শিরোনাম
প্রকাশ: ২২:২১, সোমবার, ০১ জুন, ২০২৬ আপডেট: ০১:১৫, মঙ্গলবার, ০২ জুন, ২০২৬

শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি (অব.)
অনলাইন ভার্সন
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকীর দিনটি বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে এক গভীর বেদনাবিধুর, আত্মসমীক্ষা এবং এক অপূরণীয় রাজনৈতিক ক্ষতির দিন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে শুধু একজন রাষ্ট্রপতির শাহাদত দিবস নয়; এটি এমন একজন রাষ্ট্রনায়কের মহাপ্রয়াণের দিন; যিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত, রাজনৈতিক অস্থিরতায় আক্রান্ত, অর্থনৈতিকভাবে ধসে পড়া সংকটাপন্ন বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে নিজেকে নিবেদিত করেছিলেন। জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা, একজন সৈনিক, একজন সংগঠক, একজন রাষ্ট্রনায়ক এবং সর্বোপরি জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনকারী এক ব্যতিক্রমী নেতা। তাঁর জীবন, কর্ম ও শাহাদত বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন এক উদাহরণ সৃষ্টি করেছে যা আজও জাতীয়তাবাদী রাজনীতি, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনসম্পৃক্ত উন্নয়ন এবং রাষ্ট্রের মর্যাদাশীল অবস্থানের আলোচনায় প্রাসঙ্গিক।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাষ্ট্রকে একটি স্থিতিশীল, কার্যকর ও গণতান্ত্রিক কাঠামোয় উন্নীত করাই ছিল সবচেয়ে বড় কঠিন কাজ। যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি, খাদ্যসংকট, প্রশাসনিক দুর্বলতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক বাস্তবতার আবর্তে নবীন রাষ্ট্রটি কঠিন পরীক্ষার মুখে অবতীর্ণ হয়। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক ক্ষমতা এককেন্দ্রীকরণ, স্বাধীন মতপ্রকাশে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ এবং একদলীয় শাসনব্যবস্থার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সম্ভাবনাকে ক্রমশ সংকুচিত করতে থাকে। ইতিহাসের এই অগ্নিগর্ভ সময়ে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যখন জনগণ ছিল অনিশ্চয়তায় তাড়িত, রাষ্ট্রযন্ত্র ছিল দুর্বল এবং আস্থার সংকটে ধুঁকছিল দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন।

জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলেন, যেখানে জাতীয়তাবাদ, উৎপাদন, উন্নয়ন, স্বনির্ভরতা, জনগণের ক্ষমতায়ন এবং রাষ্ট্রের স্বাধীন মর্যাদা প্রমুখ বিষয়কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দর্শন নির্মিত হয়। তাঁর রাজনীতি কোনো সংকীর্ণ গোষ্ঠীভিত্তিক রাজনীতি ছিল না, বরং তিনি সমাজের নানা শ্রেণি, পেশা ও মতের মানুষকে রাষ্ট্র নির্মাণের অংশীদার হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন। বহুদলীয় রাজনীতির পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি জনগণকে আবার রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার কেন্দ্রে ফিরিয়ে আনেন। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশে যে গণতান্ত্রিক ধারা শুরু হয়, সেটি শুধু সাংবিধানিক বা নির্বাচনী ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং তিনি রাজনীতিকে জনগণের জীবনযাত্রার দৈনন্দিনতার সঙ্গে যুক্ত করতে চেয়েছিলেন। তাঁর কাছে রাজনীতি ছিল মানুষের খাদ্য, কর্মসংস্থান, কৃষি, শিক্ষা, উৎপাদন, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং আত্মমর্যাদার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বাস্তবধর্মী প্রক্রিয়া। তিনি বিশ্বাস করতেন, রাষ্ট্র যদি জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে না পারে, তবে সেই রাষ্ট্রের রাজনৈতিক কাঠামো কখনোই পূর্ণতা পায় না।

জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রচিন্তায় উন্নয়ন ও জাতীয়তাবাদ ছিল একে অপরের পরিপূরক। তিনি খাদ্য উৎপাদনকে জাতীয় নিরাপত্তার অংশ হিসেবে নিরূপণ করেছিলেন। গ্রামীণ উন্নয়নকে শুধু অর্থনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্রের সামাজিক ভিত্তি শক্তিশালী করার উপায় হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন। প্রশাসনিক শৃঙ্খলাকে তিনি শুধু নিয়ন্ত্রণের বিষয় হিসেবে দেখেননি, বরং রাষ্ট্রকে কার্যকর করার উপায় হিসেবে দেখেছিলেন। তাঁর রাজনীতির মূল সূত্র ছিল—রাষ্ট্র জনগণের জন্য, জনগণ রাষ্ট্রের শক্তি, আর জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া উন্নয়ন একটি অসম্ভব বিষয়। জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতিতে আত্মসমর্পণের ভীরুতা ছিল না, আবার অযৌক্তিক সংঘাতের প্রবণতাও তিনি ধারণ করেননি। তিনি চেয়েছিলেন বাংলাদেশ আত্মমর্যাদার সঙ্গে সবার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখুক, বাস্তবতার ভিত্তিতে বন্ধুত্বের মেলবন্ধন গড়ুক এবং জাতীয় স্বার্থকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান সুসংহত করুক। আজকের জটিল ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় তাঁর এই চিন্তা আরও অধিকতর প্রাসঙ্গিক। কারণ একটি রাষ্ট্রের স্বাধীনতা কেবলমাত্র ভৌগোলিক সীমান্তের নিরিখে রচিত হয় না, বরং সেটি কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত, অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরতা এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার সক্ষমতার মেলবন্ধনে নিহিত।

তাঁর শাহাদত বাংলাদেশের জন্য ছিল এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর মতো একজন রাষ্ট্রনায়কের মৃত্যু শুধু একজন ব্যক্তির মৃত্যু নয়, বিশেষ করে যখন কিনা তিনি রাষ্ট্রনির্মাণের একটি চলমান প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে তাঁর শাহাদত বাংলাদেশের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতার ওপর গভীর আঘাত হানে, কেননা রাষ্ট্রকে তিনি স্থিতিশীলতা, উৎপাদনশীলতা, মুক্ত গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক ভারসাম্যের পথে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তাঁর আকস্মিক প্রয়াণ সেই ধারাবাহিকতাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। জিয়াউর রহমানের জানাজায় লক্ষ লক্ষ মানুষের অংশগ্রহণ তাঁর জনপ্রিয়তা ও জনগণের তাঁর প্রতি ভালোবাসার এক ঐতিহাসিক প্রকাশ। দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এগিয়ে আসে। একজন নেতার প্রকৃত মূল্যায়ন অনেক সময় তাঁর মৃত্যুর পর জনগণের শ্রদ্ধানিবেদন ও হাহাকারের ভেতর দিয়ে প্রকাশিত হয়। ক্ষমতার আসন, রাষ্ট্রের পদমর্যাদা বা আনুষ্ঠানিক সম্মান দিয়ে মানুষের ভালোবাসা তৈরি করা যায় না। মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে হয় সততা, কর্ম, সাহস, ন্যায়পরায়ণতা এবং জনগণের পাশে থাকার মাধ্যমে। জিয়াউর রহমান সেই স্থান খুব সফলভাবেই অর্জন করেছিলেন।

তাঁর নামাজে জানাজায় উপস্থিত জনসমুদ্র প্রমাণ করে যে তিনি মাত্র রাষ্ট্রপতি ছিলেন না; তিনি জনমানুষের নেতা ছিলেন। তাঁর প্রতি মানুষের আকর্ষণ শুধু ক্ষমতার কারণে ছিল না, ছিল আস্থার কারণে। সাধারণ মানুষ তাঁকে বিশ্বাস করেছিল একজন সৎ, সরল, কর্মঠ ও দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে। তিনি বিলাসী জীবনযাপন করতেন না; তিনি মাঠকেন্দ্রিক, কর্মমুখী ও জনগণঘনিষ্ঠ নেতা ছিলেন। এসব কারণেই তাঁর মৃত্যু সাধারণ মানুষের নিকট ছিল স্বজন হারানোর শোকের মতো। একজন সৎ রাষ্ট্রনায়ক ক্ষমতাকে ব্যক্তিগত সম্পদে রূপান্তর করেন না; ক্ষমতাকে তিনি জাতির সেবার দায়িত্ব প্রতিপালনের সুযোগ বলে বিবেচনা করেন। জিয়াউর রহমানের ক্ষেত্রে এই দায়িত্ববোধ সুস্পষ্ট ছিল। তিনি রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত আনুগত্যের ওপর দাঁড় করাতে চাননি; তিনি রাষ্ট্রকে প্রতিষ্ঠান, শৃঙ্খলা, উৎপাদন এবং জনগণের অংশগ্রহণের ওপর দাঁড় করাতে চেয়েছিলেন। তাঁর ন্যায়পরায়ণতার দৃষ্টিভঙ্গি ছিল রাষ্ট্রের ভেতরে ভারসাম্য তৈরির, সমাজের নানা অংশকে অন্তর্ভুক্ত করার এবং বহুদলীয় রাজনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করার প্রয়াস।

তিনি কর্মীবান্ধব নেতা ছিলেন, কারণ তিনি মাঠকর্মীর গুরুত্ব বুঝতেন। তিনি জানতেন কোনো রাজনৈতিক আদর্শ শুধু শীর্ষ নেতৃত্ব দিয়ে টিকে থাকে না; আদর্শ টিকে থাকে কর্মীদের শ্রম, ত্যাগ ও বিশ্বাসের ওপর। আবার তিনি শুধু দলীয় কর্মীদের কথা ভাবেননি; তিনি কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, শিক্ষক, সৈনিক, সরকারি কর্মকর্তা—সবাইকে রাষ্ট্রনির্মাণের অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করেছেন। এই দৃষ্টিভঙ্গিই তাঁর রাজনীতিকে বিস্তৃত সামাজিক ভিত্তি দিয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মহাপ্রয়াণ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গভীর শূন্যতা সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু তাঁর আদর্শ, তাঁর কর্মধারা এবং তাঁর রাজনৈতিক উত্তরাধিকার আজও প্রবহমান। তিনি বাংলাদেশকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছিলেন, জনগণকেন্দ্রিক রাজনীতির ধারা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, রাষ্ট্রকে উৎপাদনমুখী ও আত্মনির্ভর করার ডাক দিয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনি বাংলাদেশের মর্যাদাশীল অবস্থানের কথা ভেবেছিলেন এবং জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্রচিন্তাকে সুসংহত করতে চেয়েছিলেন। তাঁর শাহাদত প্রমাণ করে যে সত্যিকারের নেতৃত্ব কখনো শুধু জীবদ্দশায় সীমাবদ্ধ থাকে না। একজন নেতা যদি জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিতে পারেন, তবে তাঁর শাহাদত তাঁকে ইতিহাস থেকে মুছে দেয় না; বরং তাঁকে জাতিসত্তার সাথে আরও গভীরভাবে প্রোথিত করে। জিয়াউর রহমান সেই বিরল রাষ্ট্রনায়কদের একজন, যিনি মৃত্যুর পরও বাংলাদেশের রাজনীতি, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ এবং জনগণকেন্দ্রিক রাষ্ট্রচিন্তায় সমকালীন ও প্রাসঙ্গিক।

১৯৮১ সালের ৩০ মে তাই আমাদের কাছে কেবল শোকের দিন নয়; বরং এটি অঙ্গীকারের দিন। গণতন্ত্রের পক্ষে অঙ্গীকার, জনগণের রাজনীতির পক্ষে অঙ্গীকার, জাতীয় স্বার্থ রক্ষার অঙ্গীকার, সৎ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার এবং আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশের পক্ষে অঙ্গীকার। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন ও শাহাদত আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক জনগণ, গণতন্ত্রের প্রকৃত ভিত্তি বহুমত, উন্নয়নের প্রকৃত শক্তি উৎপাদন, আর নেতৃত্বের প্রকৃত সৌন্দর্য সততা ও কর্ম। বাংলাদেশের মাটি, মানুষ, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও জাতীয় মর্যাদার ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর শাহাদত জাতির জন্য বেদনাবিধুর হলেও, তাঁর জাতীয়তাবাদের উত্তরাধিকার জাতির জন্য প্রেরণা। তিনি ছিলেন সত্যিকারের সৎ, ন্যায়পরায়ণ, কর্মীবান্ধব ও জনগণমুখী রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর মহাপ্রয়াণ তাই শেষ নয়, বরং একটি অমর রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের প্রবহমানতা, যা কিনা প্রজন্মের পর প্রজন্ম বাংলাদেশকে গণতন্ত্র, জাতীয় স্বার্থ, আত্মনির্ভরতা ও জনগণের মর্যাদার পথে এগিয়ে যেতে সর্বদা অনুপ্রাণিত করবে।

লেখক: মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

এই বিভাগের আরও খবর
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
ফুলবাড়ীতে মাদকবিরোধী র‌্যালি ও সমাবেশ
ফুলবাড়ীতে মাদকবিরোধী র‌্যালি ও সমাবেশ

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

পটুয়াখালীতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে দুই শ্রমিকের মৃত্যু
পটুয়াখালীতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বেনাপোলে অস্ত্রসহ আটক দুই
বেনাপোলে অস্ত্রসহ আটক দুই

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে অটোরিকশাচালক হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে আগুন
বরিশালে অটোরিকশাচালক হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িতে আগুন

২১ মিনিট আগে | নগর জীবন

সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর
সিলেটে হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর

২৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

আমিই বস, ম্যাক্রোঁ-মেলোনিদের সামনে ঘোষণা ট্রাম্পের
আমিই বস, ম্যাক্রোঁ-মেলোনিদের সামনে ঘোষণা ট্রাম্পের

৪৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরও এক লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল নিয়ে জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
আরও এক লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল নিয়ে জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে

৪৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চট্টগ্রামে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল গরু ব্যবসায়ীর
চট্টগ্রামে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল গরু ব্যবসায়ীর

৪৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সুন্দরবনে মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন ৫ অপহৃত জেলে
সুন্দরবনে মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন ৫ অপহৃত জেলে

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৫০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ইরাকের গোল নায়ক আয়মেনের অবিশ্বাস্য ইতিহাস
ইরাকের গোল নায়ক আয়মেনের অবিশ্বাস্য ইতিহাস

৫৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের মাঝে বিনামূল্য কৃষি উপকরণ বিতরণ
নোয়াখালীতে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের মাঝে বিনামূল্য কৃষি উপকরণ বিতরণ

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কারাভোগ শেষে ৩ বছর পর ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৬ নারী
কারাভোগ শেষে ৩ বছর পর ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৬ নারী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেক এমপি খালেদা রব্বানীর বাসায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী
সাবেক এমপি খালেদা রব্বানীর বাসায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিলেন বের্নার্দো সিলভা
রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিলেন বের্নার্দো সিলভা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রে ৫৮০৭ প্রবাসীর কাছে এনআইডি পাঠাচ্ছে ইসি
যুক্তরাষ্ট্রে ৫৮০৭ প্রবাসীর কাছে এনআইডি পাঠাচ্ছে ইসি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিছু কাজ বাজেটের দোহাই দিয়ে পার পাওয়া যাবে না: আব্দুস সালাম
কিছু কাজ বাজেটের দোহাই দিয়ে পার পাওয়া যাবে না: আব্দুস সালাম

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফসলি জমির মাটি কাটার দায়ে লাখ টাকা জরিমানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফসলি জমির মাটি কাটার দায়ে লাখ টাকা জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে মেসির স্পষ্ট বার্তা
২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে মেসির স্পষ্ট বার্তা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আরও ৩ দেশে ফ্রিজ ও এসি রপ্তানি শুরু করলো ‘ভিশন’
আরও ৩ দেশে ফ্রিজ ও এসি রপ্তানি শুরু করলো ‘ভিশন’

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

হাবিপ্রবিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বিষয়ে সিম্পোজিয়াম
হাবিপ্রবিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বিষয়ে সিম্পোজিয়াম

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের
ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘মেক্সিকান ওয়াল’ ওচোয়ার অবসরের ঘোষণা
‘মেক্সিকান ওয়াল’ ওচোয়ার অবসরের ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির জন্য ইরানকে বিমানভর্তি অর্থ ঘুষ দিয়েছিলেন ওবামা, বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের
চুক্তির জন্য ইরানকে বিমানভর্তি অর্থ ঘুষ দিয়েছিলেন ওবামা, বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে টুম্পার নির্দেশনায় মামুনুর রশীদের নাটক ‘অমানুষ’
যুক্তরাষ্ট্রে টুম্পার নির্দেশনায় মামুনুর রশীদের নাটক ‘অমানুষ’

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

একইদিনে বিশ্বকাপের চার ম্যাচে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড
একইদিনে বিশ্বকাপের চার ম্যাচে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদে সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন চাইলেন জামায়াত এমপি
সংসদে সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন চাইলেন জামায়াত এমপি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্তুগালের সঙ্গে ভিসা মওকুফ চুক্তি সৌদির
পর্তুগালের সঙ্গে ভিসা মওকুফ চুক্তি সৌদির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তির শর্তাবলী কেন প্রকাশ করা হচ্ছে না, যা বললেন ভ্যান্স
ইরান চুক্তির শর্তাবলী কেন প্রকাশ করা হচ্ছে না, যা বললেন ভ্যান্স

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কঙ্গোর বিপক্ষে মাঠে নামলেই যে রেকর্ড গড়বেন রোনালদো
কঙ্গোর বিপক্ষে মাঠে নামলেই যে রেকর্ড গড়বেন রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
‘ইরান চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখ্যান করল যুক্তরাষ্ট্র’
‘ইরান চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখ্যান করল যুক্তরাষ্ট্র’

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে রেকর্ডটা বাকি ছিল, সেটাও ছুঁয়ে ফেললেন মেসি
যে রেকর্ডটা বাকি ছিল, সেটাও ছুঁয়ে ফেললেন মেসি

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপ্পের মনটাই খারাপ করে দিলেন মেসি!
এমবাপ্পের মনটাই খারাপ করে দিলেন মেসি!

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেপালের বোর্ডিং পাসে ইতালি যাত্রা, বিমানের কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
নেপালের বোর্ডিং পাসে ইতালি যাত্রা, বিমানের কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ইসরায়েল ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনও অস্তিত্ব নেই’— ট্রাম্পকে কটাক্ষ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের
‘ইসরায়েল ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনও অস্তিত্ব নেই’— ট্রাম্পকে কটাক্ষ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হ্যাটট্রিকে ক্লোসাকে ছুঁলেন মেসি, উড়ছে আর্জেন্টিনা
হ্যাটট্রিকে ক্লোসাকে ছুঁলেন মেসি, উড়ছে আর্জেন্টিনা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শৈলকুপায় বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন
শৈলকুপায় বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আনচেলত্তির কৌশল বদল, ব্রাজিল একাদশে বড় পরিবর্তন
আনচেলত্তির কৌশল বদল, ব্রাজিল একাদশে বড় পরিবর্তন

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেখে নিন মেসির হ্যাটট্রিক (ভিডিও)
দেখে নিন মেসির হ্যাটট্রিক (ভিডিও)

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিপক্ষ নয়, বিশ্বকাপে জার্মানির বড় আতঙ্ক এখন ‘বিষাক্ত সাপ’
প্রতিপক্ষ নয়, বিশ্বকাপে জার্মানির বড় আতঙ্ক এখন ‘বিষাক্ত সাপ’

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষকের মায়ের পাশে মার্কিন প্রশাসন
কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষকের মায়ের পাশে মার্কিন প্রশাসন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমরাই মেসিকে সুযোগ করে দিয়েছি: আলজেরিয়া কোচ
আমরাই মেসিকে সুযোগ করে দিয়েছি: আলজেরিয়া কোচ

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোল, রেকর্ড, প্রতিশোধ সব একসঙ্গে: ম্যাচ জিতল ফ্রান্স
গোল, রেকর্ড, প্রতিশোধ সব একসঙ্গে: ম্যাচ জিতল ফ্রান্স

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রেকর্ড ভেঙে ফ্রান্সের চূড়ায়, এখনও ফুরোয়নি ‘প্রজেক্ট এমবাপ্পে’র ক্ষুধা
রেকর্ড ভেঙে ফ্রান্সের চূড়ায়, এখনও ফুরোয়নি ‘প্রজেক্ট এমবাপ্পে’র ক্ষুধা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যখন নগরপিতাই নগরখেকো
যখন নগরপিতাই নগরখেকো

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেসি এই গ্রহের বাসিন্দা নন, মুগ্ধ  কিংবদন্তিরা ভাসাচ্ছেন প্রশংসায়
মেসি এই গ্রহের বাসিন্দা নন, মুগ্ধ  কিংবদন্তিরা ভাসাচ্ছেন প্রশংসায়

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসির গোলে বাংলাদেশের উৎসব পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমে
মেসির গোলে বাংলাদেশের উৎসব পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমে

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঝিনাইদহে অত্যাধুনিক কসাইখানার উদ্বোধন
ঝিনাইদহে অত্যাধুনিক কসাইখানার উদ্বোধন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত নয়, প্রয়োজনে আবারও ‘বোমা ফেলার’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
ইরানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত নয়, প্রয়োজনে আবারও ‘বোমা ফেলার’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিনি মানলেন মেসিই সর্বকালের সেরা
তিনি মানলেন মেসিই সর্বকালের সেরা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৩০০ বিলিয়ন ডলারের ফান্ড নয়, ইরানে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র
৩০০ বিলিয়ন ডলারের ফান্ড নয়, ইরানে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রেকর্ডের রাতে এমবাপে, মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস ফরাসি তারকার
রেকর্ডের রাতে এমবাপে, মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস ফরাসি তারকার

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাতে বিশ্বকাপ মিশন শুরু পর্তুগালের, নেতৃত্বে রোনালদো
রাতে বিশ্বকাপ মিশন শুরু পর্তুগালের, নেতৃত্বে রোনালদো

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লেবাননে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহুর ওপর চটলেন ট্রাম্প
লেবাননে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহুর ওপর চটলেন ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসি ৩-০ আলজেরিয়া; আর্জেন্টিনার দারুণ সূচনা
মেসি ৩-০ আলজেরিয়া; আর্জেন্টিনার দারুণ সূচনা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোল করে কেন কাঁদলেন, জানালেন মেসি
গোল করে কেন কাঁদলেন, জানালেন মেসি

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক গোলেই দুই ইতিহাস, চার গোলে বিশ্বসেরা: রেকর্ড ভাঙার দৌড়ে এমবাপ্পে
এক গোলেই দুই ইতিহাস, চার গোলে বিশ্বসেরা: রেকর্ড ভাঙার দৌড়ে এমবাপ্পে

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২৩৭ কলেজ অধ্যক্ষকে শোকজ
২৩৭ কলেজ অধ্যক্ষকে শোকজ

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

দেশে প্রথমবার ‘মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল’ করতে যাচ্ছে সরকার : মন্ত্রিপরিষদ সচিব
দেশে প্রথমবার ‘মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল’ করতে যাচ্ছে সরকার : মন্ত্রিপরিষদ সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এমবাপ্পে ফ্রান্সের সর্বকালের সেরা গোলদাতা হয়ে ওঠার গল্প
এমবাপ্পে ফ্রান্সের সর্বকালের সেরা গোলদাতা হয়ে ওঠার গল্প

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সচল হচ্ছে অচল আট বিমানবন্দর
সচল হচ্ছে অচল আট বিমানবন্দর

পেছনের পৃষ্ঠা

পিলারের নিচের মাটি বিক্রি ঝুঁকিতে পদ্মা রেলসেতু
পিলারের নিচের মাটি বিক্রি ঝুঁকিতে পদ্মা রেলসেতু

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শিশুর লাশ উদ্ধার ঘিরে রণক্ষেত্র ফলিমারী
শিশুর লাশ উদ্ধার ঘিরে রণক্ষেত্র ফলিমারী

প্রথম পৃষ্ঠা

মুশফিকুলকে দেখতে হাসপাতালে সেনাপ্রধান
মুশফিকুলকে দেখতে হাসপাতালে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

নিয়ন্ত্রণে আসছে না আইনশৃঙ্খলা
নিয়ন্ত্রণে আসছে না আইনশৃঙ্খলা

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন কাঠামোয় কর বাড়ার শঙ্কা চাকরিজীবীদের
নতুন কাঠামোয় কর বাড়ার শঙ্কা চাকরিজীবীদের

পেছনের পৃষ্ঠা

অনলাইন জুয়ার ফাঁদে সিলেট
অনলাইন জুয়ার ফাঁদে সিলেট

নগর জীবন

ছিনতাইকারীর হামলায় আহত ওসি এসআই
ছিনতাইকারীর হামলায় আহত ওসি এসআই

প্রথম পৃষ্ঠা

পচা শামুকে পা কাটার ভয় রোনালদোদের!
পচা শামুকে পা কাটার ভয় রোনালদোদের!

প্রথম পৃষ্ঠা

গাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা প্রধান শিক্ষকের
গাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা প্রধান শিক্ষকের

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্রাজিল আর্জেন্টিনা ও ফুটবল রাজনীতি
ব্রাজিল আর্জেন্টিনা ও ফুটবল রাজনীতি

সম্পাদকীয়

আসছে দেড় লাখ কোটি টাকার ৩৮ প্রকল্প
আসছে দেড় লাখ কোটি টাকার ৩৮ প্রকল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রেমের টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চীনা যুবক
প্রেমের টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চীনা যুবক

পেছনের পৃষ্ঠা

বেনজীরকে ফেরত চেয়ে আমিরাতকে দুদকের চিঠি
বেনজীরকে ফেরত চেয়ে আমিরাতকে দুদকের চিঠি

প্রথম পৃষ্ঠা

রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে আরও ১০ জেলা
রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে আরও ১০ জেলা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রিকেটারদেরই সব কৃতিত্ব : তামিম
ক্রিকেটারদেরই সব কৃতিত্ব : তামিম

মাঠে ময়দানে

রাজশাহীর আমে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত
রাজশাহীর আমে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত

পেছনের পৃষ্ঠা

বড় বাজেটেও বঞ্চনায় রংপুর
বড় বাজেটেও বঞ্চনায় রংপুর

নগর জীবন

আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকত না
আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকত না

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের
ডিজিটাল চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিনিয়োগ বাড়াতে চার কৌশল
বিনিয়োগ বাড়াতে চার কৌশল

পেছনের পৃষ্ঠা

পচন ধরেছে সামাজিক গ্রন্থিতে
পচন ধরেছে সামাজিক গ্রন্থিতে

সম্পাদকীয়

ঝুলে আছে রিজার্ভ চুরি মামলার চার্জশিট
ঝুলে আছে রিজার্ভ চুরি মামলার চার্জশিট

নগর জীবন

ডা. নাফিসার মৃত্যুতে স্বামী-শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা
ডা. নাফিসার মৃত্যুতে স্বামী-শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা

নগর জীবন

দিল্লিতে আমার সঙ্গে ব্যবহার যথাযথ হয়নি
দিল্লিতে আমার সঙ্গে ব্যবহার যথাযথ হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

মেঘনার ভাঙন রোধের দাবিতে পাউবো ঘেরাও সড়ক অবরোধ
মেঘনার ভাঙন রোধের দাবিতে পাউবো ঘেরাও সড়ক অবরোধ

দেশগ্রাম

৩১ বছর পর ফেরদৌস আরা
৩১ বছর পর ফেরদৌস আরা

শোবিজ

পবিত্র আশুরা ২৬ জুন
পবিত্র আশুরা ২৬ জুন

প্রথম পৃষ্ঠা