দেশজুড়ে আলোচিত জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর পুশইনের শিকার হিসেবে উদ্ধার হওয়া রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বৃদ্ধ ষষ্টি চন্দ্র বর্মণ (৬৫) এবার সরকারি উদ্যোগে পাচ্ছেন মাথা গোঁজার ঠাঁই। আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা ব্যয়ে দুই কক্ষবিশিষ্ট একটি পাকা ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি তিনি যে খাসজমিতে বসবাস করছেন, সেটিও তার নামে বন্দোবস্ত করে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোদাগাড়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোমিনুল হক।
জানা গেছে, গত ১০ জুন জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর সীমান্তের শূন্যরেখায় বিএসএফ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের মধ্যে ঠেলাঠেলির ঘটনায় আলোচনায় আসেন ষষ্টি চন্দ্র বর্মণ। প্রায় ২৪ ঘণ্টা শূন্যরেখায় আটকে থাকার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ দেখে তার পরিবার তাকে শনাক্ত করে। পরে তিনি পরিবারের কাছে ফিরে আসেন।
পরিবারের কাছে ফেরার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার মানসিক ভারসাম্যহীনতা, চরম দারিদ্র্য এবং মানবেতর জীবনযাপনের চিত্র উঠে আসে। একই সঙ্গে তার পরিবারের আর্থিক দুরবস্থার বিষয়টি তুলে ধরে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেন।