জিন মন ভালোবাসায় স্ট্রেইট কাটের যুগলবন্দী
ভালোবাসার মতো বিষয়গুলোকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ (জীববিজ্ঞান ও জিনতত্ত্ব) থেকে বিশ্লেষণ করে লেখা জনপ্রিয় নন-ফিকশন গ্রন্থ- 'জিন মন ভালোবাসা' উপন্যাসের জনপ্রিয় লেখক, শিক্ষক ও বিজ্ঞান গবেষক মুশতাক ইবনে আয়ুবের সঙ্গে জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করলেন চ্যানেল আইয়ের ‘টু দ্য পয়েন্ট’, ‘স্ট্রেইট কাট’সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী।
৫ জুন, শুক্রবার, ঢাকার বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় দুই পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে দীপ্তি ও মুশতাকের আক্দ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি ছিল একান্ত পারিবারিক আয়োজন।
বিকেলে সোশ্যাল হ্যান্ডেলে বিয়ের খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীপ্তি চৌধুরী ও মুশতাক ইবনে আইয়ুবকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভক্তরা।
বিয়ের বেশ কিছু ছবি পোস্ট করে দীপ্তি লিখেছেন, “যাকে না পাওয়া ছিল জীবনের একমাত্র আফসোস, তাকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়েছি। মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা। তিনি আমার দেখা সবচেয়ে নির্মল মানুষ। তার প্রতি ভালোবাসার সঙ্গে রয়েছে গভীর শ্রদ্ধা। চলো একসঙ্গে নতুন এই পথচলা শুরু করি।”
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, চার ভাইয়ের মধ্যে কনিষ্ঠ মুস্তাক ইবনে আইয়ুব মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় একজন শিক্ষক ও গবেষক। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেছেন এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবে কর্মরত। শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি চ্যানেল ২৪ এর সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন।
অপরদিকে ২০২৪ সালের জুলাইতে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালীন চ্যানেল আইয়ে আয়োজিত ‘টু দ্য পয়েন্ট’ টকশো-তে উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরীকে ‘রাজাকারের বাচ্চা’ আখ্যা দিয়েছিলেন সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। এ ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।
এমন আচরণের কারণে সেই সময়ে নিন্দিত হন সাবেক এই বিচারপতি। সেই একই ভিডিওটিতে দেখা যায়, দীপ্তি চৌধুরী নিজেকে ‘মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান’ উল্লেখ করে বিচারপতি মানিকের এ বক্তব্যের প্রতিবাদ করছিলেন। দীপ্তির এই দৃঢ়তা সেই সময়ে নন্দিত হয়।
//ডিবিটেক/আইএইচ/এমইউএম//





