শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:২৯, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার

ড. জাহাঙ্গীর আলম
অনলাইন ভার্সন
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার

নয়া বাজেট আসন্ন। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের তুলনায় তা হবে এক লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বা ১৮.৭৩ শতাংশ বেশি।


নিঃসন্দেহে এই বাজেট হবে সম্প্রসারণমূলক। তবে চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব আহরণের ধীরগতি ও বাজেট বাস্তবায়নে সক্ষমতার অভাবহেতু একটি আঁটসাঁট বাজেটই আমাদের কাম্য। এর লক্ষ্য হতে হবে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, সামাজিক বৈষম্য হ্রাস, নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট লাঘব ও দুর্বৃত্তায়নের লাগাম টেনে ধরা। উৎপাদনশীল কৃষি খাত, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে গুরুত্ব দিয়ে অনুৎপাদনশীল খাতগুলোর খরচ হ্রাস করা এখন খুবই প্রয়োজন।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও উৎপাদন বৃদ্ধি বাজেটের প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। এই পরিপ্রেক্ষিতে অনুন্নয়ন খাতে বরাদ্দ প্রদানের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এখন আমাদের প্রয়োজন সরকারের পরিচালন ব্যয় কমিয়ে এবং খরচের গুণগত মান বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে একটি বাস্তবসম্মত বাজেট অনুসরণ করা।


দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি প্রধান নির্দেশক হচ্ছে দেশজ আয়ের প্রবৃদ্ধির হার।


প্রতিটি বাজেটেই এই প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। চলতি অর্থবছর জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ধরা হয়েছিল ৫.৫ শতাংশ। তবে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস হচ্ছে অনেক কম। বিশ্বব্যাংক যে পূর্বাভাস দিচ্ছে, তাতে এ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ৩.১ শতাংশ। আইএমএফের পূর্বাভাস হলো ৪.৭ শতাংশ।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বলছে, প্রবৃদ্ধির হার হতে পারে ৪.০ শতাংশ। এবার জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম অনুমিত হওয়ার কারণ হলো নির্বাচন-পূর্বের রাজনৈতিক অস্থিরতা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ হ্রাস, জ্বালানি খাতের সমস্যা, বৈশ্বিক ঘটনাবলির নেতিবাচক প্রভাব এবং উৎপাদনে স্থবিরতা। অর্থবছরের শেষ প্রান্তে হাওরে ভয়াবহ বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে বোরো ধানের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তা ছাড়া সার্বিকভাবে কর্মসংস্থান হ্রাস পায়। মানুষের আয় কমে যায়। আগামী বছর প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর প্রধান নিয়ামক হবে সুস্থির সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশ।
প্রবৃদ্ধির হার মাঝারি গোছের হলেও জনজীবনে স্বস্তি থাকতে পারে, যদি তা উচ্চ মূল্যস্ফীতির অতলে তলিয়ে না যায়। অর্থনীতির সবচেয়ে বড় দুষ্টক্ষত হলো উচ্চ মূল্যস্ফীতি, যা গরিব ও নির্দিষ্ট আয়ের মানুষকে চরমভাবে ভোগান্তিতে ফেলে। জনজীবনে কষ্ট ও দুর্ভোগের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। বাংলাদেশে প্রায় চার বছর ধরে বিরাজ করছে উচ্চ মূল্যস্ফীতি। এর মাত্রা গড়ে ৯ শতাংশের ওপরে। মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা হ্রাস পাচ্ছে কয়েক মাস ধরে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য প্রণীত বাজেটে মূল্যস্ফীতির হার প্রাক্কলন করা হয়েছিল ৬.৫ শতাংশ। গত ১০ মাসের গড় অর্জন প্রায় ৯ শতাংশ। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হচ্ছে উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতি, যা গরিব মানুষের কষ্ট অনেক বাড়িয়েছে। বিশ্বব্যাংকের খাদ্য নিরাপত্তা ও মূল্যস্ফীতি সম্পর্কিত প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে চার বছর ধরে লাগাতার ঝুঁকির লাল তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।  নতুন অর্থবছর ২০২৬-২৭ সালের বাজেটে এই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।

খাদ্য মূল্যস্ফীতি হ্রাসের প্রধান শর্ত হলো কৃষি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি। সম্প্রতি কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু এর প্রবৃদ্ধির হার এগিয়ে চলছে অনেক ধীরগতিতে। এখন কৃষি খাতে প্রকৃত প্রবৃদ্ধি খুবই কম। ২০০৯-১০ অর্থবছরে অর্জিত প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৫৫ শতাংশ। সেখান থেকে কমে বর্তমানে ২.৪২ শতাংশে অবস্থান করছে। সার্বিক কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ছিল ৩.৩ শতাংশ। এই হার ২০০৯-১০ অর্থবছরে অর্জিত ৬.৫৫ শতাংশের অর্ধেক মাত্র। এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে ২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে কৃষি খাতের উৎপাদনে প্রবৃদ্ধির হার ৪-৫ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। এ জন্য কৃষিতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। কিন্তু বাস্তবে এর প্রতিফলন নেই। ২০১১-১২ অর্থবছরের মূল বাজেটের তুলনায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটের আকার ৪.৮৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সে তুলনায় কৃষি বাজেট বাড়েনি। এ সময় কৃষি বাজেট বেড়েছে ৩.৬৯ গুণ। ২০১১-১২ অর্থবছরের মোট বাজেটে কৃষি বাজেটের হিস্যা ছিল ১০.৬৫ শতাংশ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে তা নেমে আসে ৫.৮৬ শতাংশে।

চলতি অর্থবছরে কৃষিবিষয়ক পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছিল ৪৬ হাজার ২৬৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে শস্য কৃষি খাতের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছিল ২৭ হাজার ২২৪ কোটি টাকা, যা মোট বাজেট বরাদ্দের ৩.৪৫ শতাংশ। অন্যদিকে ২.৩৭ শতাংশ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, বন ও পরিবেশ, ভূমি ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল। এটি ছিল অপ্রতুল। ফসল কৃষি খাতের বরাদ্দে আগের বছরের সংশোধিত বরাদ্দ থেকে ১৮.২১ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি ভর্তুকি খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছিল ১৭ হাজার ২৬১ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে তা কমিয়ে রাখা হয় ১৭ হাজার ২৪১ কোটি টাকা। আগামী বাজেটে কৃষি খাতের হিস্যা বাড়ানো উচিত। বৃহত্তর কৃষি খাতে মোট বাজেটের ন্যূনপক্ষে ১০ শতাংশ এবং ভর্তুকিতে মোট কৃষি উৎপাদন মূল্যের ১০ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এতে বৃহত্তর কৃষি খাতে বরাদ্দ করতে হবে প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকা এবং ভর্তুকির জন্য রাখতে হবে ন্যূনতম ৪০ হাজার কোটি টাকা।

কৃষি গবেষণায় সরকারি ব্যয় অপ্রতুল। ন্যূনপক্ষে কৃষি জিডিপির ১ শতাংশ গবেষণা পরিচালন ব্যয় নির্ধারণ করা উচিত। চীন, ভিয়েতনাম, জাপানসহ পৃথিবীর অনেক দেশে গবেষণা ব্যয় ৩ থেকে ৫ শতাংশ। আমাদের ক্ষেত্রে তা ০.৪ শতাংশ। কৃষিবিজ্ঞানীদের বেতন-ভাতা কম। মেধাভিত্তিক মূল্যায়ন ও পদোন্নতির সুযোগের অভাব। অনেক প্রতিষ্ঠানে পেনশনের সুযোগ নেই। চাকরিকালীন প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার অভাবে অনেক মেধাবী বিজ্ঞানী দেশ ছেড়ে বিদেশে চলে যাচ্ছেন। অনেকে গবেষণা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন ভিন্ন পেশায়। এমন পরিস্থিতিতে কৃষি গবেষণায় প্রণোদনাকাঠামো পরিবর্তন করা উচিত।

বাজেট প্রণয়নের সময় জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি কত হবে, তা বলা হয় না। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী কৃষি খাতে ২০২৪-২৫ সাল পর্যন্ত তিন বছরের গড় প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছিল ৪ শতাংশ। অর্জিত হয়েছে ৩ শতাংশ। এই হার বাড়ানো দরকার। ন্যূনপক্ষে তা ৪ শতাংশ অর্জন করা উচিত। অন্যথায় মোট জিডিপি প্রবৃদ্ধির হারে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

দেশের কৃষকদের জন্য পণ্যের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি একটি বড় সমস্যা। বাজারের নিয়ন্ত্রণ এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীর হাতে। তাঁদের কারসাজিতে একদিকে কৃষক তাঁর পণ্যের উপযুক্ত দাম পাচ্ছেন না; অন্যদিকে ভোক্তা অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করে দারুণভাবে ঠকছেন। এ ক্ষেত্রে বিপণন খরচ ও মুনাফা নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। বাজারে সরকারের হস্তক্ষেপ বৃদ্ধি করা দরকার। ধান-চাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে মূল্য নির্ধারণ যৌক্তিক পর্যায়ে হওয়া উচিত। এবার বোরো ফসলের আবাদ উপকরণ সরবরাহে অনিশ্চয়তার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তদুপরি হাওরে অকালবন্যায় প্রায় ২৫ শতাংশ ধান বিনষ্ট হয়েছে। ফলে প্রতি ইউনিট ধানের উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। কিন্তু সরকারের ধান-চাল সংগ্রহের মূল্য প্রতি কেজি গত বছরের সমানই রয়ে গেছে। ধান ৩৬ টাকা এবং সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা। এটি পরিমার্জন করা উচিত। উৎপাদন খরচের ওপর ন্যূনপক্ষে ২০ শতাংশ মুনাফা দিয়ে সংগ্রহমূল্য নির্ধারণ করা উচিত।  দুই বছর ধরে আলু ও পেঁয়াজের উৎপাদন অনেক বেড়েছে। কিন্তু এগুলোর বাজারদর দ্রুত কমে গেছে। এমতাবস্থায় সরকারিভাবে ফসল সংগ্রহের তালিকা বৃদ্ধি করতে হবে। ন্যূনপক্ষে ১০ শতাংশ উৎপাদিত ফসল কৃষকদের কাছ থেকে সরকারকে সরাসরিভাবে কিনে নিয়ে গুদামে বা কোল্ডস্টোরেজে সংরক্ষণ করতে হবে। এসব পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেলে তা খোলাবাজারে বিক্রি করে বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

বর্তমান উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতির কারণে প্রান্তিক কৃষক ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার ওপর প্রচণ্ড নেতিবাচক চাপ পড়েছে। তাদের জন্য ভর্তুকি ও সহায়তা বাড়ানো দরকার। তাদের সুরক্ষাকাঠামো সম্প্রসারণ করা দরকার। খাদ্য ও পুষ্টি মানুষের সংবিধান স্বীকৃত মৌলিক অধিকার। এই অধিকারের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।  গ্রাম ও নগর উভয় ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানমুখী শিল্পায়ন এবং কৃষি বিনিয়োগে সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ রাখতে হবে বাজেটে। মৌসুমি কর্মহীনতার সময় কর্মসংস্থান গ্যারান্টি স্কিম চালু করতে হবে। সরকার এরই মধ্যে কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড প্রদান শুরু করেছে। এর আওতা দেশব্যাপী সম্প্রসারণ করতে প্রায় পাঁচ বছর লেগে যাবে। ফলে দেশের এক প্রান্তের দরিদ্র মানুষ যখন এসব কার্ডের সুবিধা ভোগ করবে, তখন অন্য প্রান্তের মানুষ শুধু আশায় বুক বাঁধবে। এতে সমতা লঙ্ঘিত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বঞ্চিত এলাকার দরিদ্র মানুষের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রই কৃষক কার্ড বা ফ্যামিলি কার্ড হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

কয়েক বছর ধরে ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগে কৃষির উৎপাদন বিঘ্নিত হচ্ছে। এতে দারুণ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন কৃষকরা। তাঁদের সহায়তার জন্য দুর্যোগ মোকাবেলা তহবিল গঠন করা দরকার। আসন্ন বাজেটটি কৃষি ও কৃষক বান্ধব হবে, এটিই প্রত্যাশা।

লেখক : একুশে পদকপ্রাপ্ত কৃষি অর্থনীতিবিদ। সাবেক উপাচার্য, ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ (ইউজিভি) সাবেক মহাপরিচালক, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)

এই বিভাগের আরও খবর
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে কুমিরের হামলায় নারী জেলে নিহত
সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে কুমিরের হামলায় নারী জেলে নিহত

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ফুলবাড়ীতে মাদকবিরোধী র‌্যালি ও সমাবেশ
ফুলবাড়ীতে মাদকবিরোধী র‌্যালি ও সমাবেশ

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পটুয়াখালীতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে দুই শ্রমিকের মৃত্যু
পটুয়াখালীতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বেনাপোলে অস্ত্রসহ আটক দুই
বেনাপোলে অস্ত্রসহ আটক দুই

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে অটোরিকশাচালক হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে আগুন
বরিশালে অটোরিকশাচালক হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে আগুন

২৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর
সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর

২৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

আমিই বস, ম্যাক্রোঁ-মেলোনিদের সামনে ঘোষণা ট্রাম্পের
আমিই বস, ম্যাক্রোঁ-মেলোনিদের সামনে ঘোষণা ট্রাম্পের

৪৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরও এক লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল নিয়ে জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
আরও এক লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল নিয়ে জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে

৫০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চট্টগ্রামে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল গরু ব্যবসায়ীর
চট্টগ্রামে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল গরু ব্যবসায়ীর

৫০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সুন্দরবনে মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন ৫ অপহৃত জেলে
সুন্দরবনে মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন ৫ অপহৃত জেলে

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৫২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ইরাকের গোল নায়ক আয়মেনের অবিশ্বাস্য ইতিহাস
ইরাকের গোল নায়ক আয়মেনের অবিশ্বাস্য ইতিহাস

৫৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের মাঝে বিনামূল্য কৃষি উপকরণ বিতরণ
নোয়াখালীতে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের মাঝে বিনামূল্য কৃষি উপকরণ বিতরণ

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কারাভোগ শেষে ৩ বছর পর ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৬ নারী
কারাভোগ শেষে ৩ বছর পর ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৬ নারী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেক এমপি খালেদা রব্বানীর বাসায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী
সাবেক এমপি খালেদা রব্বানীর বাসায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিলেন বের্নার্দো সিলভা
রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিলেন বের্নার্দো সিলভা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রে ৫৮০৭ প্রবাসীর কাছে এনআইডি পাঠাচ্ছে ইসি
যুক্তরাষ্ট্রে ৫৮০৭ প্রবাসীর কাছে এনআইডি পাঠাচ্ছে ইসি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিছু কাজ বাজেটের দোহাই দিয়ে পার পাওয়া যাবে না: আব্দুস সালাম
কিছু কাজ বাজেটের দোহাই দিয়ে পার পাওয়া যাবে না: আব্দুস সালাম

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফসলি জমির মাটি কাটার দায়ে লাখ টাকা জরিমানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফসলি জমির মাটি কাটার দায়ে লাখ টাকা জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে মেসির স্পষ্ট বার্তা
২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে মেসির স্পষ্ট বার্তা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আরও ৩ দেশে ফ্রিজ ও এসি রপ্তানি শুরু করলো ‘ভিশন’
আরও ৩ দেশে ফ্রিজ ও এসি রপ্তানি শুরু করলো ‘ভিশন’

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

হাবিপ্রবিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বিষয়ে সিম্পোজিয়াম
হাবিপ্রবিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বিষয়ে সিম্পোজিয়াম

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের
ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘মেক্সিকান ওয়াল’ ওচোয়ার অবসরের ঘোষণা
‘মেক্সিকান ওয়াল’ ওচোয়ার অবসরের ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির জন্য ইরানকে বিমানভর্তি অর্থ ঘুষ দিয়েছিলেন ওবামা, বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের
চুক্তির জন্য ইরানকে বিমানভর্তি অর্থ ঘুষ দিয়েছিলেন ওবামা, বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে টুম্পার নির্দেশনায় মামুনুর রশীদের নাটক ‘অমানুষ’
যুক্তরাষ্ট্রে টুম্পার নির্দেশনায় মামুনুর রশীদের নাটক ‘অমানুষ’

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

একইদিনে বিশ্বকাপের চার ম্যাচে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড
একইদিনে বিশ্বকাপের চার ম্যাচে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদে সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন চাইলেন জামায়াত এমপি
সংসদে সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন চাইলেন জামায়াত এমপি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্তুগালের সঙ্গে ভিসা মওকুফ চুক্তি সৌদির
পর্তুগালের সঙ্গে ভিসা মওকুফ চুক্তি সৌদির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তির শর্তাবলী কেন প্রকাশ করা হচ্ছে না, যা বললেন ভ্যান্স
ইরান চুক্তির শর্তাবলী কেন প্রকাশ করা হচ্ছে না, যা বললেন ভ্যান্স

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
‘ইরান চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখ্যান করল যুক্তরাষ্ট্র’
‘ইরান চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখ্যান করল যুক্তরাষ্ট্র’

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে রেকর্ডটা বাকি ছিল, সেটাও ছুঁয়ে ফেললেন মেসি
যে রেকর্ডটা বাকি ছিল, সেটাও ছুঁয়ে ফেললেন মেসি

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপ্পের মনটাই খারাপ করে দিলেন মেসি!
এমবাপ্পের মনটাই খারাপ করে দিলেন মেসি!

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেপালের বোর্ডিং পাসে ইতালি যাত্রা, বিমানের কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
নেপালের বোর্ডিং পাসে ইতালি যাত্রা, বিমানের কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ইসরায়েল ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনও অস্তিত্ব নেই’— ট্রাম্পকে কটাক্ষ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের
‘ইসরায়েল ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনও অস্তিত্ব নেই’— ট্রাম্পকে কটাক্ষ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হ্যাটট্রিকে ক্লোসাকে ছুঁলেন মেসি, উড়ছে আর্জেন্টিনা
হ্যাটট্রিকে ক্লোসাকে ছুঁলেন মেসি, উড়ছে আর্জেন্টিনা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শৈলকুপায় বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন
শৈলকুপায় বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আনচেলত্তির কৌশল বদল, ব্রাজিল একাদশে বড় পরিবর্তন
আনচেলত্তির কৌশল বদল, ব্রাজিল একাদশে বড় পরিবর্তন

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেখে নিন মেসির হ্যাটট্রিক (ভিডিও)
দেখে নিন মেসির হ্যাটট্রিক (ভিডিও)

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিপক্ষ নয়, বিশ্বকাপে জার্মানির বড় আতঙ্ক এখন ‘বিষাক্ত সাপ’
প্রতিপক্ষ নয়, বিশ্বকাপে জার্মানির বড় আতঙ্ক এখন ‘বিষাক্ত সাপ’

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষকের মায়ের পাশে মার্কিন প্রশাসন
কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষকের মায়ের পাশে মার্কিন প্রশাসন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমরাই মেসিকে সুযোগ করে দিয়েছি: আলজেরিয়া কোচ
আমরাই মেসিকে সুযোগ করে দিয়েছি: আলজেরিয়া কোচ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোল, রেকর্ড, প্রতিশোধ সব একসঙ্গে: ম্যাচ জিতল ফ্রান্স
গোল, রেকর্ড, প্রতিশোধ সব একসঙ্গে: ম্যাচ জিতল ফ্রান্স

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রেকর্ড ভেঙে ফ্রান্সের চূড়ায়, এখনও ফুরোয়নি ‘প্রজেক্ট এমবাপ্পে’র ক্ষুধা
রেকর্ড ভেঙে ফ্রান্সের চূড়ায়, এখনও ফুরোয়নি ‘প্রজেক্ট এমবাপ্পে’র ক্ষুধা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যখন নগরপিতাই নগরখেকো
যখন নগরপিতাই নগরখেকো

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেসি এই গ্রহের বাসিন্দা নন, মুগ্ধ  কিংবদন্তিরা ভাসাচ্ছেন প্রশংসায়
মেসি এই গ্রহের বাসিন্দা নন, মুগ্ধ  কিংবদন্তিরা ভাসাচ্ছেন প্রশংসায়

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসির গোলে বাংলাদেশের উৎসব পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমে
মেসির গোলে বাংলাদেশের উৎসব পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমে

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঝিনাইদহে অত্যাধুনিক কসাইখানার উদ্বোধন
ঝিনাইদহে অত্যাধুনিক কসাইখানার উদ্বোধন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত নয়, প্রয়োজনে আবারও ‘বোমা ফেলার’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
ইরানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত নয়, প্রয়োজনে আবারও ‘বোমা ফেলার’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিনি মানলেন মেসিই সর্বকালের সেরা
তিনি মানলেন মেসিই সর্বকালের সেরা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৩০০ বিলিয়ন ডলারের ফান্ড নয়, ইরানে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র
৩০০ বিলিয়ন ডলারের ফান্ড নয়, ইরানে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রেকর্ডের রাতে এমবাপে, মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস ফরাসি তারকার
রেকর্ডের রাতে এমবাপে, মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস ফরাসি তারকার

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাতে বিশ্বকাপ মিশন শুরু পর্তুগালের, নেতৃত্বে রোনালদো
রাতে বিশ্বকাপ মিশন শুরু পর্তুগালের, নেতৃত্বে রোনালদো

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লেবাননে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহুর ওপর চটলেন ট্রাম্প
লেবাননে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহুর ওপর চটলেন ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসি ৩-০ আলজেরিয়া; আর্জেন্টিনার দারুণ সূচনা
মেসি ৩-০ আলজেরিয়া; আর্জেন্টিনার দারুণ সূচনা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোল করে কেন কাঁদলেন, জানালেন মেসি
গোল করে কেন কাঁদলেন, জানালেন মেসি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক গোলেই দুই ইতিহাস, চার গোলে বিশ্বসেরা: রেকর্ড ভাঙার দৌড়ে এমবাপ্পে
এক গোলেই দুই ইতিহাস, চার গোলে বিশ্বসেরা: রেকর্ড ভাঙার দৌড়ে এমবাপ্পে

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২৩৭ কলেজ অধ্যক্ষকে শোকজ
২৩৭ কলেজ অধ্যক্ষকে শোকজ

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

দেশে প্রথমবার ‘মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল’ করতে যাচ্ছে সরকার : মন্ত্রিপরিষদ সচিব
দেশে প্রথমবার ‘মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল’ করতে যাচ্ছে সরকার : মন্ত্রিপরিষদ সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এমবাপ্পে ফ্রান্সের সর্বকালের সেরা গোলদাতা হয়ে ওঠার গল্প
এমবাপ্পে ফ্রান্সের সর্বকালের সেরা গোলদাতা হয়ে ওঠার গল্প

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সচল হচ্ছে অচল আট বিমানবন্দর
সচল হচ্ছে অচল আট বিমানবন্দর

পেছনের পৃষ্ঠা

পিলারের নিচের মাটি বিক্রি ঝুঁকিতে পদ্মা রেলসেতু
পিলারের নিচের মাটি বিক্রি ঝুঁকিতে পদ্মা রেলসেতু

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শিশুর লাশ উদ্ধার ঘিরে রণক্ষেত্র ফলিমারী
শিশুর লাশ উদ্ধার ঘিরে রণক্ষেত্র ফলিমারী

প্রথম পৃষ্ঠা

মুশফিকুলকে দেখতে হাসপাতালে সেনাপ্রধান
মুশফিকুলকে দেখতে হাসপাতালে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

নিয়ন্ত্রণে আসছে না আইনশৃঙ্খলা
নিয়ন্ত্রণে আসছে না আইনশৃঙ্খলা

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন কাঠামোয় কর বাড়ার শঙ্কা চাকরিজীবীদের
নতুন কাঠামোয় কর বাড়ার শঙ্কা চাকরিজীবীদের

পেছনের পৃষ্ঠা

অনলাইন জুয়ার ফাঁদে সিলেট
অনলাইন জুয়ার ফাঁদে সিলেট

নগর জীবন

ছিনতাইকারীর হামলায় আহত ওসি এসআই
ছিনতাইকারীর হামলায় আহত ওসি এসআই

প্রথম পৃষ্ঠা

পচা শামুকে পা কাটার ভয় রোনালদোদের!
পচা শামুকে পা কাটার ভয় রোনালদোদের!

প্রথম পৃষ্ঠা

গাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা প্রধান শিক্ষকের
গাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা প্রধান শিক্ষকের

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্রাজিল আর্জেন্টিনা ও ফুটবল রাজনীতি
ব্রাজিল আর্জেন্টিনা ও ফুটবল রাজনীতি

সম্পাদকীয়

আসছে দেড় লাখ কোটি টাকার ৩৮ প্রকল্প
আসছে দেড় লাখ কোটি টাকার ৩৮ প্রকল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রেমের টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চীনা যুবক
প্রেমের টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চীনা যুবক

পেছনের পৃষ্ঠা

বেনজীরকে ফেরত চেয়ে আমিরাতকে দুদকের চিঠি
বেনজীরকে ফেরত চেয়ে আমিরাতকে দুদকের চিঠি

প্রথম পৃষ্ঠা

রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে আরও ১০ জেলা
রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে আরও ১০ জেলা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রিকেটারদেরই সব কৃতিত্ব : তামিম
ক্রিকেটারদেরই সব কৃতিত্ব : তামিম

মাঠে ময়দানে

রাজশাহীর আমে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত
রাজশাহীর আমে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত

পেছনের পৃষ্ঠা

বড় বাজেটেও বঞ্চনায় রংপুর
বড় বাজেটেও বঞ্চনায় রংপুর

নগর জীবন

আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকত না
আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকত না

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের
ডিজিটাল চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিনিয়োগ বাড়াতে চার কৌশল
বিনিয়োগ বাড়াতে চার কৌশল

পেছনের পৃষ্ঠা

পচন ধরেছে সামাজিক গ্রন্থিতে
পচন ধরেছে সামাজিক গ্রন্থিতে

সম্পাদকীয়

ঝুলে আছে রিজার্ভ চুরি মামলার চার্জশিট
ঝুলে আছে রিজার্ভ চুরি মামলার চার্জশিট

নগর জীবন

ডা. নাফিসার মৃত্যুতে স্বামী-শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা
ডা. নাফিসার মৃত্যুতে স্বামী-শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা

নগর জীবন

দিল্লিতে আমার সঙ্গে ব্যবহার যথাযথ হয়নি
দিল্লিতে আমার সঙ্গে ব্যবহার যথাযথ হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

মেঘনার ভাঙন রোধের দাবিতে পাউবো ঘেরাও সড়ক অবরোধ
মেঘনার ভাঙন রোধের দাবিতে পাউবো ঘেরাও সড়ক অবরোধ

দেশগ্রাম

৩১ বছর পর ফেরদৌস আরা
৩১ বছর পর ফেরদৌস আরা

শোবিজ

পবিত্র আশুরা ২৬ জুন
পবিত্র আশুরা ২৬ জুন

প্রথম পৃষ্ঠা