শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৪৯, শনিবার, ০৬ জুন, ২০২৬ আপডেট: ০০:৫৪, শনিবার, ০৬ জুন, ২০২৬

আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?

অদিতি করিম
অনলাইন ভার্সন
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?

অবশেষে কেঁচো খুঁড়তে বেরিয়ে এলো সাপ। ঈদের আগের দিন আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, হাসপাতালটির জন্মই হয়েছে অবৈধভাবে। রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তদন্ত প্রতিবেদন তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। প্রতিবেদনে ছয় শিশুর মৃত্যুর কারণ, হাসপাতালের অবহেলা এবং কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্ত কমিটি হাসপাতালটি পরিদর্শন করে ঐকমত্য পোষণ করেন যে ভবনটি হাসপাতাল কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপযুক্ত নয়।

এ হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৯৭ সালে। তখন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিল। অবৈধভাবে গড়ে ওঠা আদ্-দ্বীন হাসপাতাল পাঁচটি সরকার পার করেছে। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, ফখরুদ্দীনের এক-এগারোর সরকার, আবার আওয়ামী লীগ, ইউনূস সরকার এবং সবশেষ এখন বিএনপি সরকার। অথচ ছয় শিশুর মৃত্যুর আগে সবাই ঘুমিয়ে ছিল। কেউ অবৈধভাবে গড়ে ওঠা হাসপাতালটির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

বাংলাদেশে বেসরকারি হাসপাতাল মান এবং চিকিৎসা তদারকির দায়িত্ব স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের। অধিদপ্তরের হাসপাতাল বিভাগ আছে। যাদের দায়িত্ব সরেজমিন পরিদর্শন করে বেসরকারি হাসপাতাল পরিচালনার লাইসেন্স প্রদান। শুধু লাইসেন্স প্রদান নয়, আইন অনুযায়ী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শন করার কথা। প্রতি বছরই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বেসরকারি হাসপাতালের মান যাচাই করে লাইসেন্স নবায়ন করার কথা। তাহলে ২৯ বছর কী হলো? কীভাবে হাসপাতালের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত একটি স্থাপনায় বছরের পর বছর মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হলো? এ দায় কার?

শুধু আদ্-দ্বীন হাসপাতাল নয়, বাংলাদেশে যত্রতত্র গজিয়ে ওঠা অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতালের অবস্থা এমনই। এসব হাসপাতাল মানুষের সেবা দেয় না, চিকিৎসার নামে ব্যবসা করে। বেশির ভাগ বেসরকারি হাসপাতালের মূল লক্ষ্য মানুষের সেবা প্রদান নয়, নিরীহ রোগীদের জিম্মি করে মুনাফা অর্জন। এসব হাসপাতাল যেন একালের কসাইখানা।

বাংলাদেশের চিকিৎসা এখন বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভরশীল। দেশের চিকিৎসাসেবার প্রায় ৭০ ভাগই প্রদান করে বেসরকারি হাসপাতাল এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো। সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় সীমাবদ্ধতা এবং চিকিৎসকদের অতিরিক্ত অর্থলোভের কারণে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এগুলোর মান নিয়ন্ত্রণের কেউ নেই। এসব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগেরই কোনো অনুমোদন নেই। কেবল আদ্-দ্বীনের মতো একটি বড় দুর্ঘটনার পর খানিকটা হইচই হয়, সরকারের পক্ষ থেকে কিছু তৎপরতা দেখা যায়, তারপর মানুষ যখন অন্যদিকে মনোযোগ দেয় তখন সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যায়। আবার অনিয়ম হয়ে যায় নিয়ম। বাংলাদেশের বেসরকারি হাসপাতালগুলো যেন একেকটি মৃত্যুকূপ। সাধারণ মানুষ এখানে চিকিৎসা নিতে আসে বাধ্য হয়ে। তারপর তাদের চিকিৎসার নামে সর্বস্ব লুট করা হয় এবং ঠেলে দেওয়া হয় মৃত্যুর দিকে। এসব দেখার কেউ নেই।

যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে তখন শুরুতে তারা এসব অবৈধ কসাইখানার মতো হাসপাতালগুলোর বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নেয়। বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বেশ কিছু হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অনেক হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই মানুষের জীবন নিয়ে ব্যবসা করা এসব হাসপাতাল সরকারকে অলৌকিকভাবে ম্যানেজ করে ফেলে। আবার শুরু হয় মানুষের জীবন নিয়ে ব্যবসা। এ দুষ্টচক্রে বন্দি এ দেশের মানুষ, এ দেশের স্বাস্থ্যসেবা।

বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরও গত মার্চে শুরু হয় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযান। মার্চে পরিচালিত এসব অভিযানে দেখা যায়, চিকিৎসার নামে চলছে চরম অরাজকতা। পরীক্ষানিরীক্ষার জন্য নিজস্ব ল্যাবরেটরি নেই, তবু রোগীদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে ভুয়া রিপোর্ট। এমনকি সংঘর্ষ বা গুলিতে আহত রোগীদেরও নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ভর্তি করছে নামসর্বস্ব কিছু বেসরকারি ক্লিনিক। সারা দেশে সরকারি হাসপাতালের আশপাশে লাখো বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে উঠেছে; যার ৯৫ ভাগ অবৈধ। এর অধিকাংশের মালিক রাজনৈতিক দলের নেতা কিংবা প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। একশ্রেণির ডাক্তার সরকারি হাসপাতালে ডিউটি না করে সেখানে কাজ করেন। সব মিলিয়ে সারা দেশে চিকিৎসাসেবায় চরম অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে। অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার লাইসেন্স ছাড়াই চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছে। ওখান থেকে টাকার ভাগ পান একশ্রেণির সিভিল সার্জন, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), এমনকি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পর্যন্ত যায়। ঢাকার বাইরে সরকারি হাসপাতাগুলোতে অর্ধেক জনবল শূন্য। আবার যাদের পোস্টিং দেওয়া হয়, তারা কর্মস্থলে থাকেন না। রাজধানীর মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী ও পুরান ঢাকায় কয়েক হাজার অবৈধ ক্লিনিক আছে। ঢাকার চেয়েও খারাপ অবস্থা সারা দেশে।

সরকারি হাসপাতালে শয্যাসংকট, জনবলের অপ্রতুলতার কারণে মানুষ বাধ্য হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে যাচ্ছে। তাই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা। অলিগলিতে গড়ে ওঠা বেসরকারি হাসপাতাল, নার্সিংহোম এবং ক্লিনিকের কথা তো সবাই জানেন। কিন্তু পাঁচ তারকাবিশিষ্ট বিলাসবহুল হাসপাতালগুলোই বা কতটা সঠিক এবং মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে?

বাংলাদেশে সরকারি হাসপাতাল রয়েছে ৬৫৪টি এবং এসব হাসপাতালে শয্যার সংখ্যা ৫১ হাজার ৩১৬টি। আর বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে ৫ হাজার ৫৫টি, যেখানে মোট শয্যার সংখ্যা ১ লাখ ৫ হাজার ১৮৩টি। সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে মোট আইসিইউ শয্যা রয়েছে মাত্র ১ হাজার ১৬৯টি। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে রয়েছে ৪৩২টি (ঢাকায় ৩২২, ঢাকার বাইরে ১১০) আর বেসরকারি হাসপাতালে রয়েছে ৭৩৭টি (ঢাকা মহানগরীতে ৪৯৪, ঢাকা জেলায় ২৬৭, অন্যান্য জেলায় ২৪৩)। তবে বাস্তবে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি।

এর মধ্যে কিছু বেসরকারি হাসপাতাল আছে যারা নিজেদের আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বলে দাবি করে। কিন্তু পাঁচ তারকা হোটেলের মতো গড়ে ওঠা বেসরকারি হাসপাতালগুলোর চিকিৎসার মান নিয়ে রয়েছে অনেক অভিযোগ। আদ্-দ্বীন হাসপাতালে যেমন ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তেমন ছয় বছর আগে ২০২০ সালে এসি বিস্ফোরণে পাঁচজনের মৃত্যুর করুণ ঘটনা ঘটেছিল এমনই এক বিলাসবহুল হাসপাতালে। তখনকার সরকার সে সময় তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। ওই হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। তারপর কিছুই হয়নি। এসব নামিদামি হাসপাতালের মালিকরা প্রচণ্ড ক্ষমতাবান। তাই তাদের বিরুদ্ধে কেউ ব্যবস্থা নেয় না। আরেকটি পাঁচ তারকা হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, মৃত রোগীদের ভেন্টিলেশনে রেখে লাখ লাখ টাকার বিল আদায় করা হয়েছে। তিন বছর আগে ওই হাসপাতালের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। কিন্তু সেই তদন্ত রিপোর্ট এখনো আলোর মুখ দেখেনি। গত এপ্রিলে একটি নামি বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে মৃত ব্যক্তিকে ডায়ালাইসিস দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়। কিন্তু তারপর রহস্যজনক কারণে সেই ঘটনার বিচার হয়নি। ছোট হাসপাতাল এবং ক্লিনিকগুলো চিকিৎসার নামে মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলে। মানহীন পরিবেশে রোগীদের জিম্মি করে অর্থ আদায় করে। আর বড় হাসপাতালগুলো পাঁচ তারকা হোটেলের মতো সেবা দেয় বটে, কিন্তু চিকিৎসার নামে রোগীদের সর্বস্বান্ত করে।

আমাদের বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবার মূল লক্ষ্য মানুষকে সেবা দেওয়া নয়, যেকোনো মূল্যে অর্থ উপার্জন। এ অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া অধিকাংশ সময়ই হয় নীতিহীন, অমানবিক এবং অন্যায়ভাবে।

পুরো বেসরকারি চিকিৎসাব্যবস্থা যেন এক সিন্ডিকেটের কাছে বন্দি। কিছু মুনাফালোভী ব্যবসায়ী এবং চিকিৎসকের যোগসাজশে গড়ে উঠেছে এ ভয়ংকর সিন্ডিকেট। এর শুরু হয় যখন একজন রোগী কোনো অসুখে চিকিৎসকের কাছে যান। তিনি সরকারি হাসপাতালে নামি চিকিৎসকের কাছে গেলে তাকে প্রাইভেট ক্লিনিকে গিয়ে দেখানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। এরপর শুরু হয় তার এক করুণ যাত্রা। চিকিৎসক তাকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত একগাদা পরীক্ষা দেন, যাতে তাকে কমিশন দেওয়া সেন্টারটির আয়-উপার্জন ভালো হয়। রোগ নির্ণয়ের জন্য যেখানে পাঠানো হয়, সেখান থেকে চিকিৎসক পান মোটা অঙ্কের কমিশন। অভিযোগ আছে, পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয় অনেক ডায়াগনস্টিক সেন্টার। পরীক্ষার পাশাপাশি রোগ নির্ণয় ছাড়াই দেওয়া হয় একগাদা ওষুধ। ফার্মা কোম্পানিগুলো থেকেও বিপুল পরিমাণ কমিশন পান ডাক্তাররা। অর্থাৎ পুরো প্রক্রিয়ায় চিকিৎসক, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ওষুধ কোম্পানিগুলোর মুনাফা লাভের সুযোগ সৃষ্টি হয়। রোগীদের সুস্থ করে তোলা এখানে গৌণ। এরপর রোগীর উন্নতি না হলে তো সবার জন্য অবারিত সুযোগ। তার সর্বস্ব কেড়ে নেওয়ার আয়োজন শুরু হয়। তাকে ভর্তি করা হয় বেসরকারি হাসপাতালে। চিকিৎসার নামে চলে লুণ্ঠন। এভাবেই বেসরকারি চিকিৎসায় জিম্মি এ দেশের জনগণ। যারা একটু বুদ্ধিমান এবং সামর্থ্যবান, তারা মানুষরূপী এই অর্থলোভীদের হাত থেকে বাঁচতে বিদেশে চিকিৎসা নিতে যান। বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর প্রায় ৮ লাখের মতো মানুষ চিকিৎসা করাতে বিদেশে যাচ্ছেন। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি মানুষ আগে যেতেন ভারতে, এখন যান থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুরে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে চিকিৎসার নামে প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৫০০ কোটি মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ বিদেশে চলে যাচ্ছে। এতে দেশটির অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দেশে যদি আদ্-দ্বীন হাসপাতালের মতো ঘটনা আরও ঘটতে থাকে, তাহলে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার সংখ্যা আরও বাড়বে।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার এই ভয়াবহ সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারলে একদিকে যেমন মানুষের ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে না, তেমন গোটা চিকিৎসাব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে দেশের মানুষের একটি বড় অংশ মনে করেন তারা দেশে সঠিক চিকিৎসা পাবেন না। মানুষের এ আস্থাহীনতা ফিরিয়ে আনতে হলে সরকারকে কঠোর হতে হবে। জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না।

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মধ্য দিয়ে সরকার একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে। বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। তাদের যেকোনো মূল্যে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতেই হবে। মানুষের অসুখ পুঁজি করে যারা অর্থলোভে উন্মত্ত, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। আদ্-দ্বীনের ট্র্যাজেডি সরকারের সামনে স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে জনবান্ধব করার সুযোগ করে দিয়েছে। সরকার কি এ সুযোগ কাজে লাগাবে, নাকি আবার সবকিছু আগের মতোই হয়ে যাবে?

এই বিভাগের আরও খবর
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
‘জীনে নিয়ে গেছে’ বলে গুজব, ২৫ হাজার টাকায় শিশুকে বিক্রি করলেন বাবা
‘জীনে নিয়ে গেছে’ বলে গুজব, ২৫ হাজার টাকায় শিশুকে বিক্রি করলেন বাবা

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

কিউএস বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান কত?
কিউএস বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান কত?

১৯ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশীদ আর নেই
সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশীদ আর নেই

৩০ মিনিট আগে | জাতীয়

মঙ্গলগ্রহে ঘূর্ণায়মান ‘ডাস্ট ডেভিল’ প্রথমবার স্পষ্টভাবে ধরা পড়ল ক্যামেরায়
মঙ্গলগ্রহে ঘূর্ণায়মান ‘ডাস্ট ডেভিল’ প্রথমবার স্পষ্টভাবে ধরা পড়ল ক্যামেরায়

৩২ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

পালানোর সময় ফোন ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে ধরলেন ট্রাফিক সার্জেন্ট
পালানোর সময় ফোন ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে ধরলেন ট্রাফিক সার্জেন্ট

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

সকালের মধ্যে হতে পারে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি
সকালের মধ্যে হতে পারে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ডুয়েটে গবেষণার অর্জন ও সম্ভাবনা নিয়ে ‘অ্যানুয়াল পেপার মিট’ অনুষ্ঠিত
ডুয়েটে গবেষণার অর্জন ও সম্ভাবনা নিয়ে ‘অ্যানুয়াল পেপার মিট’ অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে কোন ম্যাচে সর্বোচ্চ দর্শক খেলা দেখেছে?
এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে কোন ম্যাচে সর্বোচ্চ দর্শক খেলা দেখেছে?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে পরিবেশের উন্নয়ন করতে হবে : আব্দুস সালাম
প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে পরিবেশের উন্নয়ন করতে হবে : আব্দুস সালাম

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নোয়াখালীতে ইয়াবা সেবনের দায়ে সাতজনের কারাদণ্ড
নোয়াখালীতে ইয়াবা সেবনের দায়ে সাতজনের কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা
লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পর কুড়িগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক
দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পর কুড়িগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান
প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকা সবুজায়ন-নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধিতে ডেপুটি স্পিকারের নির্দেশ
মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকা সবুজায়ন-নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধিতে ডেপুটি স্পিকারের নির্দেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘হারিয়ে যাওয়া কাউ ঢেউয়া চালতা ফিরিয়ে আনতে হবে’
‘হারিয়ে যাওয়া কাউ ঢেউয়া চালতা ফিরিয়ে আনতে হবে’

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

অপহরণকারীর চিরকুটে বেরিয়ে আসল শিশু হত্যার মূলহোতারা
অপহরণকারীর চিরকুটে বেরিয়ে আসল শিশু হত্যার মূলহোতারা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টঙ্গীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কারখানাকে জরিমানা
টঙ্গীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কারখানাকে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গ্রুপ পর্বে নেইমারকে পাচ্ছে না ব্রাজিল? যা বলছেন চিকিৎসকরা
গ্রুপ পর্বে নেইমারকে পাচ্ছে না ব্রাজিল? যা বলছেন চিকিৎসকরা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নরসিংদীতে সংঘর্ষের পর নদী থেকে আরও ১ মরদেহ উদ্ধার
নরসিংদীতে সংঘর্ষের পর নদী থেকে আরও ১ মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মানিকগঞ্জে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ২
মানিকগঞ্জে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রেনের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে অজ্ঞাত দুইজন নিহত
ট্রেনের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে অজ্ঞাত দুইজন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নরসিংদীতে শিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, টেবিলে মিলল চিরকুট
নরসিংদীতে শিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, টেবিলে মিলল চিরকুট

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউজিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিবুল, সম্পাদক দস্তগীর
ইউজিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিবুল, সম্পাদক দস্তগীর

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করবে সরকার : প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ
প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করবে সরকার : প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

চট্টগ্রাম হাসপাতালের আইসিইউ-ওটিতে অত্যাধুনিক কার্ডিয়াক মনিটর প্রদান
চট্টগ্রাম হাসপাতালের আইসিইউ-ওটিতে অত্যাধুনিক কার্ডিয়াক মনিটর প্রদান

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সোনারগাঁয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার
সোনারগাঁয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে উপজেলা এসডিজি পরিকল্পনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কুড়িগ্রামে উপজেলা এসডিজি পরিকল্পনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বৈরি আবহাওয়া এড়াতে আইপিএল এগিয়ে আনতে চায় বিসিসিআই
বৈরি আবহাওয়া এড়াতে আইপিএল এগিয়ে আনতে চায় বিসিসিআই

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল কোথায় স্থানান্তর হবে, জানালেন সড়কমন্ত্রী
গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল কোথায় স্থানান্তর হবে, জানালেন সড়কমন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানের হামলায় ‘হাজার হাজার’ মার্কিন সেনা নিহত: মুখ ফসকে গোপন তথ্য ফাঁস ট্রাম্পের
ইরানের হামলায় ‘হাজার হাজার’ মার্কিন সেনা নিহত: মুখ ফসকে গোপন তথ্য ফাঁস ট্রাম্পের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার রোমাঞ্চকর বর্ণনা দিলেন ইরানি পাইলটরা
কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার রোমাঞ্চকর বর্ণনা দিলেন ইরানি পাইলটরা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের অর্থ ফেরত দিতেই হবে, না হলে ডলারের প্রতি আস্থা কমবে : ট্রাম্প
ইরানের অর্থ ফেরত দিতেই হবে, না হলে ডলারের প্রতি আস্থা কমবে : ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমার গোড়ালি ভেঙে গেলেও মেসি কার্ড পেত না : আলজেরিয়া ডিফেন্ডার
আমার গোড়ালি ভেঙে গেলেও মেসি কার্ড পেত না : আলজেরিয়া ডিফেন্ডার

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭ বছরে পতিতাবৃত্তি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরেছেন হাজার হাজার কর্মী
৭ বছরে পতিতাবৃত্তি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরেছেন হাজার হাজার কর্মী

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের জন্য আকাশপথ বন্ধই থাকছে, নতুন নির্দেশনা জারি পাকিস্তানের
ভারতের জন্য আকাশপথ বন্ধই থাকছে, নতুন নির্দেশনা জারি পাকিস্তানের

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জি-৭ সম্মেলন: জেলেনস্কির কাণ্ডে ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনির অস্বস্তি
জি-৭ সম্মেলন: জেলেনস্কির কাণ্ডে ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনির অস্বস্তি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াত এমপিকে পর্দা ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন দিতে চাইলেন পার্থ
জামায়াত এমপিকে পর্দা ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন দিতে চাইলেন পার্থ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানকে ‌‘জিতিয়ে’ ইসরায়েলের মহাপরিকল্পনায় শেষ পেরেক ঠুকলেন ট্রাম্প
ইরানকে ‌‘জিতিয়ে’ ইসরায়েলের মহাপরিকল্পনায় শেষ পেরেক ঠুকলেন ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোনালদোর পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ইতিহাস কঙ্গোর
রোনালদোর পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ইতিহাস কঙ্গোর

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান যে আমাদের হাজার হাজার সেনাকে উড়িয়ে দিল, সেটার কী হবে: ট্রাম্প
ইরান যে আমাদের হাজার হাজার সেনাকে উড়িয়ে দিল, সেটার কী হবে: ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে কেইনের নতুন রেকর্ড
মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে কেইনের নতুন রেকর্ড

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন দায়িত্ব পেলেন ডা. এজেডএম জাহিদ, প্রজ্ঞাপন জারি
নতুন দায়িত্ব পেলেন ডা. এজেডএম জাহিদ, প্রজ্ঞাপন জারি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফের কালো তালিকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী, কঠোর অবস্থানে জাতিসংঘ
ফের কালো তালিকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী, কঠোর অবস্থানে জাতিসংঘ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চালু হচ্ছে দু’টি করে নতুন বিষয় : মাহদী আমিন
চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চালু হচ্ছে দু’টি করে নতুন বিষয় : মাহদী আমিন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের স্কুলে প্রাণঘাতী হামলা 'যুদ্ধের ভুল' : ট্রাম্প
ইরানের স্কুলে প্রাণঘাতী হামলা 'যুদ্ধের ভুল' : ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করা ঠিক হয়নি: ইসরায়েলি কর্মকর্তা
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করা ঠিক হয়নি: ইসরায়েলি কর্মকর্তা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাইতির বিপক্ষে নামার আগে সুখবর পেল ব্রাজিল
হাইতির বিপক্ষে নামার আগে সুখবর পেল ব্রাজিল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে দলে নিতে চেয়েছিলেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট!
মেসিকে দলে নিতে চেয়েছিলেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট!

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জানা গেল মেসির সেই কান্নার কারণ
জানা গেল মেসির সেই কান্নার কারণ

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আর্জেন্টিনার রাজধানীতে বাংলাদেশের নামে সড়কের নামকরণের প্রস্তাব
আর্জেন্টিনার রাজধানীতে বাংলাদেশের নামে সড়কের নামকরণের প্রস্তাব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তেহরানের বিপুল তহবিলের ভবিষ্যৎ নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলো নীরব
তেহরানের বিপুল তহবিলের ভবিষ্যৎ নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলো নীরব

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদো কি পর্তুগালের বোঝায় পরিণত হচ্ছেন?
রোনালদো কি পর্তুগালের বোঝায় পরিণত হচ্ছেন?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চূড়ান্ত চুক্তির পথে বাধা হতে পারে যে চার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চূড়ান্ত চুক্তির পথে বাধা হতে পারে যে চার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান
নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার পর বিশ্ববাজারে ফের কমল জ্বালানি তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার পর বিশ্ববাজারে ফের কমল জ্বালানি তেলের দাম

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিটি গ্রুপকে সচল রাখতে ২৬,৬০০ কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠনে ৩৬ ব্যাংক
সিটি গ্রুপকে সচল রাখতে ২৬,৬০০ কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠনে ৩৬ ব্যাংক

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

যুদ্ধ-অবরোধে কি ইরান লাভবান হলো, সিএনএনের বিশ্লেষণে যা উঠে এলো
যুদ্ধ-অবরোধে কি ইরান লাভবান হলো, সিএনএনের বিশ্লেষণে যা উঠে এলো

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদোকে নিয়ে সমালোচনা, সামনে এলো কোহলির সেই পুরোনো সতর্কবার্তা
রোনালদোকে নিয়ে সমালোচনা, সামনে এলো কোহলির সেই পুরোনো সতর্কবার্তা

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাইমার অন্যরকম আড্ডা
জাইমার অন্যরকম আড্ডা

পেছনের পৃষ্ঠা

সবার আগে নকআউটে কারা
সবার আগে নকআউটে কারা

প্রথম পৃষ্ঠা

সাশ্রয়ী দামে তেল কিনতে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন মন্ত্রী
সাশ্রয়ী দামে তেল কিনতে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন মন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

কোটি টাকার কাগুজে গাছ দিচ্ছে না ছায়া!
কোটি টাকার কাগুজে গাছ দিচ্ছে না ছায়া!

পেছনের পৃষ্ঠা

বিচারের জন্য বেনজীরকে ফেরাতেই হবে
বিচারের জন্য বেনজীরকে ফেরাতেই হবে

সম্পাদকীয়

পথহারা কূটনীতি, ফেরাতে হবে সঠিক পথে
পথহারা কূটনীতি, ফেরাতে হবে সঠিক পথে

প্রথম পৃষ্ঠা

ফুটবল উন্মাদনায় দেশ
ফুটবল উন্মাদনায় দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বাস্থ্যের পিআইসিইউ প্রকল্পে ভয়াবহ দুর্নীতি
স্বাস্থ্যের পিআইসিইউ প্রকল্পে ভয়াবহ দুর্নীতি

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রামে পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের রোডমার্চ
চট্টগ্রামে পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের রোডমার্চ

পেছনের পৃষ্ঠা

যারা বলে সময় দেওয়া যাবে না, তাদের প্রতি সজাগ থাকতে হবে
যারা বলে সময় দেওয়া যাবে না, তাদের প্রতি সজাগ থাকতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

পূর্বাঞ্চলে ‘ওপেন সিক্রেট’ আরএনবির বদলি বাণিজ্য
পূর্বাঞ্চলে ‘ওপেন সিক্রেট’ আরএনবির বদলি বাণিজ্য

নগর জীবন

বিপাকে সানি লিওন
বিপাকে সানি লিওন

শোবিজ

কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা
কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা

সম্পাদকীয়

বাংলাদেশে হাসপাতাল করতে ইরানকে প্রস্তাব জামায়াত আমিরের
বাংলাদেশে হাসপাতাল করতে ইরানকে প্রস্তাব জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

মেয়র পদ যাবে কার দখলে
মেয়র পদ যাবে কার দখলে

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

সীমান্তে পুশইন-পুশব্যাক
সীমান্তে পুশইন-পুশব্যাক

সম্পাদকীয়

দখল-দূষণে বিলীনের পথে নয়নের খাল
দখল-দূষণে বিলীনের পথে নয়নের খাল

পেছনের পৃষ্ঠা

মেসি জাদুতে মুগ্ধ তারকারা
মেসি জাদুতে মুগ্ধ তারকারা

শোবিজ

অটোরিকশার ভাড়া বাড়ানোর লিফলেট
অটোরিকশার ভাড়া বাড়ানোর লিফলেট

রকমারি নগর পরিক্রমা

স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যায় স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড
স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যায় স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড

দেশগ্রাম

রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের এমডি
রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের এমডি

নগর জীবন

টয়লেট অপসারণ দাবিতে সড়কে শিক্ষার্থীরা
টয়লেট অপসারণ দাবিতে সড়কে শিক্ষার্থীরা

দেশগ্রাম

হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধি, মহাসড়কে আলু ফেলে বিক্ষোভ
হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধি, মহাসড়কে আলু ফেলে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

সীমান্ত হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন
সীমান্ত হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারসাম্য রক্ষা পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য
ভারসাম্য রক্ষা পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

চরাঞ্চলের হতদরিদ্ররা পেলেন ভেড়া
চরাঞ্চলের হতদরিদ্ররা পেলেন ভেড়া

দেশগ্রাম

পল্লবীতে কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্য গ্রেপ্তার
পল্লবীতে কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্য গ্রেপ্তার

নগর জীবন

ঢাবিতে আর্জেন্টিনা ভক্তদের উল্লাস, আনন্দ মিছিল
ঢাবিতে আর্জেন্টিনা ভক্তদের উল্লাস, আনন্দ মিছিল

নগর জীবন