পুলিশ ও গণমাধ্যমের যৌথ কর্মশালা শুরু

ঢাকায় শুরু হয়েছে পুলিশ ও গণমাধ্যমের পেশাগত সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে ৩ দিনব্যাপী বিশেষ কর্মশালা। ইউনেস্কো ও বাংলাদেশ পুলিশের যৌথ উদ্যোগে এই আয়োজনে ২৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা ও ১৬ জন সাংবাদিক অংশ নিচ্ছেন।

পুলিশ ও গণমাধ্যমের যৌথ কর্মশালা শুরু
১৬ জুন, ২০২৬ ২১:১৮  

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং জনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়গুলোকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশ ও গণমাধ্যমের মধ্যে পেশাগত সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে ঢাকায় তিন দিনব্যাপী এক কর্মশালা শুরু হয়েছে। ‘গণতন্ত্র ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা’ শীর্ষক এই কর্মশালাটি ১৬–১৮ জুন রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

জাতিসংঘের ইলেক্টোরাল অ্যাসিসট্যান্স প্রকল্প BALLOT-এর আওতায় বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের সহযোগিতায় এবং ইউনেস্কোর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে ২৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং ১৬ জন সাংবাদিক অংশ নিচ্ছেন।

উদ্বোধনী অধিবেশনে বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (এইচআরএম) খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, “মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা—উভয়ই একটি গণতান্ত্রিক সমাজের মৌলিক ভিত্তি। আমাদের চ্যালেঞ্জ হলো, এ দুটি উদ্দেশ্য যেন পরস্পরের পরিপন্থী না হয়ে একে অপরকে শক্তিশালী করে।”

কর্মশালায় বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি ও অফিস প্রধান ড. সুসান ভাইজ বলেন, “শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং শক্তিশালী গণমাধ্যম ব্যবস্থা কখনো একে অপরের প্রতিপক্ষ হওয়া উচিত নয়। তারা নাগরিকদের কল্যাণ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অংশীদার।” অধিবেশনটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি (ট্রেনিং-১) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

তিন দিনব্যাপী এই কর্মশালার প্রথম দিনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দ্বিতীয় দিনে সংকটকালীন যোগাযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবহারিক অনুশীলন অনুষ্ঠিত হবে।

শেষ দিনে অংশগ্রণকারীরা নারী সাংবাদিকসহ গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা ও পুলিশ-গণমাধ্যম সম্পর্ক উন্নয়নের বাস্তবভিত্তিক সুপারিশ প্রণয়নের সুযোগ পাবেন।

২০১৩ সাল থেকে ইউনেস্কো বিশ্বব্যাপী ১৩ হাজারেরও বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

//ডিবিটেক/আরআরটি/এমআই//