ঢাবি এমআইএস বিভাগ ও বিসিকের যৌথ উদ্যোগে উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ শুরু

ঢাবি এমআইএস বিভাগ ও বিসিকের যৌথ উদ্যোগে উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ শুরু
৭ জুন, ২০২৬ ০৯:১৯  

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্যোক্তা মনোভাব গড়ে তোলা, উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক চিন্তার বিকাশ এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস (এমআইএস) বিভাগ এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের (বিসিক) প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বিসিক ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের (বিটিআই) যৌথ উদ্যোগে পাঁচ দিনব্যাপী ‘উদ্যোক্তা উন্নয়ন’ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

৭ জুন, রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ ফারুক মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

এমআইএস বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. রকিবুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাহমুদ ওসমান ইমাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মো. শহিদুজ্জামান এবং ড. মো. ফরহাদ আহমেদ।

বক্তারা বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায়িক পরিবেশের এই সময়ে তরুণদের শুধু চাকরিনির্ভর মানসিকতায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা, প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা এবং উদ্যোক্তা সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।

তারা বলেন, উদ্যোক্তাভিত্তিক মানবসম্পদ উন্নয়ন দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দক্ষ ও প্রযুক্তিসচেতন উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও উদ্ভাবনী উদ্যোগের বিস্তার ঘটানো সম্ভব, যা ভবিষ্যতের স্মার্ট অর্থনীতি গঠনে সহায়ক হবে।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, উদ্ভাবনভিত্তিক ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতির ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা যাবে। এ লক্ষ্যেই বিসিক শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসছে।

আগামী ১১ জুন পর্যন্ত চলমান এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ব্যবসায় পরিকল্পনা প্রণয়ন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল মার্কেটিং ও বাজারজাতকরণ কৌশল, আর্থিক পরিকল্পনা, স্টার্টআপ ব্যবস্থাপনা এবং সফল উদ্যোক্তা হওয়ার বিভিন্ন ব্যবহারিক বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন।

আয়োজকদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের এই যৌথ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্যোক্তা সংস্কৃতি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর নতুন উদ্যোগ, স্টার্টআপ এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক অবদান রাখবে। 

//ডিবিকটেক/কেকা/এমআই//