শিরোনাম
প্রকাশ: ০১:৪৭, শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬ আপডেট: ০১:৫৩, শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬

শহীদ জিয়া: অগ্রসরমান বাংলাদেশের রূপকার

অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান
অনলাইন ভার্সন
শহীদ জিয়া: অগ্রসরমান বাংলাদেশের রূপকার

একাত্তর-পরবর্তী সময়ে লুটপাটের শাসন ব্যবস্থা থেকে যিনি বাংলাদেশকে উন্নয়নের ধারায় নিয়ে এসেছিলেন তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। একজন সাধারণ সৈনিক থেকে দেশপ্রেমের দীক্ষা পেয়েছিলেন তিনি। সেই দীক্ষাই তাকে দেশ ও জাতি গঠনের কাজে বাধিত করে। তিনি হয়ে ওঠেন অগ্রসরমান বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা। উন্নয়ন, উৎপাদন আর উন্নত জাতিসত্তা বিনির্মাণের প্রাণপুরুষ। তাইতো যতদিন এই ভূখণ্ড রবে ততদিন এই জাতির মনের মণিকোঠায় রয়ে যাবেন বাংলার রাখাল রাজা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়া জেলার বাগবাড়ী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে জিয়াউর রহমান দ্বিতীয়। ১৯৫২ সালে তিনি করাচি একাডেমি স্কুল থেকে কৃতিত্বের সাথে মাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৫৩ সালে তিনি করাচিতে ডি. জে কলেজে ভর্তি হন। একই বছর তিনি কাকুল মিলিটারি একাডেমিতে ক্যাডেট হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৯৫৫ সালে সামরিক বাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। করাচিতে দু’বছর চাকরি করার পর ১৯৫৭ সালে তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে বদলি হয়ে পূর্ব পাকিস্তানে আসেন। এছাড়াও তিনি ১৯৫৯ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগে কাজ করেন। ১৯৬৫ সালে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধে খেমকারান সেক্টরে অসীম সাহসিকতার জন্য বীরত্বসূচক পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৬৬ সালে তিনি পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে ইনস্ট্রাক্টর পদে নিয়োগ লাভ করেন। একই বছর তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের কোয়েটার স্টাফ কলেজে কমান্ড কোর্সে যোগ দেন। ১৯৬৯ সালে তিনি মেজর পদে পদোন্নতি পেয়ে পূর্ব পাকিস্তানের জয়দেবপুরে সেকেন্ড ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গভীর রাতে পূর্ব পাকিস্তানের ঘুমন্ত, নিরীহ ও নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর বর্বর হামলা চালিয়ে হত্যা ও মানুষের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে এক ভীতিকর পরিস্থিতি শুরু করলে জিয়া দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। স্ত্রী-সন্তানদের জীবন বিপন্ন হতে পারে জানা সত্ত্বেও জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধকে বেগবান করার জন্য নিজ নামে জেড ফোর্স গঠন করেন। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধে ১নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর দেশ পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়। লাল-সবুজের পতাকায় শোভিত স্বাধীন দেশে তিনি পুনরায় সেনাবাহিনীতে ফিরে যান। ১৯৭২ সালে সেনাবাহিনীর ডেপুটি চিফ হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। ১৯৭৩ সালের শেষের দিকে তিনি মেজর জেনারেল পদে উন্নীত হন। স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য শেখ মুজিবের সরকার জিয়াউর রহমানকে ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার পট পরিবর্তন ঘটে। ক্যু ও পাল্টা ক্যু’র মাধ্যমে দেশ যখন চরম রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও সংকটে নিপতিত তখন জিয়াউর রহমান আবার দেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার দৃশ্যপটে আবির্ভূত হন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার বিপ্লব ও সংহতির মধ্য দিয়ে তিনি গৃহবন্দিত্ব থেকে মুক্ত হয়ে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। সেনাবাহিনীর মধ্যে প্রশ্নাতীত জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা তাকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার পাদপীঠে আসীন করে।

জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালের ২৩ জুন একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানীকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। এরপরের ইতিহাস বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর ইতিহাস। তিনি প্রথমেই মুজিবের বাকশাল থেকে জাতিকে মুক্তি দেন। সংবিধানের ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে বাকশাল প্রথা বাতিল করে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করলে জনগণ স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে শুরু করে। গণমাধ্যমের ওপর থেকে সকল কালাকানুন প্রত্যাহার করেন। ১৯৭৬ সালের জানুয়ারিতে দেশে প্রথমবারের মতো প্রেসিডেন্ট পুরস্কার চালু, অনুদান তহবিল গঠন, ফিল্ম ইনস্টিটিউট স্থাপন এবং চলচ্চিত্রে প্রেসিডেন্ট পুরস্কারের সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ বছরই তিনি জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদ এবং এর সাথে স্বাস্থ্য ও জনকল্যাণ বিভাগ যুক্ত করেন।

পরে বায়ান্নের ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৭৬ সালে তিনি প্রবর্তন করেন একুশে পদক। এছাড়া গুণী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে তাদের কাজের স্বীকৃতি ও সম্মান জানাতে ১৯৭৭ সালে তিনি দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার ‘স্বাধীনতা পদক’ প্রবর্তন করেন। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে পুরোনো হাইকোর্ট ভবনের পশ্চিম পাশে তিনি শিশু একাডেমির নতুন ভবন উদ্বোধন করেন। ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন কলেরা হাসপাতাল। পাশাপাশি ১৯৮১ সালে ঢাকার মহাখালীতে নার্সিং কলেজ এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। তারই পৃষ্ঠপোষকতায় নিপসম, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান ও ইপিআই প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি ৫০ শয্যার ক্যান্সার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান, পিজি হাসপাতালের সি-ব্লক, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটসহ চিকিৎসকদের জাতীয় প্রতিষ্ঠান বিএমএ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। বাংলাদেশি জাতির মননের প্রতীক বাংলা একাডেমির উন্নয়নে বাংলা একাডেমি অর্ডিন্যান্স ১৯৭৮ জারি করেন।

জিয়াউর রহমান জানতেন বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড়াতে হলে আগে কৃষিকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে। তাই তিনি দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে খাল খনন কর্মসূচির প্রবর্তন করেন। ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর যশোরের উলশী-যদুনাথপুর খাল খননের মাধ্যমে খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর ১৯৭৭ সালের ২২ মে জিয়াউর রহমান আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বাংলাদেশের ম্যাগনাকার্টা বা মুক্তির সনদ ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

এছাড়া তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তন করেন। তার আগ্রহেই ১৯৮১ সালের মার্চ-এপ্রিলে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৭৮ সালে ৪টি বিভাগীয় শহরে ইসলামী সংস্কৃতি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। শিশুদের বিনোদনের জন্য ১৯৭৯ সালে রাজধানীর শাহবাগে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন জাতীয় শিশু পার্ক। শিশুর স্বাস্থ্য, চিকিৎসা ও পরিচর্যার জন্য শ্যামলীতে একটি শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৬ সালে শিশুদের সাংস্কৃতিক বিকাশ ত্বরান্বিত করতে পুনরায় বিটিভিতে ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতা চালু করেন।

১৯৮০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি জাতীয়ভাবে নিরক্ষরতা দূরীকরণ কর্মসূচি গ্রহণ করেন। দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য ও পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সার্ক প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা পালন করেন তিনি। দেশে সকল ধর্মের মানুষের স্বীয় ধর্ম পালনের সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গঠন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। পল্লী চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন এবং প্রথম বছরেই ২৭ হাজার লোককে পল্লী চিকিৎসক হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮১ সালের ১৯ জানুয়ারি দেশের মেধাবী শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বরেণ্য ব্যক্তিদের একটি বহর নিয়ে তার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম থেকে গভীর সমুদ্রের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে হিজবুল বাহার। এরই ধারাবাহিকতায় দেশে সমুদ্র অর্থনীতি বা ব্লু ইকোনমি ধারণা সৃষ্টি হয়। তিনি বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেন। বিদ্যুতের আলো সারাদেশে পৌঁছে দিতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। তিনি জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য তিনি পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেন। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করেন।

এছাড়া তিনি ইরান-ইরাক যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতা করে কেবল নিজে নয়, বাংলাদেশকেও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিতি করান। পাশাপাশি আঞ্চলিক যোগাযোগ কূটনীতিতে তার উদ্যোগে গড়া সার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রেসিডেন্ট জিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যপদ লাভ করে। এমন অসংখ্য উদ্যোগ নিয়ে তিনি একটি নবীন দেশকে উন্নয়নের মূল স্রোতে তুলে দেন।

১৯৮১ সালের ৩০ মে রাত। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিপথগামী সৈনিকের বুলেটের আঘাতে শহীদ হন আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। পৃথিবীর ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রনায়কদের মধ্যে জিয়াউর রহমান ছিলেন ব্যতিক্রমী ব্যক্তি। যিনি এত কম সময়ে একটি দেশের আমূল পরিবর্তন করেছিলেন। আজ তার ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী। বিশেষ এই দিনে তার প্রতি রইল অফুরন্ত শ্রদ্ধা ও হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা।

লেখক: মহাসচিব, ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)।

এই বিভাগের আরও খবর
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
সর্বশেষ খবর
‘জীনে নিয়ে গেছে’ বলে গুজব, ২৫ হাজার টাকায় শিশুকে বিক্রি করলেন বাবা
‘জীনে নিয়ে গেছে’ বলে গুজব, ২৫ হাজার টাকায় শিশুকে বিক্রি করলেন বাবা

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

কিউএস বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান কত?
কিউএস বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান কত?

১৯ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশীদ আর নেই
সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশীদ আর নেই

৩০ মিনিট আগে | জাতীয়

মঙ্গলগ্রহে ঘূর্ণায়মান ‘ডাস্ট ডেভিল’ প্রথমবার স্পষ্টভাবে ধরা পড়ল ক্যামেরায়
মঙ্গলগ্রহে ঘূর্ণায়মান ‘ডাস্ট ডেভিল’ প্রথমবার স্পষ্টভাবে ধরা পড়ল ক্যামেরায়

৩২ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

পালানোর সময় ফোন ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে ধরলেন ট্রাফিক সার্জেন্ট
পালানোর সময় ফোন ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে ধরলেন ট্রাফিক সার্জেন্ট

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

সকালের মধ্যে হতে পারে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি
সকালের মধ্যে হতে পারে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ডুয়েটে গবেষণার অর্জন ও সম্ভাবনা নিয়ে ‘অ্যানুয়াল পেপার মিট’ অনুষ্ঠিত
ডুয়েটে গবেষণার অর্জন ও সম্ভাবনা নিয়ে ‘অ্যানুয়াল পেপার মিট’ অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে কোন ম্যাচে সর্বোচ্চ দর্শক খেলা দেখেছে?
এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে কোন ম্যাচে সর্বোচ্চ দর্শক খেলা দেখেছে?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে পরিবেশের উন্নয়ন করতে হবে : আব্দুস সালাম
প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে পরিবেশের উন্নয়ন করতে হবে : আব্দুস সালাম

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নোয়াখালীতে ইয়াবা সেবনের দায়ে সাতজনের কারাদণ্ড
নোয়াখালীতে ইয়াবা সেবনের দায়ে সাতজনের কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা
লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পর কুড়িগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক
দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পর কুড়িগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান
প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকা সবুজায়ন-নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধিতে ডেপুটি স্পিকারের নির্দেশ
মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকা সবুজায়ন-নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধিতে ডেপুটি স্পিকারের নির্দেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘হারিয়ে যাওয়া কাউ ঢেউয়া চালতা ফিরিয়ে আনতে হবে’
‘হারিয়ে যাওয়া কাউ ঢেউয়া চালতা ফিরিয়ে আনতে হবে’

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

অপহরণকারীর চিরকুটে বেরিয়ে আসল শিশু হত্যার মূলহোতারা
অপহরণকারীর চিরকুটে বেরিয়ে আসল শিশু হত্যার মূলহোতারা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টঙ্গীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কারখানাকে জরিমানা
টঙ্গীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কারখানাকে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গ্রুপ পর্বে নেইমারকে পাচ্ছে না ব্রাজিল? যা বলছেন চিকিৎসকরা
গ্রুপ পর্বে নেইমারকে পাচ্ছে না ব্রাজিল? যা বলছেন চিকিৎসকরা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নরসিংদীতে সংঘর্ষের পর নদী থেকে আরও ১ মরদেহ উদ্ধার
নরসিংদীতে সংঘর্ষের পর নদী থেকে আরও ১ মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মানিকগঞ্জে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ২
মানিকগঞ্জে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রেনের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে অজ্ঞাত দুইজন নিহত
ট্রেনের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে অজ্ঞাত দুইজন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নরসিংদীতে শিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, টেবিলে মিলল চিরকুট
নরসিংদীতে শিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, টেবিলে মিলল চিরকুট

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউজিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিবুল, সম্পাদক দস্তগীর
ইউজিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিবুল, সম্পাদক দস্তগীর

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করবে সরকার : প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ
প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করবে সরকার : প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

চট্টগ্রাম হাসপাতালের আইসিইউ-ওটিতে অত্যাধুনিক কার্ডিয়াক মনিটর প্রদান
চট্টগ্রাম হাসপাতালের আইসিইউ-ওটিতে অত্যাধুনিক কার্ডিয়াক মনিটর প্রদান

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সোনারগাঁয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার
সোনারগাঁয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে উপজেলা এসডিজি পরিকল্পনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কুড়িগ্রামে উপজেলা এসডিজি পরিকল্পনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বৈরি আবহাওয়া এড়াতে আইপিএল এগিয়ে আনতে চায় বিসিসিআই
বৈরি আবহাওয়া এড়াতে আইপিএল এগিয়ে আনতে চায় বিসিসিআই

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল কোথায় স্থানান্তর হবে, জানালেন সড়কমন্ত্রী
গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল কোথায় স্থানান্তর হবে, জানালেন সড়কমন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানের হামলায় ‘হাজার হাজার’ মার্কিন সেনা নিহত: মুখ ফসকে গোপন তথ্য ফাঁস ট্রাম্পের
ইরানের হামলায় ‘হাজার হাজার’ মার্কিন সেনা নিহত: মুখ ফসকে গোপন তথ্য ফাঁস ট্রাম্পের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার রোমাঞ্চকর বর্ণনা দিলেন ইরানি পাইলটরা
কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার রোমাঞ্চকর বর্ণনা দিলেন ইরানি পাইলটরা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের অর্থ ফেরত দিতেই হবে, না হলে ডলারের প্রতি আস্থা কমবে : ট্রাম্প
ইরানের অর্থ ফেরত দিতেই হবে, না হলে ডলারের প্রতি আস্থা কমবে : ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমার গোড়ালি ভেঙে গেলেও মেসি কার্ড পেত না : আলজেরিয়া ডিফেন্ডার
আমার গোড়ালি ভেঙে গেলেও মেসি কার্ড পেত না : আলজেরিয়া ডিফেন্ডার

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭ বছরে পতিতাবৃত্তি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরেছেন হাজার হাজার কর্মী
৭ বছরে পতিতাবৃত্তি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরেছেন হাজার হাজার কর্মী

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের জন্য আকাশপথ বন্ধই থাকছে, নতুন নির্দেশনা জারি পাকিস্তানের
ভারতের জন্য আকাশপথ বন্ধই থাকছে, নতুন নির্দেশনা জারি পাকিস্তানের

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জি-৭ সম্মেলন: জেলেনস্কির কাণ্ডে ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনির অস্বস্তি
জি-৭ সম্মেলন: জেলেনস্কির কাণ্ডে ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনির অস্বস্তি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াত এমপিকে পর্দা ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন দিতে চাইলেন পার্থ
জামায়াত এমপিকে পর্দা ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন দিতে চাইলেন পার্থ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানকে ‌‘জিতিয়ে’ ইসরায়েলের মহাপরিকল্পনায় শেষ পেরেক ঠুকলেন ট্রাম্প
ইরানকে ‌‘জিতিয়ে’ ইসরায়েলের মহাপরিকল্পনায় শেষ পেরেক ঠুকলেন ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোনালদোর পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ইতিহাস কঙ্গোর
রোনালদোর পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ইতিহাস কঙ্গোর

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান যে আমাদের হাজার হাজার সেনাকে উড়িয়ে দিল, সেটার কী হবে: ট্রাম্প
ইরান যে আমাদের হাজার হাজার সেনাকে উড়িয়ে দিল, সেটার কী হবে: ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে কেইনের নতুন রেকর্ড
মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে কেইনের নতুন রেকর্ড

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন দায়িত্ব পেলেন ডা. এজেডএম জাহিদ, প্রজ্ঞাপন জারি
নতুন দায়িত্ব পেলেন ডা. এজেডএম জাহিদ, প্রজ্ঞাপন জারি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফের কালো তালিকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী, কঠোর অবস্থানে জাতিসংঘ
ফের কালো তালিকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী, কঠোর অবস্থানে জাতিসংঘ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চালু হচ্ছে দু’টি করে নতুন বিষয় : মাহদী আমিন
চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চালু হচ্ছে দু’টি করে নতুন বিষয় : মাহদী আমিন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের স্কুলে প্রাণঘাতী হামলা 'যুদ্ধের ভুল' : ট্রাম্প
ইরানের স্কুলে প্রাণঘাতী হামলা 'যুদ্ধের ভুল' : ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করা ঠিক হয়নি: ইসরায়েলি কর্মকর্তা
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করা ঠিক হয়নি: ইসরায়েলি কর্মকর্তা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাইতির বিপক্ষে নামার আগে সুখবর পেল ব্রাজিল
হাইতির বিপক্ষে নামার আগে সুখবর পেল ব্রাজিল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে দলে নিতে চেয়েছিলেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট!
মেসিকে দলে নিতে চেয়েছিলেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট!

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জানা গেল মেসির সেই কান্নার কারণ
জানা গেল মেসির সেই কান্নার কারণ

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আর্জেন্টিনার রাজধানীতে বাংলাদেশের নামে সড়কের নামকরণের প্রস্তাব
আর্জেন্টিনার রাজধানীতে বাংলাদেশের নামে সড়কের নামকরণের প্রস্তাব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তেহরানের বিপুল তহবিলের ভবিষ্যৎ নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলো নীরব
তেহরানের বিপুল তহবিলের ভবিষ্যৎ নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলো নীরব

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদো কি পর্তুগালের বোঝায় পরিণত হচ্ছেন?
রোনালদো কি পর্তুগালের বোঝায় পরিণত হচ্ছেন?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চূড়ান্ত চুক্তির পথে বাধা হতে পারে যে চার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চূড়ান্ত চুক্তির পথে বাধা হতে পারে যে চার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান
নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার পর বিশ্ববাজারে ফের কমল জ্বালানি তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার পর বিশ্ববাজারে ফের কমল জ্বালানি তেলের দাম

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিটি গ্রুপকে সচল রাখতে ২৬,৬০০ কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠনে ৩৬ ব্যাংক
সিটি গ্রুপকে সচল রাখতে ২৬,৬০০ কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠনে ৩৬ ব্যাংক

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

যুদ্ধ-অবরোধে কি ইরান লাভবান হলো, সিএনএনের বিশ্লেষণে যা উঠে এলো
যুদ্ধ-অবরোধে কি ইরান লাভবান হলো, সিএনএনের বিশ্লেষণে যা উঠে এলো

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদোকে নিয়ে সমালোচনা, সামনে এলো কোহলির সেই পুরোনো সতর্কবার্তা
রোনালদোকে নিয়ে সমালোচনা, সামনে এলো কোহলির সেই পুরোনো সতর্কবার্তা

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাইমার অন্যরকম আড্ডা
জাইমার অন্যরকম আড্ডা

পেছনের পৃষ্ঠা

সবার আগে নকআউটে কারা
সবার আগে নকআউটে কারা

প্রথম পৃষ্ঠা

সাশ্রয়ী দামে তেল কিনতে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন মন্ত্রী
সাশ্রয়ী দামে তেল কিনতে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন মন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

কোটি টাকার কাগুজে গাছ দিচ্ছে না ছায়া!
কোটি টাকার কাগুজে গাছ দিচ্ছে না ছায়া!

পেছনের পৃষ্ঠা

বিচারের জন্য বেনজীরকে ফেরাতেই হবে
বিচারের জন্য বেনজীরকে ফেরাতেই হবে

সম্পাদকীয়

পথহারা কূটনীতি, ফেরাতে হবে সঠিক পথে
পথহারা কূটনীতি, ফেরাতে হবে সঠিক পথে

প্রথম পৃষ্ঠা

ফুটবল উন্মাদনায় দেশ
ফুটবল উন্মাদনায় দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বাস্থ্যের পিআইসিইউ প্রকল্পে ভয়াবহ দুর্নীতি
স্বাস্থ্যের পিআইসিইউ প্রকল্পে ভয়াবহ দুর্নীতি

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রামে পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের রোডমার্চ
চট্টগ্রামে পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের রোডমার্চ

পেছনের পৃষ্ঠা

যারা বলে সময় দেওয়া যাবে না, তাদের প্রতি সজাগ থাকতে হবে
যারা বলে সময় দেওয়া যাবে না, তাদের প্রতি সজাগ থাকতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

পূর্বাঞ্চলে ‘ওপেন সিক্রেট’ আরএনবির বদলি বাণিজ্য
পূর্বাঞ্চলে ‘ওপেন সিক্রেট’ আরএনবির বদলি বাণিজ্য

নগর জীবন

বিপাকে সানি লিওন
বিপাকে সানি লিওন

শোবিজ

কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা
কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা

সম্পাদকীয়

বাংলাদেশে হাসপাতাল করতে ইরানকে প্রস্তাব জামায়াত আমিরের
বাংলাদেশে হাসপাতাল করতে ইরানকে প্রস্তাব জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

মেয়র পদ যাবে কার দখলে
মেয়র পদ যাবে কার দখলে

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

সীমান্তে পুশইন-পুশব্যাক
সীমান্তে পুশইন-পুশব্যাক

সম্পাদকীয়

দখল-দূষণে বিলীনের পথে নয়নের খাল
দখল-দূষণে বিলীনের পথে নয়নের খাল

পেছনের পৃষ্ঠা

মেসি জাদুতে মুগ্ধ তারকারা
মেসি জাদুতে মুগ্ধ তারকারা

শোবিজ

অটোরিকশার ভাড়া বাড়ানোর লিফলেট
অটোরিকশার ভাড়া বাড়ানোর লিফলেট

রকমারি নগর পরিক্রমা

স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যায় স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড
স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যায় স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড

দেশগ্রাম

রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের এমডি
রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের এমডি

নগর জীবন

টয়লেট অপসারণ দাবিতে সড়কে শিক্ষার্থীরা
টয়লেট অপসারণ দাবিতে সড়কে শিক্ষার্থীরা

দেশগ্রাম

হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধি, মহাসড়কে আলু ফেলে বিক্ষোভ
হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধি, মহাসড়কে আলু ফেলে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

সীমান্ত হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন
সীমান্ত হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারসাম্য রক্ষা পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য
ভারসাম্য রক্ষা পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

চরাঞ্চলের হতদরিদ্ররা পেলেন ভেড়া
চরাঞ্চলের হতদরিদ্ররা পেলেন ভেড়া

দেশগ্রাম

পল্লবীতে কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্য গ্রেপ্তার
পল্লবীতে কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্য গ্রেপ্তার

নগর জীবন

ঢাবিতে আর্জেন্টিনা ভক্তদের উল্লাস, আনন্দ মিছিল
ঢাবিতে আর্জেন্টিনা ভক্তদের উল্লাস, আনন্দ মিছিল

নগর জীবন