ঘরে বসেই মিলবে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-ঋণ’
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ১৬ জুন, ২০২৬
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ১৫ জুন, ২০২৬
লোকাল ডেস্ক ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ১৫ জুন, ২০২৬
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ১১ জুন, ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ২ এপ্রিল, ২০২৬
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ১৪ মার্চ, ২০২৬
দেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবা সম্প্রসারণে নতুন উদ্যোগ হিসেবে বাণিজ্যিকভাবে ‘ই-ঋণ’ বা ‘ই-লোন’ সেবা চালুর অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে গ্রাহকরা ঘরে বসেই ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপ, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ই-ওয়ালেটের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন।
১১ মে, সোমবার জারি করা এক সার্কুলারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানো, ডিজিটাল লেনদেন সম্প্রসারণ এবং ক্যাশলেস সমাজ গঠনের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সার্কুলার অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোকে নতুন এ সেবার নামের সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে ‘ই-লোন’ শব্দটি যুক্ত করতে হবে। একজন গ্রাহক নির্দিষ্ট সময়ে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন এবং ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ১২ মাস। বাজারভিত্তিক সুদহার নির্ধারণ করবে ব্যাংকগুলো। তবে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার ক্ষেত্রে গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ সুদহার হবে ৯ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ই-ঋণের পুরো কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালনা করতে হবে। গ্রাহক নির্বাচন, ঋণ অনুমোদন, বিতরণ ও আদায়—সবকিছুই হবে অনলাইনে। আবেদন ও অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রচলিত স্বাক্ষরের পরিবর্তে বায়োমেট্রিক তথ্যের মাধ্যমে গ্রাহকের সম্মতি নিতে হবে। তবে এসব বায়োমেট্রিক তথ্য কোনো তৃতীয় পক্ষ সংরক্ষণ করতে পারবে না।
ঋণ অনুমোদনের আগে গ্রাহকের ঋণ তথ্য ব্যুরো (সিআইবি) প্রতিবেদন যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। খেলাপি ঋণগ্রহীতারা এ সুবিধা পাবেন না।
এছাড়া সুদ, ফি, চার্জ, বিলম্ব মাশুল বা আগাম ঋণ পরিশোধ ফিসহ সব তথ্য গ্রাহককে আগেই স্পষ্টভাবে জানাতে হবে। গ্রাহকের সম্মতি ছাড়া কোনো অতিরিক্ত চার্জ আরোপ করা যাবে না বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, বাণিজ্যিকভাবে ই-লোন চালুর আগে ব্যাংকগুলোকে অন্তত ছয় মাস পাইলট প্রকল্প পরিচালনা করতে হবে। পাইলট কার্যক্রম মূল্যায়নের পর পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিয়ে পূর্ণাঙ্গ সেবা চালু করা যাবে।
এছাড়া প্রতিটি ব্যাংককে নিজস্ব নীতিমালা প্রণয়ন, টু-ফ্যাক্টর বা মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন নিশ্চিত এবং গ্রাহক ও ঋণসংক্রান্ত তথ্য দেশের ভেতরে থাকা ডেটা ওয়্যারহাউজে সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
৫ জানুয়ারি, ২০২৬
২৪ মে, ২০২৬
৮ জুন, ২০২৬
১৬ জুন, ২০২৬
১৬ জুন, ২০২৬
১৬ জুন, ২০২৬
Total Vote: 6
হ্যা
Total Vote: 23
আশীর্বাদ

