মেক্সিকোর আন্তর্জাতিক স্থাপত্য প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের সাফল্য

মেক্সিকোতে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্থাপত্য প্রতিযোগিতা ‘এক্সএক্সআইএক্স প্লাস্টিক স্পেশাল এনকাউন্টার ২০২৬’-এ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের দুটি দল পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেছে। ‘এজ অব ইটারনিটি’ প্রকল্প দ্বিতীয় স্থান এবং ‘দ্য লিভিং কিউব’ প্রকল্প প্রথম সম্মাননা পুরস্কার লাভ করেছে।

মেক্সিকোর আন্তর্জাতিক স্থাপত্য প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের সাফল্য
১৬ জুন, ২০২৬ ০৯:৪৯  

মেক্সিকোর ন্যাশনাল অটোনোমাস ইউনিভার্সিটি (ইউএনএএম)-এর স্থাপত্য অনুষদ এবং লুইস ব্যারাগান ওয়ার্কশপের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক স্থাপত্য প্রতিযোগিতা ‘এক্সএক্সআইএক্স প্লাস্টিক স্পেশাল এনকাউন্টার ২০২৬’-এ অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

১৬ জুন, মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্টুডিও ১.২’ (৪২তম ব্যাচ)-এর শিক্ষার্থীদের দুটি দল অংশ নেয়। এর মধ্যে ‘এজ অব ইটারনিটি’ প্রকল্পের জন্য মো. হাসিন আলমাস হিমেল, তাসনিম এবং শাশ্বতী ঘরামীর দল দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। অন্যদিকে ‘দ্য লিভিং কিউব’ প্রকল্পের জন্য মোসাদ্দিক চৌধুরী, এইচ. এম. হাদী এবং ইশরাত জাহান সামিয়ার দল প্রথম সম্মাননা পুরস্কার লাভ করে।

শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, একাগ্রতা ও কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি এই সাফল্যের পেছনে মেন্টরদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বিজয়ী দলগুলোকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন টিম অ্যাডভাইজর এমা ইশরাত এবং এস. এম. আহাদুল ইসলাম। এছাড়া পুরো কার্যক্রমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন স্টুডিও শিক্ষক স্থপতি শেখ ইতমাম সৌদ, স্থপতি মিনহাল আহমেদ এবং স্থপতি আরিফ মাহতাব কবির।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং স্থাপত্য শিক্ষায় উৎকর্ষের ধারাবাহিকতারই প্রতিফলন। এর আগে ২০২৪ সালের একই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা তৃতীয় স্থান এবং দুটি কমেন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছিল।

শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কাজী জামিল আজহার, বিওটি সদস্য স্থপতি ইকবাল হাবিব এবং উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বিজয়ী শিক্ষার্থী, মেন্টর ও শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এক অভিনন্দন বার্তায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এই ধারাবাহিক অর্জন প্রমাণ করে যে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা মেধা, সৃজনশীলতা এবং আন্তর্জাতিক মানের স্থাপত্য শিক্ষার ক্ষেত্রে সঠিক পথেই এগিয়ে যাচ্ছে।

//ডিবিটেক/এসএএন/ইকে//