শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:০৯, বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬ আপডেট: ১০:১৩, বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!

অদিতি করিম
অনলাইন ভার্সন
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!

বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে ‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।’ কিন্তু আমরা কি সংবিধানের এই মৌলিক অধিকারের বিধান মানছি? এই দেশে কিছু মানুষ আছেন যারা আইন ও বিচারের ঊর্ধ্বে। ধরাছোঁয়ার বাইরে। তারা অপরাধ করলেও বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ান। আদালতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না। তাদের অপকর্মের প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত পর্যন্ত হয় না। সুশীল মুখোশ পরে এরা অনিয়ম করেন, কিন্তু কেউ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে না। সাম্প্রতিক সময়ে শিশুহত্যা নিয়ে আইনের বৈষম্য আমাদের চোখের সামনে উন্মোচিত হলো।

ঈদের আগের দিন রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। গোটা দেশ এই ঘটনায় শোকে স্তব্ধ হয়। সরকার এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার কথা রেখেছেন। ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত বৃহস্পতিবার হাসপাতালটির নির্বাহী পরিচালক ও স্বত্বাধিকারী শেখ মহিউদ্দীনকে পাঠানো এক চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পক্ষে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী শেখ মহিউদ্দীনকে চিঠিটি পাঠিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ)। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, লাইসেন্স বাতিলের পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে সরকারের কাছে আপনার আপিল বা পুনর্বিবেচনা করার আইনি সুযোগ রয়েছে।’

চিঠিটির বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ‘আদ্-দ্বীন হাসপাতাল, ২ বড় মগবাজার, ঢাকা-এর কারণ দর্শানোর জবাবের পরিপ্রেক্ষিতে প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।’ চিঠিতে বলা হয়, গত ২৭ মে ছয় নবজাতকের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় দ্য মেডিক্যাল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অধ্যাদেশ, ১৯৮২-এর ১১(১) ধারা অনুযায়ী গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৪ জুন এই হাসপাতালটির ‘লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না’ মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

পরে ৭ জুন বিকেল পাঁচটার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। সেই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে ৭ জুন আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কারণ দর্শানোর সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করলে এই সময়সীমা ৯ জুন বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত বাড়ানো হয়। বিষয়টি উল্লেখ করে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের স্বত্বাধিকারীকে চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘৯ জুন আপনার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে যে জবাব ও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তা কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক না হওয়ায় দ্য মেডিক্যাল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অধ্যাদেশ, ১৯৮২-এর ১১(২) (খ) ধারা অনুযায়ী আপনার হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হলো।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গৃহীত পদক্ষেপ ছাড়াও ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ মামলা করেছে। সেই মামলার তদন্ত চলছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর ঘটনা এটাই প্রথম নয়, কিন্তু অতীতে কখনও স্বাস্থ্য অধিদফতর কঠোর হতে পারেনি। এধরনের ঘটনার পর তদন্ত কমিটি হয়েছে, কিছুদিন হইচই হয়েছে, তারপর সবকিছু ধামাচাপা পড়ে গেছে। যারা বেসরকারি হাসপাতালের মালিক তারা প্রভাবশালী। যেকোন উপায়ে তারা সবকিছু ম‍্যানেজ করে নিয়েছেন। ফলে বেসরকারি হাসপাতালগুলো ক্রমশ স্বেচ্ছাচারী হয়ে গেছে। রোগীদের সেবা প্রদানের চেয়ে তারা মুনাফা লাভে বেশি ব্যস্ত। বেসরকারি হাসপাতালগুলো জবাবদিহিতার বাইরে চলে যায়। তাই আদ্-দ্বীন হাসপাতালের মতো একটি প্রভাবশালী বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে সরকার নিঃসন্দেহে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে। এটা শুধু আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নয়, যেসব বেসরকারি হাসপাতাল চিকিৎসার নামে প্রতারণা করে, জনগণকে হয়রানি করে তাদের সবার জন্য এটি সতর্কবার্তা। এজন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী একটি ধন্যবাদ পেতেই পারেন। তিনি শুরু থেকেই এই বিষয়ে সোচ্চার এবং সংবেদনশীল ছিলেন। আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে সরকারের সিদ্ধান্ত, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।

শুধু আদ্-দ্বীনের ঘটনা নয়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার বেশ কিছু দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে। পল্লবীর সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে ঢাকার একটি আদালত মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছে। মাত্র ছয় দিনের মধ্যে এই রায় বাংলাদেশে ন‍্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। গত ১৯শে মে সকালে পল্লবীর মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় নিজেদের বাসার পাশের ফ্ল্যাটের একটি কক্ষ থেকে রক্তাক্ত ও খণ্ডিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় শিশু রামিসার মৃতদেহ। এই রায় সারাদেশে শিশু হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনা কমাতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

কিন্তু সব ক্ষেত্রে কি সরকার আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে পারছে? এই প্রশ্ন উঠেছে কারণ, হামে শিশু মৃত্যুর মিছিল যখন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে তখনও সরকার দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারছে না। হামে শিশু মৃত্যু ছয়শ পেরিয়ে গেছে আরও আগে। বাংলাদেশে এভাবে এত শিশুর মৃত্যু আগে কখনও ঘটেনি। সবাই জানে, কেন এই মৃত্যু। এনিয়ে সব গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। হামে শিশু মৃত্যুর ঘটনা কোন স্বাস্থ্য সমস্যা নয়, এটি বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সীমাহীন গাফিলতির একটি উদাহরণ মাত্র। ইউনিসেফের সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটি প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, ইউনিসেফ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে লেখা অন্তত পাঁচটি চিঠিতে সম্ভাব্য টিকা–সংকটের কথা বলে সতর্ক করেছিল। তারা ১০টি মিটিংয়ে সরকারের কর্মকর্তাদের কাছে একই কথা জানিয়েছিল। ইউনিসেফ মনে করে, অন্তর্বর্তী সরকার টিকা ক্রয়প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনায় দেশে সময়মতো টিকা আসেনি। এটি প্রমাণ করে এই শিশুদের আসলে হত্যা করা হয়েছে। যে হত্যার দায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং তার স্বাস্থ্য উপদেষ্টার।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সবাই একাধিক বক্তৃতায় বলেছেন, সাবেক সরকারের অবহেলায় কারণে এই বিপর্যয় ঘটেছে। কিন্তু সরকার এখন পর্যন্ত, এই ঘটনায় একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করেনি।

অনেক অভিভাবক ও সচেতন নাগরিক, এনিয়ে মামলা দায়ের করার উদ্যোগ নেন কিন্তু তাদের মামলা আদালত গ্রহণ করেনি। সর্বশেষ এ বিষয়ে মামলার আবেদন করেছিলেন একজন জনপ্রতিনিধি। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে মামলার আবেদন করেন কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় ব্যর্থতা ও মৃত্যুর ঘটনায় বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের এই আবেদনটি খারিজ করে দেয়া হয়।

এর আগে, সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বে ব্যর্থতা অনুসন্ধানে একটি ইনকোয়ারি কমিশন গঠন কেন করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। গত ১৯ মে জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দিয়েছিলেন।

রুলে কেবিনেট সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, জনপ্রশাসন সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের জবাব দিতে বলা হয়েছিল। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব। তিনি জানান, চলমান শিশু মৃত্যুর ঘটনায় কারা দায়ী এবং কেন রাষ্ট্র দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে তা অনুসন্ধানের জন্য একটি ইনকোয়ারি কমিশন গঠনের বিষয়ে রুল দিয়েছেন আদালত।

গত ১৭ মে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদন দায়ের করেন। রিটে হামের টিকা রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার বাইরে বেসরকারি খাতে দেওয়ার অভিযোগ তুলে তদন্ত কমিটি গঠন এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ তার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়। গত ৬ এপ্রিল এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু এসব রিটে এখনও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

এসব অভিযোগের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনও সাড়া নেই, এ নিয়ে তদন্তে অনাগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কিন্তু কেন? বর্তমান সরকার হাম প্রতিরোধে সকল ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। এই মৃত্যুর দায় কোনোভাবেই বর্তমান সরকারের ওপর বর্তায় না। তাহলে এক্ষেত্রে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে বাধা কোথায়? হামে ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনার সঠিক তদন্ত এবং দোষীদের বিচারের আওতায় না আনা হলে, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পিছিয়েই থাকবে।

অদিতি করিম : লেখক ও নাট্যকার।

ই-মেইল : auditekarim@ gmail.com

এই বিভাগের আরও খবর
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
বাজেট : গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রত্যাশা
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
সালমান শাহ হত্যা মামলার সত্য উদ্ঘাটনে ফরেনসিক সাইকোলজির ভূমিকা
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের ফাঁদে অসহায় গ্রাহক
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে মেসির স্পষ্ট বার্তা
২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে মেসির স্পষ্ট বার্তা

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

আরও ৩ দেশে ফ্রিজ ও এসি রপ্তানি শুরু করলো ‘ভিশন’
আরও ৩ দেশে ফ্রিজ ও এসি রপ্তানি শুরু করলো ‘ভিশন’

৮ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

হাবিপ্রবিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বিষয়ে সিম্পোজিয়াম
হাবিপ্রবিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বিষয়ে সিম্পোজিয়াম

১২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের
ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘মেক্সিকান ওয়াল’ ওচোয়ার অবসরের ঘোষণা
‘মেক্সিকান ওয়াল’ ওচোয়ার অবসরের ঘোষণা

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির জন্য ইরানকে বিমানভর্তি অর্থ ঘুষ দিয়েছিলেন ওবামা, বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের
চুক্তির জন্য ইরানকে বিমানভর্তি অর্থ ঘুষ দিয়েছিলেন ওবামা, বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে টুম্পার নির্দেশনায় মামুনুর রশীদের নাটক ‘অমানুষ’
যুক্তরাষ্ট্রে টুম্পার নির্দেশনায় মামুনুর রশীদের নাটক ‘অমানুষ’

১৬ মিনিট আগে | শোবিজ

একইদিনে বিশ্বকাপের চার ম্যাচে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড
একইদিনে বিশ্বকাপের চার ম্যাচে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদে সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন চাইলেন জামায়াত এমপি
সংসদে সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন চাইলেন জামায়াত এমপি

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

পর্তুগালের সঙ্গে ভিসা মওকুফ চুক্তি সৌদির
পর্তুগালের সঙ্গে ভিসা মওকুফ চুক্তি সৌদির

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তির শর্তাবলী কেন প্রকাশ করা হচ্ছে না, যা বললেন ভ্যান্স
ইরান চুক্তির শর্তাবলী কেন প্রকাশ করা হচ্ছে না, যা বললেন ভ্যান্স

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কঙ্গোর বিপক্ষে মাঠে নামলেই যে রেকর্ড গড়বেন রোনালদো
কঙ্গোর বিপক্ষে মাঠে নামলেই যে রেকর্ড গড়বেন রোনালদো

৩১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মাননা পেল ইউসিবি
কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মাননা পেল ইউসিবি

৩২ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার : মীর হেলাল
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার : মীর হেলাল

৩৭ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

কানাডায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত
কানাডায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত

৪০ মিনিট আগে | পরবাস

অনলাইনে বিক্রির জন্য বাড়িতে রাখা ১৬ পাখি উদ্ধার, গ্রেফতার দুই
অনলাইনে বিক্রির জন্য বাড়িতে রাখা ১৬ পাখি উদ্ধার, গ্রেফতার দুই

৪১ মিনিট আগে | নগর জীবন

সুস্থ ভূমি ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়: পরিবেশমন্ত্রী
সুস্থ ভূমি ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়: পরিবেশমন্ত্রী

৪২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রাজস্ব বাড়াতে আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমসে তিন টাস্কফোর্স গঠন
রাজস্ব বাড়াতে আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমসে তিন টাস্কফোর্স গঠন

৫০ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ছেলের বউ ও প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, দুই অভিযুক্ত কারাগারে
ছেলের বউ ও প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, দুই অভিযুক্ত কারাগারে

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শিশু নিসার প্রতি পাশবিকতা গোটা সমাজকে লজ্জিত করেছে: প্রিন্স
শিশু নিসার প্রতি পাশবিকতা গোটা সমাজকে লজ্জিত করেছে: প্রিন্স

৫৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমান্তে পুশ ইন তৎপরতায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে: সাইফুল হক
সীমান্তে পুশ ইন তৎপরতায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে: সাইফুল হক

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘ফ্যামিলি কার্ড অস্বচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে’
‘ফ্যামিলি কার্ড অস্বচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে’

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রামগড়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ
রামগড়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইবোলা-কোয়ারেন্টাইন পেরিয়ে কঙ্গোর রূপকথার সূচনা আজ
ইবোলা-কোয়ারেন্টাইন পেরিয়ে কঙ্গোর রূপকথার সূচনা আজ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৬ দিনে প্রবাসী আয় এলাে ১৭২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার
১৬ দিনে প্রবাসী আয় এলাে ১৭২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

চট্টগ্রামে ৫ বছরের শিশু অপহরণ, বিছানায় মিলল ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণের চিঠি
চট্টগ্রামে ৫ বছরের শিশু অপহরণ, বিছানায় মিলল ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণের চিঠি

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

জুনের ১৬ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠালেন ১৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার
জুনের ১৬ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠালেন ১৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘জেমস বন্ড’ সিনেমার স্মৃতিবিজড়িত সেই রিসোর্টে হবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি
‘জেমস বন্ড’ সিনেমার স্মৃতিবিজড়িত সেই রিসোর্টে হবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
‘ইরান চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখ্যান করল যুক্তরাষ্ট্র’
‘ইরান চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখ্যান করল যুক্তরাষ্ট্র’

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্বই থাকত না: ট্রাম্প
আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্বই থাকত না: ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে রেকর্ডটা বাকি ছিল, সেটাও ছুঁয়ে ফেললেন মেসি
যে রেকর্ডটা বাকি ছিল, সেটাও ছুঁয়ে ফেললেন মেসি

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপ্পের মনটাই খারাপ করে দিলেন মেসি!
এমবাপ্পের মনটাই খারাপ করে দিলেন মেসি!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেপালের বোর্ডিং পাসে ইতালি যাত্রা, বিমানের কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
নেপালের বোর্ডিং পাসে ইতালি যাত্রা, বিমানের কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হ্যাটট্রিকে ক্লোসাকে ছুঁলেন মেসি, উড়ছে আর্জেন্টিনা
হ্যাটট্রিকে ক্লোসাকে ছুঁলেন মেসি, উড়ছে আর্জেন্টিনা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘ইসরায়েল ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনও অস্তিত্ব নেই’— ট্রাম্পকে কটাক্ষ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের
‘ইসরায়েল ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনও অস্তিত্ব নেই’— ট্রাম্পকে কটাক্ষ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শৈলকুপায় বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন
শৈলকুপায় বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ভারতের মাটিতে সফল পরীক্ষা টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের!
এবার ভারতের মাটিতে সফল পরীক্ষা টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের!

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনচেলত্তির কৌশল বদল, ব্রাজিল একাদশে বড় পরিবর্তন
আনচেলত্তির কৌশল বদল, ব্রাজিল একাদশে বড় পরিবর্তন

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেখে নিন মেসির হ্যাটট্রিক (ভিডিও)
দেখে নিন মেসির হ্যাটট্রিক (ভিডিও)

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিপক্ষ নয়, বিশ্বকাপে জার্মানির বড় আতঙ্ক এখন ‘বিষাক্ত সাপ’
প্রতিপক্ষ নয়, বিশ্বকাপে জার্মানির বড় আতঙ্ক এখন ‘বিষাক্ত সাপ’

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষকের মায়ের পাশে মার্কিন প্রশাসন
কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষকের মায়ের পাশে মার্কিন প্রশাসন

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমরাই মেসিকে সুযোগ করে দিয়েছি: আলজেরিয়া কোচ
আমরাই মেসিকে সুযোগ করে দিয়েছি: আলজেরিয়া কোচ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোল, রেকর্ড, প্রতিশোধ সব একসঙ্গে: ম্যাচ জিতল ফ্রান্স
গোল, রেকর্ড, প্রতিশোধ সব একসঙ্গে: ম্যাচ জিতল ফ্রান্স

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রেকর্ড ভেঙে ফ্রান্সের চূড়ায়, এখনও ফুরোয়নি ‘প্রজেক্ট এমবাপ্পে’র ক্ষুধা
রেকর্ড ভেঙে ফ্রান্সের চূড়ায়, এখনও ফুরোয়নি ‘প্রজেক্ট এমবাপ্পে’র ক্ষুধা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি এই গ্রহের বাসিন্দা নন, মুগ্ধ  কিংবদন্তিরা ভাসাচ্ছেন প্রশংসায়
মেসি এই গ্রহের বাসিন্দা নন, মুগ্ধ  কিংবদন্তিরা ভাসাচ্ছেন প্রশংসায়

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসির গোলে বাংলাদেশের উৎসব পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমে
মেসির গোলে বাংলাদেশের উৎসব পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমে

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঝুপড়ি ঘরে এসি-সিসি ক্যামেরা লাগানো সেই মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন
ঝুপড়ি ঘরে এসি-সিসি ক্যামেরা লাগানো সেই মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যখন নগরপিতাই নগরখেকো
যখন নগরপিতাই নগরখেকো

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তিনি মানলেন মেসিই সর্বকালের সেরা
তিনি মানলেন মেসিই সর্বকালের সেরা

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত নয়, প্রয়োজনে আবারও ‘বোমা ফেলার’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
ইরানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত নয়, প্রয়োজনে আবারও ‘বোমা ফেলার’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩০০ বিলিয়ন ডলারের ফান্ড নয়, ইরানে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র
৩০০ বিলিয়ন ডলারের ফান্ড নয়, ইরানে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এক ম্যাচ খেলেই যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার মেয়াদ শেষ ইরানি ফুটবলারের
এক ম্যাচ খেলেই যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার মেয়াদ শেষ ইরানি ফুটবলারের

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রেকর্ডের রাতে এমবাপে, মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস ফরাসি তারকার
রেকর্ডের রাতে এমবাপে, মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস ফরাসি তারকার

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঝিনাইদহে অত্যাধুনিক কসাইখানার উদ্বোধন
ঝিনাইদহে অত্যাধুনিক কসাইখানার উদ্বোধন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

রাতে বিশ্বকাপ মিশন শুরু পর্তুগালের, নেতৃত্বে রোনালদো
রাতে বিশ্বকাপ মিশন শুরু পর্তুগালের, নেতৃত্বে রোনালদো

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লেবাননে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহুর ওপর চটলেন ট্রাম্প
লেবাননে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহুর ওপর চটলেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসি ৩-০ আলজেরিয়া; আর্জেন্টিনার দারুণ সূচনা
মেসি ৩-০ আলজেরিয়া; আর্জেন্টিনার দারুণ সূচনা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সচল হচ্ছে অচল আট বিমানবন্দর
সচল হচ্ছে অচল আট বিমানবন্দর

পেছনের পৃষ্ঠা

পিলারের নিচের মাটি বিক্রি ঝুঁকিতে পদ্মা রেলসেতু
পিলারের নিচের মাটি বিক্রি ঝুঁকিতে পদ্মা রেলসেতু

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শিশুর লাশ উদ্ধার ঘিরে রণক্ষেত্র ফলিমারী
শিশুর লাশ উদ্ধার ঘিরে রণক্ষেত্র ফলিমারী

প্রথম পৃষ্ঠা

মুশফিকুলকে দেখতে হাসপাতালে সেনাপ্রধান
মুশফিকুলকে দেখতে হাসপাতালে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

নিয়ন্ত্রণে আসছে না আইনশৃঙ্খলা
নিয়ন্ত্রণে আসছে না আইনশৃঙ্খলা

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন কাঠামোয় কর বাড়ার শঙ্কা চাকরিজীবীদের
নতুন কাঠামোয় কর বাড়ার শঙ্কা চাকরিজীবীদের

পেছনের পৃষ্ঠা

অনলাইন জুয়ার ফাঁদে সিলেট
অনলাইন জুয়ার ফাঁদে সিলেট

নগর জীবন

ছিনতাইকারীর হামলায় আহত ওসি এসআই
ছিনতাইকারীর হামলায় আহত ওসি এসআই

প্রথম পৃষ্ঠা

পচা শামুকে পা কাটার ভয় রোনালদোদের!
পচা শামুকে পা কাটার ভয় রোনালদোদের!

প্রথম পৃষ্ঠা

গাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা প্রধান শিক্ষকের
গাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা প্রধান শিক্ষকের

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্রাজিল আর্জেন্টিনা ও ফুটবল রাজনীতি
ব্রাজিল আর্জেন্টিনা ও ফুটবল রাজনীতি

সম্পাদকীয়

আসছে দেড় লাখ কোটি টাকার ৩৮ প্রকল্প
আসছে দেড় লাখ কোটি টাকার ৩৮ প্রকল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রেমের টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চীনা যুবক
প্রেমের টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চীনা যুবক

পেছনের পৃষ্ঠা

বেনজীরকে ফেরত চেয়ে আমিরাতকে দুদকের চিঠি
বেনজীরকে ফেরত চেয়ে আমিরাতকে দুদকের চিঠি

প্রথম পৃষ্ঠা

রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে আরও ১০ জেলা
রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে আরও ১০ জেলা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রিকেটারদেরই সব কৃতিত্ব : তামিম
ক্রিকেটারদেরই সব কৃতিত্ব : তামিম

মাঠে ময়দানে

রাজশাহীর আমে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত
রাজশাহীর আমে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত

পেছনের পৃষ্ঠা

বড় বাজেটেও বঞ্চনায় রংপুর
বড় বাজেটেও বঞ্চনায় রংপুর

নগর জীবন

আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকত না
আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকত না

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের
ডিজিটাল চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিনিয়োগ বাড়াতে চার কৌশল
বিনিয়োগ বাড়াতে চার কৌশল

পেছনের পৃষ্ঠা

পচন ধরেছে সামাজিক গ্রন্থিতে
পচন ধরেছে সামাজিক গ্রন্থিতে

সম্পাদকীয়

ডা. নাফিসার মৃত্যুতে স্বামী-শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা
ডা. নাফিসার মৃত্যুতে স্বামী-শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা

নগর জীবন

ঝুলে আছে রিজার্ভ চুরি মামলার চার্জশিট
ঝুলে আছে রিজার্ভ চুরি মামলার চার্জশিট

নগর জীবন

দিল্লিতে আমার সঙ্গে ব্যবহার যথাযথ হয়নি
দিল্লিতে আমার সঙ্গে ব্যবহার যথাযথ হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

মেঘনার ভাঙন রোধের দাবিতে পাউবো ঘেরাও সড়ক অবরোধ
মেঘনার ভাঙন রোধের দাবিতে পাউবো ঘেরাও সড়ক অবরোধ

দেশগ্রাম

৩১ বছর পর ফেরদৌস আরা
৩১ বছর পর ফেরদৌস আরা

শোবিজ

পবিত্র আশুরা ২৬ জুন
পবিত্র আশুরা ২৬ জুন

প্রথম পৃষ্ঠা