের এক-তৃতীয়াংশ খেলাপি হলেও প্রতিবেশী ভারতে এ হার এখন মাত্র ২ দশমিক ২ শতাংশ। আর পাকিস্তানে খেলাপি ঋণের হার ৫ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে এসেছে। তিন বছর আগে দেউলিয়া হয়ে পড়া শ্রীলংকায়ও খেলাপি ঋণের হার এক অংকের ঘরে সীমাবদ্ধ।

দেশের ব্যাংকগুলোর মূলধন পর্যাপ্ততা কতটা নাজুক পরিস্থিতিতে পড়েছে, সেটি রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদনে ফুটে উঠেছে। গত বছর শেষে সরকারের মালিকানাধীন এ ব্যাংকের প্রকৃত মূলধন ঘাটতির পরিমাণ ৬৪ হাজার ৪০৬ কোটি টাকায় ঠেকেছে, যা পদ্মা সেতু নির্মাণ ব্যয়েরও প্রায় দ্বিগুণ। আর সঞ্চিতি সংরক্ষণে নীতি ছাড় দেয়া না হলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির মূলধন ঘাটতি ছাড়াবে ৭০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। একইভাবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে একীভূত হতে যাওয়া শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংকের মূলধন ঘাটতিও দেড় লাখ কোটি টাকার বেশি হবে।

ব্যাংক খাতের বিদ্যমান মূলধন ঘাটতি ও সিআরএআর ঋণাত্মক ধারায় চলে যাওয়াকে ‘ভয়ংকর’ বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অর্থ সচিব ও সোনালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি খুবই খারাপ। আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার এ যুগে কোনো দেশে সিআরএআর ঋণাত্মক ধারায় চলে যাওয়ার ঘটনাটি অস্বাভাবিক ও অকল্পনীয়। এ পরিস্থিতি নিয়ে কোনো মন্তব্য করাও অর্থহীন। সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টি যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে দেখুক, এ আহ্বান থাকল।’

প্রসঙ্গত, আর্থিক দুর্যোগ কিংবা পতনোন্মুখ ব্যাংকের আপৎকালীন ক্ষতি সামাল দেয়ার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাসেল-৩-এর নীতি প্রবর্তন করা হয়। এ নীতির উদ্দেশ্য ছিল, বিপর্যয়ের সময়েও ব্যাংক যাতে নিজের মূলধনে চলতে পারে সেটি নিশ্চিত করা। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে বহু আগেই এ নীতি চর্চিত হয়ে আসছে। আর বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে ২০১৫ সালে চালু হওয়া এ ব্যাসেল বাস্তবায়নের সীমা ধরা হয়েছিল ২০১৯ সাল পর্যন্ত। এ নীতি অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে সাড়ে ১২ শতাংশ হারে মূলধন সংরক্ষণ করার কথা। কিন্তু বাংলাদেশে এ মূলধন পর্যাপ্ততার হার এখন ঋণাত্মক ধারায়।

সূত্র : বণিক বার্তা।

এই বিভাগের আরও খবর
রাজস্ব বাড়াতে আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমসে তিন টাস্কফোর্স গঠন
রাজস্ব বাড়াতে আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমসে তিন টাস্কফোর্স গঠন
১৬ দিনে প্রবাসী আয় এলাে ১৭২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার
১৬ দিনে প্রবাসী আয় এলাে ১৭২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার
জুনের ১৬ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠালেন ১৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার
জুনের ১৬ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠালেন ১৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার
পুঁজিবাজারে লেনদেন বেড়েছে
পুঁজিবাজারে লেনদেন বেড়েছে
স্পট মার্কেট থেকে ১৪০৯ কোটিতে দুই কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত
স্পট মার্কেট থেকে ১৪০৯ কোটিতে দুই কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত
ইউরোপে পোশাক রপ্তানির আয় তিন মাসে কমেছে ২০ শতাংশ
ইউরোপে পোশাক রপ্তানির আয় তিন মাসে কমেছে ২০ শতাংশ
রাজস্ব আদায়ে জটিলতা, ঝুঁকির মুখে নতুন বাজেট: ফিচ রেটিংস
রাজস্ব আদায়ে জটিলতা, ঝুঁকির মুখে নতুন বাজেট: ফিচ রেটিংস
আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম
রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৮.৬১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি
চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৮.৬১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি
জুনের ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৬২ কোটি ডলার
জুনের ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৬২ কোটি ডলার
সূচকের সঙ্গে কমেছে পুঁজিবাজারে লেনদেন
সূচকের সঙ্গে কমেছে পুঁজিবাজারে লেনদেন
সর্বশেষ খবর
যুক্তরাষ্ট্রে ৫৮০৭ প্রবাসীর কাছে এনআইডি পাঠাচ্ছে ইসি
যুক্তরাষ্ট্রে ৫৮০৭ প্রবাসীর কাছে এনআইডি পাঠাচ্ছে ইসি

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

কিছু কাজ বাজেটের দোহাই দিয়ে পার পাওয়া যাবে না: আব্দুস সালাম
কিছু কাজ বাজেটের দোহাই দিয়ে পার পাওয়া যাবে না: আব্দুস সালাম

১ মিনিট আগে | নগর জীবন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফসলি জমির মাটি কাটার দায়ে লাখ টাকা জরিমানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফসলি জমির মাটি কাটার দায়ে লাখ টাকা জরিমানা

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে মেসির স্পষ্ট বার্তা
২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে মেসির স্পষ্ট বার্তা

৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আরও ৩ দেশে ফ্রিজ ও এসি রপ্তানি শুরু করলো ‘ভিশন’
আরও ৩ দেশে ফ্রিজ ও এসি রপ্তানি শুরু করলো ‘ভিশন’

১৫ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

হাবিপ্রবিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বিষয়ে সিম্পোজিয়াম
হাবিপ্রবিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বিষয়ে সিম্পোজিয়াম

১৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের
ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘মেক্সিকান ওয়াল’ ওচোয়ার অবসরের ঘোষণা
‘মেক্সিকান ওয়াল’ ওচোয়ার অবসরের ঘোষণা

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির জন্য ইরানকে বিমানভর্তি অর্থ ঘুষ দিয়েছিলেন ওবামা, বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের
চুক্তির জন্য ইরানকে বিমানভর্তি অর্থ ঘুষ দিয়েছিলেন ওবামা, বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে টুম্পার নির্দেশনায় মামুনুর রশীদের নাটক ‘অমানুষ’
যুক্তরাষ্ট্রে টুম্পার নির্দেশনায় মামুনুর রশীদের নাটক ‘অমানুষ’

২২ মিনিট আগে | শোবিজ

একইদিনে বিশ্বকাপের চার ম্যাচে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড
একইদিনে বিশ্বকাপের চার ম্যাচে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

২৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদে সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন চাইলেন জামায়াত এমপি
সংসদে সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন চাইলেন জামায়াত এমপি

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

পর্তুগালের সঙ্গে ভিসা মওকুফ চুক্তি সৌদির
পর্তুগালের সঙ্গে ভিসা মওকুফ চুক্তি সৌদির

৩০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তির শর্তাবলী কেন প্রকাশ করা হচ্ছে না, যা বললেন ভ্যান্স
ইরান চুক্তির শর্তাবলী কেন প্রকাশ করা হচ্ছে না, যা বললেন ভ্যান্স

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কঙ্গোর বিপক্ষে মাঠে নামলেই যে রেকর্ড গড়বেন রোনালদো
কঙ্গোর বিপক্ষে মাঠে নামলেই যে রেকর্ড গড়বেন রোনালদো

৩৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মাননা পেল ইউসিবি
কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মাননা পেল ইউসিবি

৩৮ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার : মীর হেলাল
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার : মীর হেলাল

৪৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

কানাডায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত
কানাডায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত

৪৬ মিনিট আগে | পরবাস

অনলাইনে বিক্রির জন্য বাড়িতে রাখা ১৬ পাখি উদ্ধার, গ্রেফতার দুই
অনলাইনে বিক্রির জন্য বাড়িতে রাখা ১৬ পাখি উদ্ধার, গ্রেফতার দুই

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

সুস্থ ভূমি ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়: পরিবেশমন্ত্রী
সুস্থ ভূমি ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়: পরিবেশমন্ত্রী

৪৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রাজস্ব বাড়াতে আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমসে তিন টাস্কফোর্স গঠন
রাজস্ব বাড়াতে আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমসে তিন টাস্কফোর্স গঠন

৫৬ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ছেলের বউ ও প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, দুই অভিযুক্ত কারাগারে
ছেলের বউ ও প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, দুই অভিযুক্ত কারাগারে

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শিশু নিসার প্রতি পাশবিকতা গোটা সমাজকে লজ্জিত করেছে: প্রিন্স
শিশু নিসার প্রতি পাশবিকতা গোটা সমাজকে লজ্জিত করেছে: প্রিন্স

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমান্তে পুশ ইন তৎপরতায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে: সাইফুল হক
সীমান্তে পুশ ইন তৎপরতায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে: সাইফুল হক

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘ফ্যামিলি কার্ড অস্বচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে’
‘ফ্যামিলি কার্ড অস্বচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে’

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রামগড়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ
রামগড়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইবোলা-কোয়ারেন্টাইন পেরিয়ে কঙ্গোর রূপকথার সূচনা আজ
ইবোলা-কোয়ারেন্টাইন পেরিয়ে কঙ্গোর রূপকথার সূচনা আজ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৬ দিনে প্রবাসী আয় এলাে ১৭২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার
১৬ দিনে প্রবাসী আয় এলাে ১৭২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সর্বাধিক পঠিত
‘ইরান চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখ্যান করল যুক্তরাষ্ট্র’
‘ইরান চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখ্যান করল যুক্তরাষ্ট্র’

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্বই থাকত না: ট্রাম্প
আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্বই থাকত না: ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে রেকর্ডটা বাকি ছিল, সেটাও ছুঁয়ে ফেললেন মেসি
যে রেকর্ডটা বাকি ছিল, সেটাও ছুঁয়ে ফেললেন মেসি

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপ্পের মনটাই খারাপ করে দিলেন মেসি!
এমবাপ্পের মনটাই খারাপ করে দিলেন মেসি!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেপালের বোর্ডিং পাসে ইতালি যাত্রা, বিমানের কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
নেপালের বোর্ডিং পাসে ইতালি যাত্রা, বিমানের কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হ্যাটট্রিকে ক্লোসাকে ছুঁলেন মেসি, উড়ছে আর্জেন্টিনা
হ্যাটট্রিকে ক্লোসাকে ছুঁলেন মেসি, উড়ছে আর্জেন্টিনা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘ইসরায়েল ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনও অস্তিত্ব নেই’— ট্রাম্পকে কটাক্ষ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের
‘ইসরায়েল ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনও অস্তিত্ব নেই’— ট্রাম্পকে কটাক্ষ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শৈলকুপায় বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন
শৈলকুপায় বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ভারতের মাটিতে সফল পরীক্ষা টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের!
এবার ভারতের মাটিতে সফল পরীক্ষা টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের!

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনচেলত্তির কৌশল বদল, ব্রাজিল একাদশে বড় পরিবর্তন
আনচেলত্তির কৌশল বদল, ব্রাজিল একাদশে বড় পরিবর্তন

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেখে নিন মেসির হ্যাটট্রিক (ভিডিও)
দেখে নিন মেসির হ্যাটট্রিক (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিপক্ষ নয়, বিশ্বকাপে জার্মানির বড় আতঙ্ক এখন ‘বিষাক্ত সাপ’
প্রতিপক্ষ নয়, বিশ্বকাপে জার্মানির বড় আতঙ্ক এখন ‘বিষাক্ত সাপ’

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষকের মায়ের পাশে মার্কিন প্রশাসন
কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষকের মায়ের পাশে মার্কিন প্রশাসন

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমরাই মেসিকে সুযোগ করে দিয়েছি: আলজেরিয়া কোচ
আমরাই মেসিকে সুযোগ করে দিয়েছি: আলজেরিয়া কোচ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোল, রেকর্ড, প্রতিশোধ সব একসঙ্গে: ম্যাচ জিতল ফ্রান্স
গোল, রেকর্ড, প্রতিশোধ সব একসঙ্গে: ম্যাচ জিতল ফ্রান্স

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রেকর্ড ভেঙে ফ্রান্সের চূড়ায়, এখনও ফুরোয়নি ‘প্রজেক্ট এমবাপ্পে’র ক্ষুধা
রেকর্ড ভেঙে ফ্রান্সের চূড়ায়, এখনও ফুরোয়নি ‘প্রজেক্ট এমবাপ্পে’র ক্ষুধা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি এই গ্রহের বাসিন্দা নন, মুগ্ধ  কিংবদন্তিরা ভাসাচ্ছেন প্রশংসায়
মেসি এই গ্রহের বাসিন্দা নন, মুগ্ধ  কিংবদন্তিরা ভাসাচ্ছেন প্রশংসায়

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসির গোলে বাংলাদেশের উৎসব পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমে
মেসির গোলে বাংলাদেশের উৎসব পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমে

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যখন নগরপিতাই নগরখেকো
যখন নগরপিতাই নগরখেকো

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঝুপড়ি ঘরে এসি-সিসি ক্যামেরা লাগানো সেই মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন
ঝুপড়ি ঘরে এসি-সিসি ক্যামেরা লাগানো সেই মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত নয়, প্রয়োজনে আবারও ‘বোমা ফেলার’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
ইরানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত নয়, প্রয়োজনে আবারও ‘বোমা ফেলার’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিনি মানলেন মেসিই সর্বকালের সেরা
তিনি মানলেন মেসিই সর্বকালের সেরা

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৩০০ বিলিয়ন ডলারের ফান্ড নয়, ইরানে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র
৩০০ বিলিয়ন ডলারের ফান্ড নয়, ইরানে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এক ম্যাচ খেলেই যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার মেয়াদ শেষ ইরানি ফুটবলারের
এক ম্যাচ খেলেই যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার মেয়াদ শেষ ইরানি ফুটবলারের

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রেকর্ডের রাতে এমবাপে, মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস ফরাসি তারকার
রেকর্ডের রাতে এমবাপে, মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস ফরাসি তারকার

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঝিনাইদহে অত্যাধুনিক কসাইখানার উদ্বোধন
ঝিনাইদহে অত্যাধুনিক কসাইখানার উদ্বোধন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

রাতে বিশ্বকাপ মিশন শুরু পর্তুগালের, নেতৃত্বে রোনালদো
রাতে বিশ্বকাপ মিশন শুরু পর্তুগালের, নেতৃত্বে রোনালদো

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লেবাননে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহুর ওপর চটলেন ট্রাম্প
লেবাননে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহুর ওপর চটলেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসি ৩-০ আলজেরিয়া; আর্জেন্টিনার দারুণ সূচনা
মেসি ৩-০ আলজেরিয়া; আর্জেন্টিনার দারুণ সূচনা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সচল হচ্ছে অচল আট বিমানবন্দর
সচল হচ্ছে অচল আট বিমানবন্দর

পেছনের পৃষ্ঠা

পিলারের নিচের মাটি বিক্রি ঝুঁকিতে পদ্মা রেলসেতু
পিলারের নিচের মাটি বিক্রি ঝুঁকিতে পদ্মা রেলসেতু

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শিশুর লাশ উদ্ধার ঘিরে রণক্ষেত্র ফলিমারী
শিশুর লাশ উদ্ধার ঘিরে রণক্ষেত্র ফলিমারী

প্রথম পৃষ্ঠা

মুশফিকুলকে দেখতে হাসপাতালে সেনাপ্রধান
মুশফিকুলকে দেখতে হাসপাতালে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

নিয়ন্ত্রণে আসছে না আইনশৃঙ্খলা
নিয়ন্ত্রণে আসছে না আইনশৃঙ্খলা

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন কাঠামোয় কর বাড়ার শঙ্কা চাকরিজীবীদের
নতুন কাঠামোয় কর বাড়ার শঙ্কা চাকরিজীবীদের

পেছনের পৃষ্ঠা

অনলাইন জুয়ার ফাঁদে সিলেট
অনলাইন জুয়ার ফাঁদে সিলেট

নগর জীবন

ছিনতাইকারীর হামলায় আহত ওসি এসআই
ছিনতাইকারীর হামলায় আহত ওসি এসআই

প্রথম পৃষ্ঠা

পচা শামুকে পা কাটার ভয় রোনালদোদের!
পচা শামুকে পা কাটার ভয় রোনালদোদের!

প্রথম পৃষ্ঠা

গাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা প্রধান শিক্ষকের
গাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা প্রধান শিক্ষকের

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্রাজিল আর্জেন্টিনা ও ফুটবল রাজনীতি
ব্রাজিল আর্জেন্টিনা ও ফুটবল রাজনীতি

সম্পাদকীয়

আসছে দেড় লাখ কোটি টাকার ৩৮ প্রকল্প
আসছে দেড় লাখ কোটি টাকার ৩৮ প্রকল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রেমের টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চীনা যুবক
প্রেমের টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চীনা যুবক

পেছনের পৃষ্ঠা

বেনজীরকে ফেরত চেয়ে আমিরাতকে দুদকের চিঠি
বেনজীরকে ফেরত চেয়ে আমিরাতকে দুদকের চিঠি

প্রথম পৃষ্ঠা

রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে আরও ১০ জেলা
রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে আরও ১০ জেলা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রিকেটারদেরই সব কৃতিত্ব : তামিম
ক্রিকেটারদেরই সব কৃতিত্ব : তামিম

মাঠে ময়দানে

রাজশাহীর আমে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত
রাজশাহীর আমে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত

পেছনের পৃষ্ঠা

বড় বাজেটেও বঞ্চনায় রংপুর
বড় বাজেটেও বঞ্চনায় রংপুর

নগর জীবন

আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকত না
আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকত না

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের
ডিজিটাল চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিনিয়োগ বাড়াতে চার কৌশল
বিনিয়োগ বাড়াতে চার কৌশল

পেছনের পৃষ্ঠা

পচন ধরেছে সামাজিক গ্রন্থিতে
পচন ধরেছে সামাজিক গ্রন্থিতে

সম্পাদকীয়

ডা. নাফিসার মৃত্যুতে স্বামী-শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা
ডা. নাফিসার মৃত্যুতে স্বামী-শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা

নগর জীবন

ঝুলে আছে রিজার্ভ চুরি মামলার চার্জশিট
ঝুলে আছে রিজার্ভ চুরি মামলার চার্জশিট

নগর জীবন

দিল্লিতে আমার সঙ্গে ব্যবহার যথাযথ হয়নি
দিল্লিতে আমার সঙ্গে ব্যবহার যথাযথ হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

মেঘনার ভাঙন রোধের দাবিতে পাউবো ঘেরাও সড়ক অবরোধ
মেঘনার ভাঙন রোধের দাবিতে পাউবো ঘেরাও সড়ক অবরোধ

দেশগ্রাম

৩১ বছর পর ফেরদৌস আরা
৩১ বছর পর ফেরদৌস আরা

শোবিজ

পবিত্র আশুরা ২৬ জুন
পবিত্র আশুরা ২৬ জুন

প্রথম পৃষ্ঠা